Connect with us

গল্প

ফিরে এসো || পপি চৌধুরী

Published

on

বুকের ভেতর একটা চাপা কষ্টের অনুভূতি নিয়ে ঘুম ভেঙ্গে যায় লায়লার। আজও আবার ঐ মানুষটাকে স্বপ্নে দেখেছে সে। যাকে চিরদিনের মতো মুছে ফেলে দিয়েছে জীবন থেকে, স্মৃতির পাতা থেকে- সেই মানুষটিকেই ইদানীং কেন যে ঘন ঘন স্বপ্নে দেখছে ভেবে পায় না লায়লা।

‘বিধাতা তোমার এ কেমন পরিহাস! যাকে আমি সমস্ত মনপ্রাণ দিয়ে ভুলে থাকতে চাই তাকেই তুমি বার বার স্বপ্নে এনে আমার হৃদয়টাকে ত বিত করে দাও! কেন তুমি ঐ অমানুষটাকে আমায় স্বপ্নে দেখাও, কী তোমার অভিলাষ!’ -মনে মনে আওড়ায় লায়লা। হাতড়ে মাথার কাছের বেড সুইচ টিপে বাতি জ্বালে। বিছানা থেকে নেমে বেডসাইড টেবিলে রাখা গ্লাস থেকে ঢক ঢক করে পানি পান করে। ফ্যানের স্পীড বাড়িয়ে দেয়। সুইচ অফ করে পুনরায় ঘুমোবার চেষ্টা করে।

ঘুম কী আর আসে? ভিতরে ভিতরে কেমন অস্থিরতা অনুভব করে। বার বার পুরনো দিনের স্মৃতিগুলি মনের জানালায় ভীড় জমায়। কত আনন্দময় ছিল শৈশব, কৈশোর আর ইউনিভার্সিটির সেই দিনগুলি। এখনও চোখের সামনে ভাসে। পড়াশুনা, নাচ-গান, অভিনয়ে কী তুখোড়ই না ছিল সে। কত ছেলে পেছনে ঘুর ঘুর করেছে। কাউকেই পাত্তা দেয়নি, কাউকেই মনে ধরেনি তার। ভেবেছে, এখনও প্রেম-ভালোবাসার সময় হয়নি। অথচ জীবনে সে মধুর সময় আসার আগেই হঠাৎ করে একদিন বাবা বিয়ে ঠিক করে ফেললেন।

‘পড়াশুনা শেষ না করে কিছুতেই বিয়ে করবো না’- বলে বেঁকে বসল সে। বাবাও নাছোড়বান্দা। পাত্র ইঞ্জিনিয়ার। ইতালি থাকে। বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে। -এমন পাত্র কী হাতছাড়া করা যায়? অগত্য বাবা-মায়ের ইচ্ছের কাছে নিজের স্বপ্ন-সাধ সব জলাঞ্জলি দিয়ে একদিন বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হলো। বিয়েতে অমত থাকলেও বিয়ের পর নিজেকে খুব সুখী মনে হতে লাগলো তার। মধ্যবিত্ত পরিবারে মানুষ হওয়া লায়লা প্রাচুর্যের মাঝে ডুবে গিয়ে অল্পদিনেই ভুলে গেল পড়াশুনা শেষ করতে না পারার কষ্ট। বিয়ের পনেরো দিনের মাথায় জুবায়ের ফিরে গেল ইতালি। বলে গেল, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সে লায়লাকে নিজের কাছে নিয়ে যাবে।

লায়লা দিনরাত স্বপ্ন বোনে- মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি সাধারণ মেয়ে ইউরোপীয়ান কান্ট্রিতে গিয়ে জুবায়েরের সংসারের রাণী হওয়ার স্বপ্ন বোনে। কবে স্বামীর কাছে যাবে, কবে নিজের মত করে সংসার সাজাবে, সেই স্বপ্নে বিভোর থাকে সারাণ। কথা রাখে জুবায়ের, তিনমাসের মাথায় না হলেও এক বছরের মাথায় ইতালি নিয়ে যায় লায়লাকে।
***

ইতালীতে পা দিয়ে লায়লা বুঝতে পারে, বাংলাদেশে দেখা জুবায়ের আর এই জুবায়েরের মাঝে অনেক তফাৎ। প্রতিদিন সকাল বেলা কাজে বের হয়ে যায় জুবায়ের। ফেরে মাঝরাতে, মদের নেশায় টলতে টলতে। একটুতেই রেগে ওঠে, সামান্য ব্যাপারে গায়ে হাত তোলে। কিছুদিনের মধ্যে পাশের রুমে এনে তোলে এক বাঙালি বান্ধবীকে। রাত কাটায় তাকে নিয়ে, প্রতিবাদ করলে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল আর মারধোর। স্বপ্ন ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায়। প্রতিনিয়ত জুবায়েরের অপমানে নিজেকে খুব ছোট মনেহয় তার। সোনার খাঁচায় বন্দী লায়লার দম বন্ধ আসে। মুক্তির আকুলতায় প্রাণ ছটফট করে।

দূর সম্পর্কের এক মামা ছিলেন ইতালিতে। অনেক কষ্টে খুঁজে বের করে তাকে। খুলে বলে সব ঘটনা। সব স্বপ্ন পিছনে ফেলে মামার সহায়তায় একদিন ফিরে আসে বাংলাদেশে। মেয়ের পরিণতি দেখে অনুশোচনায় দেড় মাসের মাথায় পরপারে পাড়ি জমান বাবা।

আরো দুটি বোন তখনও অবিবাহিত। বড় ভাই লেখাপড়া শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছে আর ছোট ভাইটি কলেজে পড়ছে। বাবার অবর্তমানে এতবড় সংসার নিয়ে মা চোখে অন্ধকার দেখেন। এদিকে লায়লাও নিজের ভিতর আর একজনের অস্তিত্ব টের পেতে থাকে। আত্মীয় স্বজন সবাই পরামর্শ দেয়, যে আসছে তাকে নষ্ট করে ফেলতে। কিছুতেই লায়লার মন সায় দেয় না। অবশেষে একদিন মফস্বলের গার্লস স্কুলে শিকতার চাকরি নিয়ে চলে আসে এখানে। তারপরের ইতিহাস- তার সংগ্রামের ইতিহাস, যুদ্ধজয়ের ইতিহাস, তার নিঃসঙ্গতা আর একাকীত্বের ইতিহাস!

***
: খালাম্মা, আপনের আপনজন কেউ নাই?

ড্রইংরুমের ফার্নিচার মুছতে মুছতে হঠাৎ প্রশ্ন করে জরিনা।

পত্রিকা পড়তে পড়তে জরিনার প্রশ্নটা কানে যায় লায়লার। চশমার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে অপ্রস্তুত কন্ঠে বলে; থাকবে না কেন। দু’দুটো ভাই আছে, দু’বোন আছে, মেয়ে আছে, জামাই আছে, নাতি আছে- সবাই আছে আমার।

: তাইলে তারা আপনেরে দ্যাখতে আহে না ক্যান?

: কে বলল আসে না। সময় পেলেই আসে।

: আট মাস হইতাছে আমি আপনের বাসায় কাম করতাছি, কই এর মইধ্যে তো কেউরেই আসতে দ্যাখলাম না। খালি আপনের মাইয়া মাঝে মাঝে বিদাশ থাইকা ফোন করে। আর কেউ তো ফোনও করে না।

জরিনার বাচালতায় বিব্রতবোধ করে লায়লা। বিরক্ত কন্ঠে বলে,

: ওরা কী সব সময় আসতে পারে? ওদের কাজকর্ম আছে না। বড় ভাই চাকরি থেকে রিটায়ার করে শেয়ারের কারবার নিয়ে ব্যস্ত। ছোট ভাই তো আরো ব্যস্ত, সে ব্যবসা করে। দু’বোনের বিয়ে হয়েছে। একজন বরিশাল থাকে, আর একজন রাজশাহী। সংসার ধর্ম নিয়ে তারাও ব্যস্ত, রোজ রোজ কী আসতে পারে? Ñতুই বড্ড বেশি কথা বলিস। কথা না বলে তাড়াতাড়ি ঝাড়ামোছা শেষ করে কাপড় ধুতে যা।

: ভুল হইয়া গ্যাছে, মাফ কইরা দ্যান, কুনসোম আর বেশি কথা বলুম না।

এমন সময় সদর দরজার কলিং বেল বেজে ওঠে।

জরিনা ছুটে যায় দরজা খুলতে। একটু পরে ফিরে এসে বলে,

: আপনে নাকি নীচতালার খালাম্মাগো লগে কোরবানীর ভাগে থাকতে চাইছেলেন। অহন থাকবেন নাকি, তাই জানতে খালাম্মা লোক পাডাইছে।

: হ্যাঁ থাকবো। কতদিন পরে আমার মেয়ে-জামাই আসছে, নাতিটা আসছে। মেয়ে অবশ্য বলেছে, দেশে এসে নিজেরাই দেখেশুনে গরু কিনবে। সে ওরা যা করে করবে, আমার কাজ তো আমায় করতে হবে। তুই বলে দে, আমার জন্য যেন অবশ্যই এক ভাগ রাখে। আর বলে দিস, গরু কিনতে যাওয়ার দিন আমার কাছ থেকে যেন টাকাটা নিয়ে যায়।

মাথা কাত করে সম্মতি জানিয়ে জরিনা চলে যায়। লায়লা পুনরায় পেপারে মনোনিবেশ করতে চেষ্টা করে। কিছুতেই আর মন বসাতে পারে না। একটু পূর্বে ধমক দিয়ে জরিনার কথা থামালেও জরিনার প্রশ্নগুলি আনমনা করে দেয় তাকে। সত্যিই তো, কতদিন ওদেরকে দেখে না সে! একটিবার কেউ তার খোঁজ নেয়ারও প্রয়োজন বোধ করে না। সবাই যার যার সংসার নিয়ে ব্যস্ত। পৃথিবীটা এমন কেন! একই মায়ের পেটের ভাইবোন সবাই- একসঙ্গেই হেসেখেলে বড় হয়েছে। একটিবারও কী তাদের মনে পড়ে না নিঃসঙ্গ এই বোনটির কথা!

***

পড়ন্ত বিকেল। আসন্ন সন্ধ্যার ছোপ ছোপ অন্ধকার চারিদিকে। গ্রামে বলে ‘কালী সন্ধ্যা।’ এমন সময় কেউ শুয়ে থাকে না। এমনকি অতি মুমুর্ষ যে তাকেও কেউ না কেউ ধরে বসিয়ে দেয় বিছানায়। কিন্তু শুয়ে আছে লায়লা। প্রায়ান্ধকার ঘরে একা চুপচাপ শুয়ে আছে। মনটা তার ভালো নেই। কতদিন মেয়েটাকে দেখে না। বিয়ের পর স্বামীসহ সেই যে অস্ট্রেলিয়া চলে গেল তা প্রায় সাত বছর হতে চলল। ওখানেই নাতিটার জন্ম। ছবিতেই দেখে কেবল। মাঝে মাঝে মেয়ে যখন ফোন করে তখন নাতিটা অর্ধেক বাংলা, অর্ধেক ইংরেজি মিশিয়ে কথা বলে। ওর কথাগুলো যেন মধুবর্ষণ কানে। ওকে একবার দেখার জন্য মনটা ছটফট করে।

মেয়ে বলেছিল, এবার কোরবানীর ঈদে মাকে দেখতে আসবে। সেই আনন্দে ৬৫ বছরের লায়লা ৩৫ বছরের যুবতী হয়ে উঠেছিল। সারাণ ছুটোছুটি করে মেয়ে-জামাই-নাতির জন্য কত কী গুছিয়ে রেখেছিল। অথচ আজ সকালে মেয়ে ফোন করে জানিয়েছে- এবার ওরা আসতে পারবে না, কানাডার জলপ্রপাত দেখতে যাবে!

হঠাৎ দরজা খুলে কে যেন রুমে প্রবেশ করে। চোখ না খুলেও বেশ বুঝতে পারে লায়লা। এক সময় শুনতে পায় জরিনার কন্ঠ; -খালাম্মা, ক্যাডা য্যান আসছে, আপনেরে খুঁজতাছে।

: নাম কী বলেছে?

: ব্যাডায় নাম কয় না, খালি কয় আমি লায়লার সাথে দেহা করতে চাই, আপনে ওনারে ডাইক্যা দ্যান।

ধীরে ধীরে বিছানায় উঠে বসে লায়লা। চশমা হাতড়াতে থাকে। চশমা ছাড়া সবকিছুই কেমন যেন আবছা মনে হয়। জরিনা সুইচ টিপে ঘরের বাতি জ্বালে। এগিয়ে গিয়ে চশমাটা পরিয়ে দেয় লায়লার চোখে। বিছানা থেকে নেমে কান্ত পায়ে সদর দরজার দিকে এগিয়ে যায় লায়লা।

***
: কেমন আছো লায়লা?

চম্কে ওঠে লায়লা। কন্ঠটা কেমন যেন পরিচিত মনে হয়। দরজায় দাঁড়ানো আগন্তুকের দিকে তাকিয়ে চিনতে চেষ্টা করে। চেহারাটা খুব চেনা চেনা মনে হয় অথচ কিছুতেই মনে করতে পারে না কোথায় দেখেছে। কাঁপা কন্ঠে প্রশ্ন করে; কে?

: আমি… আমি জুবায়ের। ইতস্তত করে বলে আগন্তুক।

রাগে, দুঃখে, অপমানে কেঁপে ওঠে লায়লার দেহ। অনেকণ আর কোন কথা বলতে পারে না। এক সময় নিজেকে সামলে নিয়ে বলে,

: কেন এসেছো তুমি?

: আমায় মা করে দাও লায়লা। তুমি মা না করলে কিছুতেই শান্তি পাচ্ছি না আমি।

: মা!

বিদ্রুপের হাসি ফুটে ওঠে লায়লার ঠোঁটের কোণে। একটু থেমে বলে,

: আমি তো কখনও তোমার সুখের কোন অন্তরায় হই নি, তাহলে মা চাওয়ার প্রশ্ন আসছে কেন?

: লায়লা, আমি ভুল করেছি, মহা অন্যায় করেছি তোমার সাথে। যেদিন আমার ভুল বুঝতে পেরেছি তারপর থেকে তোমায় কত খুঁজেছি। আর ক’দিনইবা বাঁচবো। জীবনে নিজের কৃতকর্মের অনুশোচনায় একটি দিনের জন্যও তো শান্তি পেলাম না। আমায় মা করে শান্তিতে অন্তত মরতে দাও। প্লীজ, এই করুণাটুকু করো আমায়।

: না আমি তোমায় মা করবো না। অনুশোচনায় ধুকে ধুকে মরবে তুমি, যেমন সারাটি জীবন ধরে ধুকে ধুকে তোমার অপরাধের খেসারত দিতে হচ্ছে আমাকে।

: লায়লা প্লীজ…

: আর একটি কথা না বলে এই মুহূর্তে এখান থেকে চলে যাও তুমি। -কঠিন কন্ঠে বলে লায়লা।

হতাশায় জুবায়েরের দেহটা সামনের দিকে যেন আরো নুয়ে পড়ে। বিমর্ষ কন্ঠে বলে,

: যতদূর জানি, তুমি আমার ওখান থেকে চলে আসার সময় প্রেগন্যান্ট ছিলে। আমার সে সন্তান…

চকিতে লায়লার দৃষ্টি চলে যায় দেয়ালে টানানো পিংকির ছবিটার দিকে। ভীত কন্ঠে বলে,

: না, তোমার সে সন্তানকে আমি পৃথিবীতে আসতে দেই নি। তোমার মত একটা অমানুষের সন্তানকে কেন আমি পৃথিবীর আলো দেখাবো, বলো?

: ও…!

হাহাকারের মত একটা শব্দ বের হয়ে আসে জুবায়েরের বুক চিরে।

: আচ্ছা চলি! বলে ঘুরে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যায় জুবায়ের। অবসন্ন পায়ে একটা একটা করে সিঁড়ি ভেঙ্গে নীচে নামতে থাকে।

লায়লার বুকের মাঝে নিঃসঙ্গতার হাহাকার বেজে ওঠে। এই মুহূর্তে নিজেকে তার বড় একা মনে হয়। অসহায় জুবায়েরের কান্ত পদেেপর প্রতি তাকিয়ে হঠাৎ বলে ওঠে; -শোন।

সিঁড়ি ভাঙ্গা থামিয়ে ঘুরে তাকায় জুবায়ের। ইতস্তত কন্ঠে লায়লা বলে,

: না মানে… বলছিলাম কী, এই ভর সন্ধ্যাবেলা যাবে! কত দূর থেকে এসেছো, আজকের রাতটা না হয় এখানে থেকেই যাও।

বিস্মিত দৃষ্টিতে জুবায়ের তাকিয়ে দেখে, স্বর্গের দুয়ারে দাঁড়িয়ে পরম মমতায় আহবান জানাচ্ছে এক পূত পবিত্র মানবী। এ আহবানের প্রতীায়ই তো সে ছুটে এসেছে হাজার হাজার মাইল দূর হতে।

 

পপি চৌধুরী

পপি চৌধুরী

Advertisement 1445168798
Comments
জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

বিতর্কিত জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের কিছু দুর্লভ ছবি

ঢালিউড1 week ago

বাংলা সিনেমার সর্বকালের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে ঢাকা অ্যাটাক

জান্নাতুল নাঈম
অন্যান্য2 weeks ago

জান্নাতুল নাঈমকে মেয়ে বলে এখন স্বীকার করেন না তার বাবা

যে চার ধরনের মিলন ইসলামে নিষিদ্ধ
রূপালী আলো2 weeks ago

যে চার ধরনের মিলন ইসলামে নিষিদ্ধ

অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড2 weeks ago

কার্ডে জয়ের বাবা হিসেবে শাকিবের নাম ও নাম্বার দেওয়া হয়েছে : অপু বিশ্বাস

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল ও শবনম ফারিয়া। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে নিয়ে যে কথা বলে আলোচনায় শবনম ফারিয়া

সুহানা খান
বলিউড2 weeks ago

শাহরুখ কন্যা সুহানার বিকিনি ছবি ভাইরাল

ছবিটিতে লুকিয়ে আছেন একজন নগ্ন মডেল
রকমারি2 weeks ago

ছবিটিতে লুকিয়ে আছেন একজন নগ্ন মডেল

অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড2 weeks ago

ছবিঘরে দেখুন অপুপুত্র আব্রামের প্রথম জন্মদিনের পার্টি

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

পুরুষের সুন্দরী লাগে, তাই আমেনারা ‘এভ্রিল’ হয়

Advertisement

বিনোদনের সর্বশেষ খবর

সোহানা সাবা। ছবি : সংগৃহীত সোহানা সাবা। ছবি : সংগৃহীত
টলিউড3 days ago

হতাশাগ্রস্ত মানুষের পাশে সোহানা সাবা

হতাশাগ্রস্ত মানুষদের জন্যও কাজ করছেন তিনি। মানুষ হতাশ হলে নানা রকম অপরাধে জড়িয় বলে মনে করেন সোহানা সাবা। এজন্যই প্রতি...

অনন্ত জলিল অনন্ত জলিল
ঢালিউড7 days ago

‘ব্লু হোয়েল’ গেমে সচেতন হতে বললেন অনন্ত জলিল

ব্লু হোয়েল গেমসের ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন হতে বললেন চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল। তিনি বলেন, ‘এই গেমসের কারণে...

বলিউড7 days ago

চেহারা বদলাচ্ছেন সানি লিওন

বলিউডের রূপালি পর্দার আইটেম গার্ল হিসেবেই পরিচিত বলিউড তারকা সানি লিওন। বলিউড ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই পরিশ্রম আর মেধার গুণে একটু...

অন্যান্য7 days ago

মিস ওয়ার্ল্ডের ওয়েবসাইটে জেসিয়া

জেসিয়া ইসলাম এখন পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারেন। ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ১১৭টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে রয়েছে তাঁর ছবি।...

অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত অপু বিশ্বাস ও আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড7 days ago

মা অপু বিশ্বাসের সঙ্গে প্রথম শুটিং দেখল শাকিবপুত্র জয়

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সম্প্রতি আবদুল মান্নান পরিচালিত ‘পাংকু জামাই’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন তিনি। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ও...

ঢাকা অ্যাটাক ঢাকা অ্যাটাক
ঢালিউড7 days ago

যে কারণে ‘হেয়ার স্টাইল’ নিয়ে ক্ষমা চাইলেন শুভ

দীপংকর দীপন পরিচালিত ‘ঢাকা অ্যাটাক’ নিয়ে এখন সরগরম সিনেমা হল। ছবিটিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হচ্ছেন আরিফিন শুভ। তবে ছবিটিতে তার...

চিত্রনায়িকা শাবনূর। ছবি : সংগৃহীত চিত্রনায়িকা শাবনূর। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড7 days ago

চিকুনগুনিয়া রোগে আক্রান্ত চিত্রনায়িকা শাবনূর

চিকুনগুনিয়া রোগে ভুগছেন অভিনেত্রী শাবনূর। তাও প্রায় এক সপ্তাহ ধরে। পুরো শরীরে ব্যথা অনুভব করছেন। বিছানা থেকে উঠতে পারছেন না...

শবনম বুবলী শবনম বুবলী
ঢালিউড7 days ago

মেকআপ রুমে কথা হয় বুবলী সঙ্গে

শবনম বুবলী বর্তমানে ব্যস্ত ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা’ ছবির কাজ নিযে। গত ৬ অক্টোবর থেকে এফডিসিতে এই ছবির শুটিং শুরু...

সর্বাধিক পঠিত