Connect with us

গল্প

বিশ্বাস || ফারিসা মাহমুদ

Published

on

বিশ্বাস || ফারিসা মাহমুদ

দিশা বসে অপো করছে। এক হুজুরের সঙ্গে দেখা করতে এসেছে ওরা। দিশা আর দিশার শাশুড়ি। দর্শনার্থীদের অপোর জন্যে দুইটা বড় বড় রুম। একটা মহিলাদের, একটা পুরুষদের। মহিলার সংখ্যাই বেশী। মহিলাদের মধ্যে আবার প্রায় সবাই বোরখা বা হিজাব পরে এসেছে। দিশা শুধু সালোয়ার কামিজ আর ওড়না দিয়ে মাথায় ঘোমটা দেয়া। তাতেই দিশার কানে শোঁ শোঁ শব্দ হচ্ছে। কথাবার্তা কিছুই বুঝতে পারছে না। ওর শাশুড়ির পরামর্শে মাথায় ঘোমটা তুলে দিতে হয়েছে।

এই হুজুর বিশেষ কারণে বিখ্যাত। উনার তদবিরে নিঃসন্তান মহিলাদের সন্তান হয়। উনি চেলেঞ্জ করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেন। দিশা আর্টসের ছাত্রী ।বিজ্ঞান তেমন বুঝে না। ঝাড় ফুক, পানি পরায় যে অন্তত বাচ্চা হয় না এইটুকু সে জানে। তবু সে এসেছে। বিচ্ছিরি ঘিনঘিনে একটা অনুভুতি নিয়ে সে বসে আছে । মুখে থুথু উঠে আসছে। ‘থু’ করে আসে পাশেই থুথু ফেলতে ইচ্ছে করছে।এইটা সে করতে পারছে না কারণ সভ্যতাও এক রকমের শিকল। ইচ্ছাগুলোকে বেঁধে রাখে।

স্বামী, শশুড়বাড়ির সবাইকে যে খুশী রাখতে চায় বা ও নিজে যে খুব বাচ্চা চায় এমন নয়। বাচ্চার জন্যে হুজুরের কাছে আসতে হবে, এমন অদ্ভুত সিদ্ধান্ত কেউ ওর উপরে চাপিয়ে দিবে আর তা সে মেনে নিবে এতোটা দুর্বল ব্যক্তিত্বের ও নয় সে।
তাহলে দিশা কেন এসেছে?

দিশার বিয়ে হয়েছে প্রায় একযুগ। এতদিনেও তার কোন সন্তান হয়নি। দিশা আর দিয়া দুই বোন, জমজ। দিয়া নিজেই পালিয়ে বিয়ে করে ফেলেছিল কলেজ থাকতেই। ওর বাচ্চা এখন হাই স্কুলে পড়ে। দিয়ার বিয়ের পরে থেকে ওদের মা দিশাকে নিয়ে একরকম মানসিক চাপে থাকত। খুবই স্বাভাবিক, ওদের বাবা নেই। মা একাই বা আর মায়ের দায়িত্ব পালন করছে। তাই অনার্স পরীার পরে যখন মা বিয়ে ঠিক করলো, দিশা আর আপত্তি করেনি।

যেহেতু বাবা মারা যাওয়ার পরে মা ভয়ংকর আর্থিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেছে তাই দিশার বিয়ের জন্যে মা পাত্রের যোগ্যতা হিসাবে প্রথমেই আর্থিক স্বচ্ছলতাকেই দেখেছে। হ্যাঁ, ডিউকরা ধনী। ডিউক দিশার স্বামী। পরিবারিক ভাবেই ওরা ধনী তার উপরে আবার ডিউক উচ্চ শিত। এবং মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির বেশ উঁচুর দিকে পোস্টে চাকরি করে। বাংলাদেশে চাকরি করে যে এত বেতন পাওয়া যায় তা দিশার কল্পনার বাইরে ছিল। বিয়ের জন্যে এমন পাত্র পাওয়া সৌভাগ্যের।

পাত্র পরে কাছে দিশার যোগ্যতা হচ্ছে, সে দেখতে সুন্দর এবং প্রায় দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। সবাইকে ওর শাশুড়ি তাই বলে, আমরা তো টাকা পয়সা চাইনি। আল্লাহার রহমতে আমাদের তো কম নেই। একটা ভালো মেয়ে চেয়েছিলাম,একটু দেখতে ভালো, গরিব তাতে কি ! আমাদের কাছে টাকা পয়সা কোন বিষয় না। কথাগুলো বলার সময় মহিলার মুখে আত্মতৃপ্তির সুখ চকচক করতো। আর দিশা অবাক হয়ে ভাবত, ভদ্রতা বোধ সম্পন্ন মানুষ এতো কম কেন দুনিয়ায় !

ডিউক দিশার থেকে প্রায় দশ বছরের বড়। কিন্তু ডিউকে দেখে বুঝা যায় না। বেশ মানিয়ে গেছে দিশার সঙ্গে। ডিউক পাত্র হিসাবে আদর্শ। বেশ ধার্মিক পরিবার। ডিউক লম্বা, ফর্শা, ফ্রেঞ্চ কাট দাড়ি বলে না কি বলে কে জানে! গোফ নেই কেবল থুতনিতে কায়দা করে দাড়ি রেখেছে। নিয়মিত ট্রিম করে সেই দাড়ি, অধুনিক কাটের স্যুট পরে (সুন্নাহ মেনে গোড়ালির উপরে প্যান্ট বা পাজামা পরে) সুন্নাহ এবং শরিয়াহ মেনে চলে ওরা। ওদের বাড়ির মেয়েরা সব খাটি সোনার গয়না পরে এবং হিজাব ছাড়া বাড়ি থেকে বের হয় না। কেবল দিশাই হিজাব পরে না। এই নিয়ে ডিউক বেশ রাগ করে, এমন কি দিশার পরিবার নিয়েও কথা বলে। তবু দিশা ওর নিজের মতই থাকে।

বিয়ের কয়েক বছর পরেও যখন ওদের বাচ্চা হচ্ছিল না তখন অবস্থাটা এমন হলো যেন দিশারই সব দোষ। প্রথম প্রথম বাড়ির সবাই আকারে ইঙ্গিতে ব্যাপারটা বুঝাত। শেষের দিকে আর আড়াল টাও থাকলো না। শাশুড়ি সরাসরি ওকে বলেই দিলো, তুমি নামাজ পরো না, পর্দা করোনা, স্বামীর দিকে মন নেই তোমার, তাই তোমার উপরে আল্লাহর অভিশাপ।

দিয়া জবাবে বলেছে, আপনার ছেলে তো নামাজ কালাম করে তা হলে ?

তুমি খুব বেয়াদব। বাবা ছাড়া মেয়ে, আদব কায়দা শিখোনি। তোমার মা তোমায় সঠিক শিা দিতে পারেনি।

অনেক অনেক কথা কাটাকাটি, রাগ করে দুই তিনদিন না খেয়ে থাকা, মাঝে মধ্যে মায়ের বাড়ি কয়েকদিনের জন্যে চলে যাওয়া,খুব হয়েছে এসব। ডিউক আদর্শ ছেলে। মায়ের উপরে কথা বলবে না। রাত ঠিক ১১টায় ঘুমাতে হবে, ভোরে ফজর নামাজ পরতে হবে। খাওয়া মাপা, কথা মাপা, হাসা মাপা, চলা মাপা। সব কিছু তার ভালো হতে হবে। এমন কি দিশার প্রতিও সে যথেষ্ট যত্নবান। ইসলামে আছে স্ত্রী হচ্ছে শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ডিউক এক ওয়াক্ত নামাজ কাযা করেনি তাহলে সম্পদের অবহেলা করে কি করে !

দিশা বারবার বলেছে, চল আমরা ভালো একজন ডাক্তারের কাছে যাই। ডিউককে অনুরোধ করেছে, একসঙ্গে যেতে, ডিউক যাবে না। না না ছুতোনাতা। অথচ ওরা দেশে বা বিদেশে সব খানেই ডাক্তার দেখাতে পারে। দিশার মা, বোন সবাই বলেছে, তোমরা ইন্ডিয়াতে যাও। পাশের দেশ কিন্তু ওদের চিকিৎসা আমাদের থেকে এগিয়ে। দিশা কান্না করতে করতে ডিউওকে বলছে, চলো আমরা যাই।

ডিউকের জবাব হচ্ছে ‘আল্লাহর উপরে ভরসা রাখো, আল্লাহ যেদিন চাইবেন সেদিনই আমাদের সন্তান হবে। ‘তুমি নামাজ পর দিশা। আল্লাহর কালামের উপরে তো কিছু নাই। আল্লাহর উপরে ভরসা রাখ।’

দিশা অপোরত মহিলাদের মুখের দিকে তাকায়। সবার চেহারায় একরকম মিল আছে। অজ্ঞতা, অসহায়ত্ব আর অশিার মিল।

‘আম্মা, এবার আপনি আসুন’

দিশাকে ভেতরে নিয়ে যেতে এসেছে এক অল্প বয়স্ক ছেলে। উজ্জ্বল শ্যমলা, গোলগাল মত ২০/২২বছরের হবে ছেলেটা। চোখে সম্ভবত সুরমা লাগিয়েছে, ছেলেটা সারাণ মাটির দিকে তাকিয়ে আছে। ছোট্ট একটা উঠোনের মত জায়গা পার হয়ে অন্য আরেকটা তিন তলা বিল্ডিং এ ওরা চলে আসে। কলাপসিবল গেট, তারপরে সিঁড়ি। ঢুকতেই কেমন গা ঝিমঝিম করা একটা আতরের গন্ধ।

ডিউক অনেক ব্যস্ত থাকে। বিয়ের প্রথম প্রথম দিশার ব্যাপারে স্বাভাবিক ভাবেই বেশ আগ্রহ ছিল। আজকাল অনেক ব্যস্ত থাকে। দিশা ডিউওকের বিরুদ্ধে ঠিক অভিযোগ করতে পারবে না, আবার ওর খুব একাও লাগে। ডিউক থেকেও যেন নেই। কাউকে ও অনুভ‚তিগুলো বুঝিয়ে বলতেও পারে না। তা সম্ভব নয়। এই যে বাড়ির সবাই এতো বাচ্চার জন্যে অস্থির এই নিয়েও ডিউকে কখনো চিন্তিত হতে দেখেনি দিশা। আল্লাহর উপরে আগাদ বিশ্বাস তার। দিশার কখনো কখনো মনেহয় গভির ভাবে বিশ্বাস করতে পারাটাও একটা কঠিন একটা বিষয়। দিশা পারে না এমন গভীরভাবে বিশ্বাস করতে। সবেতেই ওর দ্বিধা। বিশ্বাস মানুষকে শান্তি দেয়। যখন কেউ কারো বা কোন কিছুর উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করতে পারে তখন তারচে সুখী মানুষ নেই। কিন্তু তা হতে হবে সত্যিকারের বিশ্বাস। আর পরম বিশ্বাসের জন্যে মানুষকে অন্ধ হতে হবে। জ্ঞানহীনের অন্ধত্ব।

দিশা কেন পারে না বিশ্বাস করতে? কেন পারে না নির্ভর করতে? হুজুরের কাছে এসেছে ও বিশ্বাস থেকে নয়। অভিমান থেকে, ােভ থেকে।প্রতিশোধ নেয়ার অদম্য এক ইচ্ছা, কার উপর প্রতিশোধ? কিসের প্রতিশোধ? জানে না দিশা। কিন্তু ভিতরে নিজেকে শেষ করার তীব্র বাসনা।

ওর এই দিনের পরে দিন একা অনুভব করা কখনোই ডিউক বুঝতে চায়নি। কখনো বলেনি আমি আছি তোমার সাথে। অজানা, মহাশক্তির উপর না, দিশা নির্ভর করতে চেয়েছিলো ডিউকের উপর। গভীর ভাবে বিশ্বাস করতে চেয়েছে ডিউককে। যেমনভাবে ডিউক বিশ্বাস করে আল্লাহর উপরে। বিশ্বাস করে বা বিশ্বাস করতে চায়। আজকাল উচ্চবিত্ত এবং উচ্চ শিতিদের ধর্মের উপরে অতিরিক্ত অনুরাগ দেখা যায়।এরা কথাও বলে ইংরেজি আর আরবি শব্দ মিলিয়ে। যখন ভাষা বদলে যায় তখন মানুষের চিন্তাও বদলে যায়। চিন্তা মানে দর্শন। খিচুরি ভাষার ফলাফল হবে খিচুরি দর্শন।

চোখের নিমিশেই যেন চারটা মাস উড়ে চলে গেল। দিশা এখন চার মাসের গর্ভবতী। বাড়ির সবাই অনন্দিত। বুজুর্গ হুজুরের তদবির ফলপ্রসূ হয়েছে।নতুন বংশধর আসছে পরিবারে। আল্লাহতালার অসীম করুণায়, হুজুরের উসিলায় মা হতে যাচ্ছে দিশা। দিশার শাশুড়ি প্রতিটা দমে দমে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।

দিশা ডিউককে দেখে। ওর ভাবনাগুলো বুঝতে চেষ্টা করে। একজন শিতি মানুষের পে তো অজানা নয় যে সন্তান জন্মের জন্যে একটা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে হবে। প্রকৃতির একটা নিখুঁত অংক আছে। ডিউক ও নিশ্চয়ই জানে। পানি পরা, ঝারফুকে বা ডিম পরা, বা আপেল পরা খেয়ে কখনো বাচ্চা হওয়া সম্ভব নয়। নিশ্চয়ই জানে। তাহলে কি দাঁড়ালো ? এই ধর্ম বিশ্বাস একরকম ভণ্ডামি। জেনে বুঝেও চোখ বন্ধ করে থাকা। সারাটা জীবন কাটবে মিথ্যা জেনেও গভীর বিশ্বাসের ভান করে করে? কেন? কি পাবে তাতে? নিজের মন তো জানেই কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা।এখন তো নিজের বিশ্বাসের অভিনয়ে নিজেই জ্বলবে জীবনভর।

দিশার মনের গভীরে কোথাও খুব সু একটা আনন্দ অনুভব করে। প্রতিশোধ নেয়ার আনন্দ। আনন্দ বা সার্থকতা কখনো কখনো কষ্ট হয়ে আসে কেন? চোখের জল ও খুব অদ্ভুত জিনিস। আনন্দেও ঝরে, কষ্টেও ঝরে।

দিশা বুকে পাথার চাপা দিয়ে দিনরাত কাটাচ্ছে। মাঝে মাঝে পৃথিবীর সমস্ত কিছুই তুচ্ছ মনে হয়। সমস্ত কিছু ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে। আজকাল পেটের মধ্যে অন্য একজনের অস্তিত্ব টের পায় দিশা। খুব মৃদু যেন টোকা দিচ্ছে এমন ভাবে নড়চড়ে উঠে শিশুটা। দিশা যখন শাওয়ার নেয়, তখন বাথরুমের আয়নায় খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে নিজেকে।তলপেট ইসৎ স্ফিত হতে শুরু করেছে। চোখ বন্ধ করে পেটে হাত রেখে বাচ্চাটাকে অনুভব করতে চায়। মনেমনে কথা বলে, তুমি আমার সন্তান, শুধু আমার। আমার রক্ত, মাংসে আমার শরীরে তোমার জন্ম হচ্ছে। তোমায় আমি জন্মদিচ্ছি। তুমি শুধুই আমার। শুনতে পাচ্ছো তুমি? তোমার বাবাকে তা জানার প্রয়োজন নেই, কারণ তোমার বাবা আর মায়ের ভালোবাসার ফলে তোমার জন্ম নয়। তুমি যখন আমার মধ্যে আসো তখন আমি অবশ, অচেতন । না,প্রতারনায় তোমার জন্ম না। আমি তো জানতাম, কেবল বিশ্বাসে প্রাণের জন্ম হয় না। আমি চেয়েছি বলেই তুমি এসেছো। তুমি কি বুঝতে পারছো আমার কথা? দিশা মনে মনে কথাগুলো বলে, দুই চোখ বেয়ে অঝোরে জল গড়িয়ে পড়ে।

 

Leave a comment

Advertisement Rupalialo Ads
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement
ঢালিউড4 hours ago

‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠিত

গ্লিটজ20 hours ago

নতুন বিজ্ঞাপনে ‘শ্রাবনী’

টেলিভিশন1 day ago

কাল কুলখানি ফটো-সাংবাদিক আসাদের মা’র

রূপালী আলো1 day ago

আজ প্রকাশিত হলো মৌরি ও আকাশের নতুুন মিউজিক ভিডিও ‘বন্ধুয়া’

রাশেল আশেকীকে অসুস্থতা নিয়ে আশির্বাদ করলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ
অন্যান্য2 days ago

মেয়র পদপ্রার্থী রাসেল আশেকীকে অসুস্থতা নিয়ে আশির্বাদ করলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ

গ্লিটজ4 days ago

প্রকাশিত হলো রাশেদ ও নাসা’র”প্রেমের সাগর”(ভিডিও)

গ্লিটজ4 days ago

‘ধূসর কুয়াশা’র সেন্সর প্রত্যাশা,আরো দুটি ছবি নিয়ে মুন্না!

গ্লিটজ4 days ago

প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে গল্প রচনা করলেন আহসান হাবিব সকাল

ফকির আলমগীর, দীপংকর দীপক
গ্রন্থালোচনা7 days ago

কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়বে দীপকের ছায়ামানব : ফকির আলমগীর

শীতের  মেয়েদের স্টাইলিশ পোশাক মডেল : রায়া   
ফ্যাশন1 week ago

শীতে মেয়েদের স্টাইলিশ পোশাক

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌'কথার কথা' (প্রমো)
সঙ্গীত1 month ago

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌’কথার কথা’ (প্রমো)

সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া
সঙ্গীত1 month ago

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান গাইলেন সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া

মাহিমা চৌধুরী (Mahima Chaudhry)। ছবি : ইন্টারনেট
ফিচার2 months ago

এই বলিউড নায়িকা কেন হারিয়ে গেলেন?

'সেক্সি মুভস না করে বরং পোশাক ছিঁড়ে ক্লিভেজ দেখাও'
বলিউড2 months ago

‘সেক্সি মুভস না করে বরং পোশাক ছিঁড়ে ক্লিভেজ দেখাও’

সালমান খান
বলিউড2 months ago

সালমান খানের ‘টাইগার’ ঝড় চলছে (ভিডিও)

‘হালদা’ ছবি দৃশ্য
ঢালিউড2 months ago

‘হালদা’ ছবির ট্রেলার দেখুন

শাহজাহান শুভ
সঙ্গীত2 months ago

‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবির অপ্রকাশিত গান ‘যখনই যেখানে’ (ভিডিও)

ওমর সানি (Omor Sani)। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনা রটনা3 months ago

চিত্রনায়ক ওমর সানির আবেগময় বক্তব্য (ভিডিও)

সারা আলী খান, Sara Ali Khan
বলিউড3 months ago

সাইফকন্যা সারার উষ্ণতার ভিডিও ফাঁস

মেহের আফরোজ শাওন (Meher Afroz Shaon)। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনা রটনা3 months ago

‘আমি বান্ধবীর বাবার সঙ্গে প্রেম করিনি, আমার বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব হয়েছিল’

Advertisement

বিনোদনের সর্বশেষ খবর

ঢালিউড4 hours ago

‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠিত

বিনোদন প্রতিবেদক : প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তার বিখ্যাত চরিত্র ‘দেবদাস’, ‘পাবর্তী’, ‘রাজলক্ষ্মী’, ‘ইন্দ্রনাথ’, ‘গহব্বর’, ‘অচলা’ ও ‘বড়দিদি’ ইতোমধ্যে...

গ্লিটজ20 hours ago

নতুন বিজ্ঞাপনে ‘শ্রাবনী’

বিনোদন প্রতিবেদক: মঞ্চ অভিনেত্রী থেকে আস্তে আস্তে মিডিয়ায় আগমন মডেল শ্রাবণীর। তিন মাধ্যমে সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছেন শ্রাবনী। যথেষ্ট পরিশ্রমের বিনিময়...

টেলিভিশন1 day ago

কাল কুলখানি ফটো-সাংবাদিক আসাদের মা’র

চলে গেলেন  ফটো সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদের মা (৭০) নূর জাহান বেগম। আগামীকাল বাদ যোহর মরহুমের কুলখানী বেগুনবাড়ি নিজ বাসভনে অনুষ্ঠিত হবে।...

রূপালী আলো1 day ago

আজ প্রকাশিত হলো মৌরি ও আকাশের নতুুন মিউজিক ভিডিও ‘বন্ধুয়া’

বিনোদন প্রতিবেদক: আজ প্রকাশিত হলো মৌরি ও আকাশের নতুুন মিউজিক ভিডিও ‘বন্ধুয়া’। আকাশ ড্রীম মিউজিক চ্যানেলে গানটি প্রকাশ পায়। এই পর্যন্ত আকাশ এবং...

গ্লিটজ4 days ago

প্রকাশিত হলো রাশেদ ও নাসা’র”প্রেমের সাগর”(ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক : সিডি ভিশন এর ব্যানারে ১১/০১/১৮ তারিখ বৃহস্পতিবার ইউটিউবে মুক্তি পেল এস আই টুটুল ও তিন্নির কন্ঠে উদিয়মান...

গ্লিটজ4 days ago

‘ধূসর কুয়াশা’র সেন্সর প্রত্যাশা,আরো দুটি ছবি নিয়ে মুন্না!

বিনোদন প্রতিবেদক: সেন্সরে আটকে আছে উত্তম আকাশ পরিচালিত চিত্র-নায়িকা নিপুন ও নবাগত মুন্না অভিনীত চলচ্চিত্র ‘ধূসর কুয়াশা’। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন...

গ্লিটজ4 days ago

প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে গল্প রচনা করলেন আহসান হাবিব সকাল

বিনোদন প্রতিবেদক: এই প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে গল্প রচনা করলেন আহসান হাবিব সকাল। চলচ্চিত্র, খন্ড নাটক ও ধারাবাহিক নাটক রচনা করলেও এই...

ফিউরিয়াস ইভেন্টের আয়োজনে থার্টি ফার্স্ট মাতাবেন নাইলা নাঈম ফিউরিয়াস ইভেন্টের আয়োজনে থার্টি ফার্স্ট মাতাবেন নাইলা নাঈম
অন্যান্য3 weeks ago

থার্টি ফার্স্ট মাতাবেন নাইলা নাঈম -ফিউরিয়াস ইভেন্টের আয়োজনে

নাইলা নাঈম এক নামে বর্তমানে তাকে চেনা না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া এই সোশাল মিডিয়ার যুগে সত্যি খুব কস্টকর। প্রতি...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত