fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

তথ্য-প্রযুক্তির যুগান্তকারী সম্ভাবনায় বিশ্বায়ন | রায়হান আহমেদ

Published

on

তথ্য-প্রযুক্তির যুগান্তকারী সম্ভাবনায় বিশ্বায়ন | রায়হান আহমেদ

বর্তমান বিশ্ববাস্তবতায় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত বিভিন্ন সমাজ ও সমপ্রদায়ের ইচ্ছা বা অনিচ্ছা যা-ই থাকুক না কেন, নয়া আন্তর্জাতিক তথ্য শৃঙ্খলে সে প্রবেশ করতে বাধ্য হচ্ছে। তবে একথা উলে­খ্য যে, তাদের অংশগ্রহণের ধরন সুনির্দিষ্ট সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থা দ্বারা সংজ্ঞায়িত। বৈশ্বিক এবং স্থানিক সীমার মধ্যে পরিব্যপ্ত বহুমাত্রিক জটিল এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে একটি যোগাযোগ প্রপঞ্চ হিসাবে কেবল মাত্র আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগের প্রোপটই পরিবর্তন করে না বরং এর বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও সমভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।ফ্রাইডম্যানের উলি­খিত বক্তব্য বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় ক্রিয়াশীল সাংস্কৃতিক ও প্রাযুক্তিক শক্তিসমূহের গভীর গুরুত্বকেই নির্দেশ করে যা সমকালীন বিশ্বকে নতুনভাবে আমাদের সামনে চিত্রায়িত করছে। প্রকৃতপে সমকালীন গণমাধ্যম এবং বিশ্বায়নের তাত্ত্বিকদের মধ্যে ফ্রাইডম্যানই অন্যতম যিনি বিশ্বায়ন ও তথ্যায়ন।এই দুটি ধারণার শক্তির উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন যা ইতিমধ্যে শিল্পায়ন, রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং সম্ভবত সামাজিক শৃঙ্খলের অন্তর্নিহিত রীতি-নীতিকেও পুনঃসংজ্ঞায়িত করেছে।কিন্তু সহজাতভাবে প্রশ্ন জাগে, মানবীয় জীবনের উপর সুগভীর প্রভাব রাখতে সম এমন শক্তিসমূহ প্রকৃত অর্থে কী ? তথ্য-প্রযুক্তির যুগান্তকারী সম্ভাবনা এবং বিশ্বায়ন ইতিমধ্যে শিল্প-কারখানা বিশেষ করে আর্থিক বাজারের উপর গভীর প্রভাব ফেলতে সম হয়েছে। আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগের উপর এই শক্তিসমূহের প্রভাব কতখানি সেটা বর্তমান প্রোপটে আলোচনার দাবী রাখে। এছাড়া আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগীয় তত্ত্বসমূহ কীভাবে আমাদের এই শক্তিসমূহকে চিহ্নিত করতে ও বুঝতে সাহায্য করে সেটাও বর্তমান প্রোপটে বিবেচনার দাবী রাখে। বিশ্বায়ন ও তথ্যায়নের এ যুগে আবির্ভূত নয়া ইস্যুগুলোর সাথে ট্র্যাডিশনাল আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগের ধারণা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সেটাও আলোচনা করা প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

বিশ্বায়নকে এ যাবৎ বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং প্রায় সব ক্ষেত্রেই যে কথাটা উঠে এসেছে তা হলো:বিশ্বায়ন এমন একটি ধারণা যা রাজনৈতিক বন্ধন, অর্থনৈতিক সর্ম্পক এমনকি কম্পিউটার নেটওয়র্র্কিং এর সাথে গভীরভাবে আন্তঃসম্পর্কিত। প্রাথমিকভাবে বিশ্বায়ন ধারণা বলতে আমরা যা বুঝি তা হলো, বিশ্বায়ন এমন এক প্রক্রিয়া যার ফলে বিভিন্ন আর্থিক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট এলাকাকে অধিক গুরুত্ব না দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।বিশ্বায়নের ফলে বাজার, জাতি-রাষ্ট্র এমনকি প্রযুক্তির প্রসার এমন ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে যা ইতিপূর্বে কখনোই পরিলতি হয় নি।বিশ্বায়নকে মূলত অর্থনৈতিক টার্ম দিয়ে বিবেচনা করেছেন এবং তিনি বিশ্বায়নকে প্রাথমিকভাবে অর্থনীতির একটি বর্ধিত কাঠামো হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে, সুস্পষ্টভাবে অর্থনৈতিক কাঠামোর বিশ্বায়ন বলতে বোঝায় যেখানে স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃত্ব করে থাকে। ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসাবে আসতে পারে বিভিন্ন বহুজাতিক কর্পোরেশন, সরকারি, আঞ্চলিক অথবা আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ইত্যাদি।যদিও বিশ্বায়নকে অনেকেই অর্থনৈতিক প্রপঞ্চ হিসাবেই ব্যাখ্যা করেছেন কিন্তু বলা বাহুল্য ক্ষেত্রে এটি আরও বহু বিসতৃত হয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, প্রাযুক্তিক ইত্যাদি বিশ্বের উপর বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে। দেশীয় সীমানা পেরিয়ে পণ্য বিনিময় প্রথা শুরু হওয়ার পর থেকেই ধারণা, প্রথা, সাংস্কৃতিক আন্দোলন এমন কি হালে রাজনৈতিক আন্দোলনসহ ইত্যাদি কোনোভাবেই আর জাতীয় সীমানার মধ্যে আবদ্ধ থাকছে না।বাস্তব চিত্র হিসেবে বিশ্বায়ন হলো, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, বন্ধনসমূহ এবং নতুন ধাঁচের এক অর্থনৈতিক বাস্তবতা। আর অর্থ বিচারে বিশ্বায়ন হলো, ব্যাপক বাজারের সমপ্রসারণ, পুঁজি ও শিল্পের একত্রীকরণ।

বিশ্বায়িত এ যুগে যেখানে সংস্কৃতি প্রতিনিয়ত প্রবাহমান বা পরিবর্তনশীল সেখানে কেবল রাজনৈতিক চেতনা উদ্বুদ্ধ জাতি পরিচয় তার যৌক্তিকতা হারাচ্ছে। শুধু জাতি পরিচয়ের মধ্যে দিয়ে সংজ্ঞায়িত করলে সংস্কৃতিকে খুবই সংকীর্ণ আকারে ব্যাখ্যা করা হয়।মজার ব্যাপার হলো এ জাতীয় প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া সহজ নয়। কারণ এগুলো আমাদের উপর আরও কতগুলো মৌলিক প্রশ্ন চাপিয়ে দেয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, মিডিয়া নিজে কোনো অসাড় বা অক্রিয়াশীল সত্তা নয়। সাংস্কৃতিক ধারা, রীতি-নীতি মিডিয়ার আধেয়, প্রচার উপাদান, কাঠামো ইত্যাদি নির্ধারণ করে দেয়। যেমন, কাতার ভিত্তিক আলজাজিরা টেলিভিশন চ্যানেল এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সিএনএনের মধ্যে তুলনা করলেই আমরা দেখতে পাব কোনটা সংবাদ আর কোনটা সংবাদ নয় সে সম্পর্কে উভয়ের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য আছে। পার্থক্য আছে তাদের সংবাদ নির্বাচন এবং উপস্থাপন বৈচিত্রের মধ্যে। এবং লণীয়, উভয়ের সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক আদর্শও ভিন্ন।প্রাসঙ্গিকভাবেই আলোচনায় আসে সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্বায়ন এবং তথ্যায়নের ভূমিকা কতটুকু। তাত্ত্বিকদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন, বিশ্বায়ন মূলত কেন্দ্রমুখিভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বায়নের কেন্দ্র হলো পশ্চিম এবং পশ্চিমা ধারণাকে সমজাতীয়করণ করতেই বিশ্বায়ন ক্রিয়াশীল রয়েছে। ট্র্যাডিশনাল এবং বিবর্তনবাদী উভয় ঘরানার তাত্ত্বিকরাই মনে করেন সাংস্কৃতিক এবং জাতীয় সীমারেখার মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় সমকেন্দ্রীকরণ করার ক্ষেত্রে বিশ্বায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সামপ্রতিক উন্নত দেশগুলোতে নতুন ধরনের পুঁজিবাদের উত্থানকে প্রায়ই সার্বজনীনতা, জাতি, বর্ণ, স্বাধীনতা, নিরপেতা এবং মানবাধিকারের সার্বজনীন চেহারা হিসাবে সাধুবাদ দেয়া হয়ে থাকে।৮ আরেকটু এগিয়ে বললে, ভৌগলিক ও রাজনৈতিক সীমানা ছাপিয়ে একটা নতুন ধরনের সংস্কৃতির সৃষ্টি হচ্ছে যাকে আমরা পেশাদারিত্ব, প্রাযুক্তিক দতা এবং সামাজিক শ্রেণী দিয়ে সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারি।

প্রথমত, মানুষ সাধারণত নিজেকে কোনো সমপ্রদায় বা জাতির সদস্য মনে না করে ব্যক্তিক সংকীর্ণ পরিচয়ে উপস্থাপন করতে পছন্দ করে। সেটা হতে পারে নৃতাত্তি¡ক, ধর্মীয় কিংবা ভাবার্দশের প্রতি অনুরক্ত হয়ে। এ দৃষ্টিভঙ্গিতে বিবেচনা করলে দেখা যায়, আমরা যতই বৈশ্বিক হই না কেন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ততই আঞ্চলিক হয়ে থাকে। আমরা যদিও কোনো সুনির্দিষ্ট বিশ্বাস, জীবনধারা কিংবা সামাজিক ধারণা গ্রহণ করতে বাধ্য নই। কিন্তু সেই সাথে কোনো বিশ্বাস বা মূল্যবোধকে গ্রহণ করার জন্য কারো প থেকে আমাদের উপর কোনো চাপও থাকে না।দ্বিতীয়ত, ব্যাপক ধরনের তথ্য প্রবেশগম্যতার ফলে কোন ব্যক্তি আর তথ্যের জন্য তার নিজস্ব কম্যুনিটি কিংবা সমাজের উপর নির্ভর করে না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যোগাযোগ প্রযুক্তির অভূতপূর্ব বিকাশের ফলে এখন যে কেউ অনলাইনের মাধ্যমে অন্যান্য ধর্ম বা বিশ্বাস সম্পর্কে তথ্য গ্রহণ করতে পারে এবং চাইলে নিজস্ব ধর্ম বা কম্যুনিটির বাইরে গিয়ে অন্য বিশ্বাসে দীতি হতে পারে। এটা আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও ধর্মীয় বিশ্বাসের জন্য মারাত্মকভাবে হুমকি স্বরুপ। বলা বাহুল্য যোগাযোগ প্রযুক্তির এই বিপ্লব মানুষের সামনে চিন্তার স্বধীনতার দ্বার আরও বেশি করে উন্মুক্ত করেছে। খ্রিস্টান মিশনারিসমূহ ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসের পে প্রোপাগান্ডা চালানোর উদ্দেশ্যে ওয়েবসাইট খুলেছে।ইসলাম, বৌদ্ধ, হিন্দু ধর্মগুলোও নিজেদের ধর্মের পে প্রচারণা চালানোর জন্য ক্রমানয়ে ইন্টারনেট অভিমুখি হচ্ছে এবং এটা শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসে মানুষের সহজ প্রবেশাধিকারের জন্য নয় বরং মানুষকে দীতি করানোর জন্য। এর ইতিবাচক এবং নেতিবাচক উভয় ধারণাই বিদ্যমান। কেউ যদি খুব সহজেই গোত্রীয় সীমার বাইরে গিয়ে আলাদা মতাদর্শে নিজেকে সন্নিবেশিত করে নতুন আত্মপরিচয় তৈরি করতে পারে তাহলে সে কখনোই আর কোন বিষয়ে সমর্থনের জন্য কম্যুনিটির উপর নির্ভর করবে না। সাইবার প্রতিবেশি যখন স্থানীয় প্রতিবেশির মতোই বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠবে তখন উভয়ের মধ্যে আর দূরত্ব তেমন একটা থাকবে না।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি বৈশ্বিক মূল্যবোধ, প্রযুক্তি এবং যোগাযোগের সমকেন্দ্রিকতার সাথে সংশ্লিষ্ট। এটা হলো যোগাযোগ প্রযুক্তির সেই সামর্থ্য যা আন্তঃসাংস্কৃতিক মিথস্ক্রিয়াকে উৎসাহ যোগাতে এবং নয়া রাজনৈতিক, সামাজিক অথবা সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কার্যকারিতা উন্নয়নে প্রযুক্তির প্রতিশ্রুতিকে পরিপূর্ণ করে।নিশ্চিত ভাবেই এ কথা সত্যি যে, প্রাযুক্তিক প্রাচুর্য্যের কারণেই বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সদস্যদের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সহজাত প্রশ্ন জাগে প্রযুক্তির সাথে মিথস্ক্রিয়ার সময় মানুষ কি সেই বৈচিত্র্যকে খুঁজে বের করে অথবা প্রাথমিক পর্যায়েও কি ব্যবহারকারী সমবৈশিষ্ট্য সম্পন্ন সংস্কৃতির লোকদের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে? এেেত্র উদাহরণ হিসাবে জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব কফি আনানের একটি উদ্ধৃতি দিতে পারি। তিনি বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির শক্তিশালী গণতান্ত্রিক মতা আছে যা বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হবে। নয়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি থেকে প্রাপ্ত তথ্যের পরিমাণ ও গুণগত মান নাটকীয়ভাবে প্রতিদিন, প্রতিটি দেশে এমনকি বিশ্বের প্রতিটি কোণে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন নিয়ে আসছে। আর এর ফলে নাগরিকদের তথ্যে প্রবেশগম্যতার হারও অনেক বেড়েছে।তথ্যের অবাধ প্রবাহের ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকারগুলোর স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার মাত্রাও অনেক বেড়েছে। অধিকন্তু বার্তার আদান-প্রদান এক ধরনের যোগাযোগীয় দতা যা একজন ব্যক্তি, সংস্থা, শিল্প কিংবা কোনো একটি জাতি কতটা সফলভাবে জ্ঞানের উৎপাদন ও বণ্টন করতে পারবে তা নির্ধারণ করে দেয়। এবং এর উপরই নির্ভর করে অর্জিত সফলতা তারা কতখানি বিস্তৃত করতে পারবে বর্তমান বৈশ্বিক গণমাধ্যম ব্যবস্থায় যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক ইস্যূগুলোর সমন্বয় খুব সহজ নয় এবং এটা নিঃসন্দেহে প্রতিযোগিতা মূলক।সম্ভবত নতুন এই জ্ঞান সমাজ ট্র্যাডিশনাল জাতীয় বা সাংস্কৃতিক সীমানা পেরিয়ে নতুন নতুন জ্ঞান, দতা এবং ভুবনদৃষ্টির সমকেন্দ্রিকরণের মুখোমুখি হবে।

রায়হান আহমেদ
কলাম লেখক

মন্তব্য করুন
Advertisement
নায়লা নাঈম। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

শাকিব খানকে উৎসর্গ করে নায়লা নাঈমের শর্টফিল্ম

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য2 weeks ago

কাজের বিনিময়ে টাকা ইনকাম করাটাই আমার উদ্দেশ্য : সোনিয়া খান

শাকিব খান। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

শাকিব খান বিয়ে করতে যাচ্ছেন এ বছরের শেষের দিকে

ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ছবি : সংগৃহীত
সুরের মূর্ছনা6 days ago

আবারও বিয়ে করছেন ক্লোজআপ তারকা সালমা

মডেল রাজিয়া সুলতানা লিয়া। ছবি : প্রবীর
বিবিধ3 weeks ago

বিয়েতে যেসব আইন-কানুন নিয়ম-নীতি বেদাবেদ আছে বাংলাদেশে

অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য4 days ago

সব ওপরওয়ালার ইচ্ছা : অপু বিশ্বাস

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সঙ্গে একমাত্র পুত্র আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

আবারও এক হচ্ছেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস !

সাদিকা পারভিন পপি। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ3 weeks ago

চিত্রনায়িকা পপি অবশেষে বিয়ে করছেন 

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের নতুন ফ্ল্যাটে এরপর একে একে উপস্থিত হন নন্দিত নাট্যাভিনেত্রী রুমানা রশীদ ঈশিতা, চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, জনপ্রিয় অভিনেতা-নির্দেশক জাহিদ হাসান, জাজ’র কর্ণধার আব্দুল আজিজ, কোরিওগ্রাফার তানজিল ও তার স্ত্রী লামিয়া, উপস্থাপিকা ফারহানা নিশো, চিত্রনায়িকা পপি, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চিত্রনায়ক ইমন, বাপ্পী, কোরিওগ্রাফার সোহাগ, ফ্যাশন ডিজাইনার রামিমসহ অনেকে। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য1 week ago

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের ফ্ল্যাটে ঢালিউড তারকাদের মেলা

বাপ্পী চৌধুরী ও অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা2 days ago

অবশেষে মাফ চেয়ে পার পেলেন বাপ্পী চৌধুরী

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
সুরের মূর্ছনা11 hours ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
বলিউড13 hours ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
অন্যান্য14 hours ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো2 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো3 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো3 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো5 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো5 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
রূপালী আলো5 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
রূপালী আলো5 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বীরেন মুখার্জী
হেড অব মার্কেটিং : দীনবন্ধু রায়
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম