Connect with us

মতামত

নতুন মেরুকরণে মধ্যপ্রাচ্য || রায়হান আহমেদ

Published

on

নতুন মেরুকরণে মধ্যপ্রাচ্য || রায়হান আহমেদ

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বর্তমানে কাতার ইস্যু সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে সউদি আরব এবং বেশ কয়েকটি দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও ভ্রমণ সম্পর্ক ছিন্ন করার পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নানা মেরুকরণ শুরু হয়েছে। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কলকাঠি নাড়ছেন,অন্যদিকে রাশিয়া,তুরস্ক,পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র প্রত্য-পরোভাবে কাতারের পে অবস্থান নিয়েছে। সবমিলেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি নিয়ে বিশ্বে ফের নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে।এদিকে চরমপন্থার সঙ্গে কথিত যোগসাজশের যে অভিযোগ কাতারের বিরুদ্ধে উঠেছে, তা থেকে মুক্তি পেতে নিজস্ব পররাষ্ট্র নীতিকে বাদ দিয়ে বশ্যতা স্বীকার করা হবে না বলে দেশটি প্রতিজ্ঞা করেছে। কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি বলেছেন, সঙ্কট সমাধানে তিনি কূটনৈতিক সমাধান চান। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে যে সামরিক উপায়ে বর্তমান সঙ্কটের সমাধান করা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইসলামী চরমপন্থাকে সমর্থনের যে অভিযোগ দেশটির বিরুদ্ধে উঠেছে, কাতার তাও প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে, কাতারের গণমাধ্যম আল-জাজিরা বলেছে যে তাদের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা হয়েছে। এক টুইট বার্তায় নেটওয়ার্কটি জানায়, তাদের সব ধরণের ব্যবস্থা, ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সাইবার হামলার মুখে পড়েছে। চলমান সঙ্কটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আল-জাজিরা এবং গত মাসের শেষের দিকে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশে এটি নিষিদ্ধ করা হয়। আল-জাজিরা তাদের ওয়েব সাইটে জানায় তাদের কার্যক্রম চালু রয়েছে, তবে নানা উপায়ে হামলা জোরদার হচ্ছে। অন্যদিকে, কাতারে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন স্টেশন জানিয়েছে যে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা হওয়ার কারণে তারা তাদের ওয়েব সাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিচ্ছে। এদিকে, মিশর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে এমন একটি দাবী তদন্ত করে দেখতে অনুরোধ করেছে যাতে বলা হয়েছে যে রাজকীয় পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মুক্তির জন্য কাতার ১০০ কোটি ডলার মুক্তিপণ দিয়েছে। বলা হচ্ছে, ইরাকের দণিাঞ্চলে শিকার করার সময় তাদেরকে অপহরণ করা হয়। কাতারের সাথে সম্পর্কোচ্ছেদের ধারায় এখনও ব্যতিক্রম ওমান।

 

সউদি আরব এবং বেশ কয়েকটি দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও ভ্রমণ সম্পর্ক ছিন্ন করে।মধ্যপ্রাচ্যের আগামী রাজনীতি, সামাজিক জীবন ও সামরিক নীতি কেমন হবে সেটির উত্তর রয়েছে এ অস্ত্র-চুক্তির মধ্যেই। ইসলাম ধর্মের দুটি প্রধান পবিত্র স্থান সৌদি আরবে। তাদের তো মুসলিম বিশ্বের কাছে শ্রদ্ধার্হ হওয়ার কথা। অথচ সৌদি আরবকে প্রতিবেশি মুসলিম দেশগুলির আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য ও নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে অস্ত্র কিনতে হচ্ছে।সৌদি আরব সমাজের রাজনীতি পুরোটা ইরান ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে, অনেকটা ভারত ঘিরে পাকিস্তানের রাজনীতির মতো। মুসলিম বিশ্বের যে একমাত্র রাষ্ট্র সৌদি আরবের একক নেতৃ্ত্েবর জন্য হুমকি সেটি হল ইরান। ইরাককে আগেই শায়েস্তা করা হয়েছে।ইরাক যুদ্ধের জন্য আমরা কেবল পশ্চিমা দেশগুলিকে, বিশেষ করে আমেরিকাকে দায়ী করি। আমাদের উচিত ইরাক ধ্বংসের পিছনে সৌদি আরবের শক্তিশালী ভূমিকার সঙ্গে পরিচিত হওয়া। ইরাক যুদ্ধের বছর দুয়েক আগে তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সৌদি আরব কর্তৃক যুদ্ধের প্ররোচনা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। দুবছর পর টেক্সাসে বুশ পরিবারের খামারবাড়িতে যুক্তরাজ্যের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার কীভাবে বুশকে রাজি করালেন সেটির উত্তর জানা দরকার। সে সময়ে ব্লেয়ারের যুক্তরাজ্যে সৌদি আরবের বিশ্বস্ত বন্ধু ও মিত্র দেশ কাতারের হাজার হাজার বিলিয়ন পাউন্ডের বিনিয়োগটি সৌদি আরবের পে কী ভূমিকা রেখেছিল সেটিও বুঝতে হবে।আমরা কেবল বিশ্বাসগত কারণে বাস্তবায়নকারীদের দায় দিব আর সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দেব এই অনুশীলন থেকে বের হয়ে আসা উচিত।যাহোক, সাদ্দাম হোসেন ও মুয়াম্মার গাদ্দাফির স্বৈরশাসন শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবের আধিপত্যবাদী চেতনায় বেশ স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু সমস্যা হিসেবে এখন সামনে ইরান। বর্তমােেন এই দেশ ছাড়া সৌদি আরবের সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ নেই। মোটা দাগে তিনটি কারণে সৌদি আরবের কাছে ইরান বড় চ্যালেঞ্জ।

 

অপরদিকে শিা,বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিতে ইরান রণশীল সৌদি আরবের চেয়ে বহু এগিয়ে। দেশটি কেবল প্রাকৃতিক সম্পদে পূর্ণ নয়, নিজেদের মানবসম্পদও কাজে লাগিয়েছে।পশ্চিমা বিশ্বের বহু নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচুর সংখ্যক ইরানি অধ্যাপক ও গবেষক পাওয়া যাবে, যেখানে সৌদি আরবের কাউকে পাওয়া দুষ্কর। ইরানের চলচ্চিত্র যেখানে বিশ্বখ্যাত, সেখানে সৌদিরা মাত্র মাসখানেক আগে সিনেমা হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।তাছাড়া ইরানে ইসলামিক শাসনতন্ত্র থাকলেও নির্দিষ্ট সময় পরপর নির্বাচন হয়। জনগণ ভোট দেয়। একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে জনগণের চিন্তা-চেতনা লালন করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সম্ভাব্য ভয়ানক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচার জন্য সৌদি আরব এখন পরিবর্তনে আগ্রহী।দেশটির সামগ্রিক অর্থনীতি থেকে যদি তেল ও পর্যটনের অবদান বাদ দেওয়া হয়, তাদের অবস্থা সুদানের চেয়েও খারাপ হয়ে যাবে।তাছাড়া সৌদিদের তেল-নির্ভরশীলতা থেকে বিশ্বঅর্থনীতির ক্রমশ উঠে আসার ইঙ্গিতও তাদের ভাবাচ্ছে।ফলে অন্যান্য খাত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ছাড়া সৌদি রাজতন্ত্রের কাছে বিকল্প নেই। সেটি করতে গেলেই আগে রাষ্ট্রটির সামাজিক অনুষঙ্গে পরিবর্তন আনা আবশ্যক। রাজতন্ত্র ঠিক রেখে তেমন পরিবর্তন আনাও আবার ঝুঁকিপূর্ণ। এ েেত্র ইরানের গণতান্ত্রিক অনুশীলন সৌদি আরবের জনগণকে গণতন্ত্রের জন্য উৎসাহিত করতে পারে।অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া পশ্চিমা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলি ইরানের প্রতি ততটা নাখোশ নয়, কেবল জোটের স্বার্থেই ইরানকে এড়িয়ে চলছে। যেমন, ফ্রান্স ও ইতালি। ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তির পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রর কাছ থেকে পাওনা টাকার একটি অংশ দিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে এয়ারবাস ক্রয়ের বড়সড় চুক্তি করে। ইতালির সঙ্গেও নানান বাণিজ্যিক চুক্তি করেছে দেশটি।এমনকি আমেরিকাসহ অন্য অনেক দেশের সঙ্গে সঙ্গে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা সত্তে¡ও, বহু গণতান্ত্রিক দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।ভারতও এ বিষয়ে আমেরিকার অনুরোধ বারবার উপো করেছে।ভারত তার বার শতাংশ জ্বালানি ইরান থেকে ক্রয় করে থাকে।রাশিয়াও ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছিল।ফলে ইরানের প্রতি সৌদি আরবের আগ্রাসী ইচ্ছার প্রতিফলন বহুভাবেই বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

 

সৌদিরা হাল ছেড়ে দেয়নি।ইরান রাষ্ট্রটি শিয়াঅধ্যুষিত হওয়ার কারণে সৌদি আরবের রাজতন্ত্রের জন্য সুবিধাই হয়েছে। তারা নিজেদের মতা টিকিয়ে রাখতে ও আধিপত্য স্থায়ী করতে ইরানের সঙ্গে ধর্মীয় গোত্রভিত্তিক বিভাজনটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নীতি হিসেবে দশকের পর দশক ব্যবহার করে আসছে। শিয়াপ্রধান রাষ্ট্র ইরানের বিপে ধর্মীয় উন্মাদনা দিয়ে নিজের জনগণকে যত দিন ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারবে সুন্নিপ্রধান সৌদি আরব, রাজতন্ত্রের জন্য তা ততটাই নিরাপদ।সঙ্গত কারণেই বাকি বিশ্ব থেকে ইরানকে আলাদা করার জন্য সৌদি আরব এহেন কোনো নীতি নেই যা গ্রহণ করেনি। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের সঙ্গে চুক্তি করার সপ্তাহ দুয়েক পরেই সৌদি আরব রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র-চুক্তি করে। ওই চুক্তি আমেরিকার রাজনৈতিক সমাজকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল। ইরানের প্রতি ওবামা প্রশাসনের নরম-নীতিতে সৌদি প্রশাসন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল তখন। এমনকি প্রয়োজনে আমেরিকার পুঁজিবাজার থেকে সৌদি আরবের প্রায় ল বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল।বহু চেষ্টা করেও সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সিরিয়ার মাটিতে মার্কিন সেনাদের বুট নামাতে পারেনি সৌদিরা। ওবামা প্রশাসন মিশরের উগ্র সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান মুহাম্মদ মুরসী এবং লিবিয়ার স্বৈরশাসক মুহাম্মদ গাদ্দাফিকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে সমর্থন দেওয়া ছাড়া এমন কিছু করেনি যেটি সৌদি আরবের পে যায়।ওদিকে, আইএসকে প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে ফলপ্রসূভাবে ব্যবহার করা যায়নি। বরং সেটি সৌদি আরব ও তার মিত্রগুলির জন্য ব্যাকল্যাস হয়ে দেখা দিয়েছিল। সৌদিরা বিশ্বাস করে, পশ্চিমা বিশ্ব যদি সিরিয়ায় সামরিক বুট পাঠিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আসাদকে সরিয়ে দিত পারত তাহলে আইএস সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ত না।এ অবস্থায় সৌদিরা হোয়াইট হাউজে একজন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের জন্য অপো করছিল। ট্রাম্পের প্রতি মুসলিম বিশ্বের মনোভাব ধনাত্মক কিংবা ঋণাত্মক যাই হোক, সৌদি শাসকদের আস্থা রয়েছে তাঁর প্রতি।

 

ট্রাম্পের বিদেশনীতি নিয়ে নিজ দেশে তাঁর কট্টর বিরোধী শিবির সরব। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের হাজার বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ট্রাম্পকে কেবল স্বস্তি এনে দিচ্ছে না, সেটি বরং বিদেশনীতিতে তাঁর প্রশাসনের বড় ধরনের সমতার উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।এ সুযোগে সৌদি আরবও মধ্যপ্রাচ্যে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনকে কাছে লাগানোর চেষ্টা করবে, এটাই স্বাভাবিক।হঠাৎ করেই কি সৌদি আরব কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল? সঙ্গে নিল সংযুক্ত আরব আমিরাত,বাহরাইন, ইয়েমেন, মিশর এবং মালদ্বীপকে? কাতারের বিরুদ্ধে তারা যে অভিযোগ এনে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে তা হল, সন্ত্রাসবাদে সমর্থনদান। বিশেষ করে ইয়েমেনে হুতিদের এবং মিশরের উগ্র সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি সামনে আনা হয়।বিশ্ব-সন্ত্রাসবাদে কাতারের একটি কৌশলী ভূমিকা রয়েছে, এতে সন্দেহ নেই। যেমনটি রয়েছে অভিযোগকারী সৌদি আরবের বিরুদ্ধেও। বরং কাতারের মতো ছোট দেশগুলি সৌদি আরবের ইচ্ছার কারণেই সন্ত্রাসবাদে মদদ দিয়েছিল। পশ্চিমা বিশ্বে বিনিয়োগের পাশাপাশি উগ্রবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ কাতারের বিরুদ্ধে অনেক পুরাতন। যুক্তরাজ্যে কাতারের বড় ধরনের বিনিয়োগ থাকলেও উগ্রবাদ প্রসারের শঙ্কায় ফ্রান্স কাতারের বিশাল বিনিয়োগ ফিরিয়ে দেয়।কেবল সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের কারণে একসময়ের নিজের সতীর্থকে তখন সৌদি আরব ছেড়ে দেয়নি। এখন ছেড়ে দেওয়ার পিছনেও রয়েছে আধিপত্যের লড়াই। সবচেয়ে বড় সামুদ্রিক তেলের খনিটিতে কাতার ও ইরান অংশীদার। কৌশলগত বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমশ ইরান ও কাতারকে কাছে নিয়ে আসছে।বিশেষ করে ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার পর কাতার ও ইরানের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হচ্ছে। কাতার সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এখন ইরানের রিপাবলিকান গার্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা-সাাৎ করছেন।

 

অন্যদিকে কাতারভিত্তিক বিশ্বখ্যাত আল-জাজিরা সংবাদ মাধ্যমকেও সৌদি আরব হুমকি হিসেবে দেখছে।তাছাড়া কাতার এখন বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির অফিস রয়েছে সেখানে। উন্নত বিশ্বের বহু দেশে দেশটির রয়েছে হাজার হাজার ডলারের বিনিয়োগ।ওদিকে সৌদি আরবও নিজের অর্থনীতি সচল রাখার জন্য একটি বাণিজ্যিক নগরী গড়ে তোলার পদপে নিয়েছে।কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার ছেড়ে সৌদি আরবের পরিকল্পিত বাণিজ্যিক পরিবেশে কোম্পানিগুলির যাবার সম্ভাবনা কম। দেশটির রণশীল সামাজিক চরিত্রের কারণেই এটি আরও অসম্ভব।অধিকন্তু, কাতার ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে।এটি তাদের মতো ছোট একটি দেশের জন্য বিশাল গর্বের বিষয়।ফুটবল বিশ্বকাপ উৎসব দেশটির অর্থনীতি ও সামগ্রিক অবস্থান আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে।বোঝা যাচ্ছে, ট্রাম্পের জমানায় মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি নতুন এক সমীকরণে প্রবেশ করতে চলেছে। বহু দশক ধরে চলে আসা মার্কিনিদের মধ্যপ্রাচ্য নীতিটির পরিবর্তন লণীয়। ট্রাম্প আমেরিকার আগেকার রাষ্ট্রপ্রধানদের মতো মধ্যপ্রাচ্য নীতি চালিয়ে নিতে ইচ্ছুক নন। কোনো রাষ্ট্র যদি আমেরিকার সুপার পাওয়ার ব্যবহার করতে চায়, সে েেত্র সেই রাষ্ট্রকে সঠিক অর্থনৈতিক মূল্য দিয়েই তা কিনতে হবে।কেবল বন্ধুত্ব কিংবা বন্ধুকে টিকিয়ে রাখার মূল্যে নৈতিক দায় নিতে ট্রাম্পের আমেরিকা প্রস্তুত নয়।

রায়হান আহমেদ

কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য3 weeks ago

বিতর্কিত জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের কিছু দুর্লভ ছবি

ঢালিউড1 week ago

বাংলা সিনেমার সর্বকালের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে ঢাকা অ্যাটাক

জান্নাতুল নাঈম
অন্যান্য3 weeks ago

জান্নাতুল নাঈমকে মেয়ে বলে এখন স্বীকার করেন না তার বাবা

যে চার ধরনের মিলন ইসলামে নিষিদ্ধ
রূপালী আলো2 weeks ago

যে চার ধরনের মিলন ইসলামে নিষিদ্ধ

অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড3 weeks ago

কার্ডে জয়ের বাবা হিসেবে শাকিবের নাম ও নাম্বার দেওয়া হয়েছে : অপু বিশ্বাস

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল ও শবনম ফারিয়া। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে নিয়ে যে কথা বলে আলোচনায় শবনম ফারিয়া

সুহানা খান
বলিউড2 weeks ago

শাহরুখ কন্যা সুহানার বিকিনি ছবি ভাইরাল

ছবিটিতে লুকিয়ে আছেন একজন নগ্ন মডেল
রকমারি3 weeks ago

ছবিটিতে লুকিয়ে আছেন একজন নগ্ন মডেল

অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড3 weeks ago

ছবিঘরে দেখুন অপুপুত্র আব্রামের প্রথম জন্মদিনের পার্টি

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

পুরুষের সুন্দরী লাগে, তাই আমেনারা ‘এভ্রিল’ হয়

Advertisement

বিনোদনের সর্বশেষ খবর

আরো দুটি ছবিতে মুন্না আরো দুটি ছবিতে মুন্না
ঢালিউড12 hours ago

আরো দুটি ছবিতে মুন্না

মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মুন্না চলচ্চিত্রের প্রতি ভালোবাসা থেকে নির্মান করেছেন ছবি। “ধূসর কুয়াশা” নামে তার প্রথম ছবি এতে তিনি গল্প ভাবনার...

নতুন পরিচয়ে প্লাবন কোরেশী নতুন পরিচয়ে প্লাবন কোরেশী
অন্যান্য12 hours ago

নতুন পরিচয়ে প্লাবন কোরেশী

সবাই তাকে একজন গীতিকবি ও সুরকার হিসেবেই চেনেন। গান লিখছেন প্রায় দুইযুগেরও বেশি সময় ধরে। তার লেখা গানে কণ্ঠ দিয়ে...

সোহানা সাবা। ছবি : সংগৃহীত সোহানা সাবা। ছবি : সংগৃহীত
টলিউড5 days ago

হতাশাগ্রস্ত মানুষের পাশে সোহানা সাবা

হতাশাগ্রস্ত মানুষদের জন্যও কাজ করছেন তিনি। মানুষ হতাশ হলে নানা রকম অপরাধে জড়িয় বলে মনে করেন সোহানা সাবা। এজন্যই প্রতি...

অনন্ত জলিল অনন্ত জলিল
ঢালিউড1 week ago

‘ব্লু হোয়েল’ গেমে সচেতন হতে বললেন অনন্ত জলিল

ব্লু হোয়েল গেমসের ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন হতে বললেন চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল। তিনি বলেন, ‘এই গেমসের কারণে...

বলিউড1 week ago

চেহারা বদলাচ্ছেন সানি লিওন

বলিউডের রূপালি পর্দার আইটেম গার্ল হিসেবেই পরিচিত বলিউড তারকা সানি লিওন। বলিউড ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই পরিশ্রম আর মেধার গুণে একটু...

অন্যান্য1 week ago

মিস ওয়ার্ল্ডের ওয়েবসাইটে জেসিয়া

জেসিয়া ইসলাম এখন পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারেন। ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ১১৭টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে রয়েছে তাঁর ছবি।...

অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড1 week ago

মা অপু বিশ্বাসের সঙ্গে প্রথম শুটিং দেখল শাকিবপুত্র জয়

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সম্প্রতি আবদুল মান্নান পরিচালিত ‘পাংকু জামাই’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন তিনি। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ও...

ঢাকা অ্যাটাক ঢাকা অ্যাটাক
ঢালিউড1 week ago

যে কারণে ‘হেয়ার স্টাইল’ নিয়ে ক্ষমা চাইলেন শুভ

দীপংকর দীপন পরিচালিত ‘ঢাকা অ্যাটাক’ নিয়ে এখন সরগরম সিনেমা হল। ছবিটিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হচ্ছেন আরিফিন শুভ। তবে ছবিটিতে তার...

সর্বাধিক পঠিত