Connect with us

মতামত

কিউবা নীতি এবং আমেরিকার গণতন্ত্র | রায়হান আহমেদ

Published

on

কিউবা নীতি এবং আমেরিকার গণতন্ত্র | রায়হান আহমেদ

ট্রাম্প যত কথাই মুখে বলুন না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তিনি এক জটিল পরিস্থিতিতে নিমজ্জিত হয়ে আছেন।এইতো মাত্র কয়েক বছর আগেও আমরা উদাহরণ দিতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের গণতান্ত্রিক মানসিকতার কথা উলে­খ করতাম; নির্বাচন মেনে নিয়ে সরকারকে বিরোধী দল হিসেবে সহায়তা করে যাওয়ার উদাহরণ দিতাম। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের পর দেখা যেত, পরাজিত রাজনৈতিক দল ফল মেনে নিয়ে নতুন প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়ে ছায়া সরকারের ভূমিকা পালন করে যেত।যে দেশটিতে আর্নেস্ট হেমিংওয়ে প্রায় ২০ বছর কাটিয়েছেন, যে দেশটির সঙ্গে শত রাজনৈতিক টানাপড়েনের পরও একটি সাংস্কৃতিক সেতু রয়েছে, সে দেশটির সঙ্গে রাজনৈতিক ভাবে ট্রাম্প আবার একটি শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্কে ফিরে যেতে চাইছেন কেন?কেনেডি-কার্টার, জনসন-নিক্সন সবাই তা-ই করেছেন। আমরা বলতাম, যুক্তরাষ্ট্রের মতায় যে-ই আসুক, নীতির কোনো পরিবর্তন হয় না। বিশেষ করে পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে তো বটেই।কোথাও প্রেসিডেন্টের অসংগতিপূর্ণ আচরণ দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে ইমপিচমেন্টের প্রশ্ন উঠত। প্রেসিডেন্ট এন্ড্রিউ জনসন, জন টায়ার, রিচার্ড নিক্সন, বিল কিনটন এবং বারাক ওবামাসহ বেশ কয়েকজন ইমপিচমেন্টের মুখে পড়েছেন। কেউ ইমপিচড হয়েছেন,কেউ অল্পের জন্য রা পেয়েছেন। অর্থাৎ জাতি হিসেবে তাদের একটি জাতীয় সংহতি ছিল। সেটা ভালো-মন্দ যাই হোক।কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রের সেই গণতন্ত্রের পথে চলার ব্যত্যয় ঘটছে মারাত্মক আকারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি যেন পেছনের দিকে হাঁটতে শুরু করেছে। যেন দ্রুত হেঁটে আমেরকিার প্রাক-গৃহযুদ্ধের সময়ে গিয়ে ঠেকবে। যুক্তরাষ্ট্রের এ পেছনে হাঁটা শুরু হয়,বিশেষ করে ২০০১ সালের পর থেকে ডেমোক্র্যাটিক দলের হিলারি কিনটন এবং বারাক ওবামার প্রেসিডেন্ট পদে নমিনেশন নিয়ে খুবই কাদা ছোড়াছুড়ি হতে থাকে,যা আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ছিল অপ্রত্যাশিত।

 

হিলারি কিনটন বারাক ওবামাকে কৃষ্ণাঙ্গ, তার বাবা ছিলেন লম্পট,এবং ওবামার মাকে ছেড়ে দিয়ে কী করেছেন এসব বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে পিছপা হননি। প্রেসিডেন্ট ওবামা দ্বিতীয় দফা নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রে ভোট কারচুপির অভিযোগ ওঠে এবং তা আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এসব ঘটনাবলি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির গুণগতমানকে তৃতীয় শ্রেণীর রাষ্ট্রগুলোর কাছাকাছি নামিয়ে আনছে বলে মনে হচ্ছে। আর সেটার শেষ প্রমাণ পাওয়া গেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিউবা নীতি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে।২০১১ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট ওবামা কিউবার সঙ্গে দীর্ঘকালের বরফ জমাট সম্পর্ক গলাতে একটি নীতি গ্রহণ করেন।ওবামা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,ট্রেজারি এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে নির্দেশ দেন।তারপর আরও তিনটি ঘোষণা আসে যার এক নম্বরটির উদ্দেশ্য ছিল কিউবার জনগণকে ধর্মীয়, সংস্কৃতিক, শিাবিষয়ক সফরের মধ্য দিয়ে ঘনিষ্ঠ করে তোলা। দ্বিতীয়ত, কিউবার জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করতে কিউবায় রেমিট্যান্স প্রেরণ শিথিল করা। এ নীতি অনুসারে যে কোনো আমেরিকান কিউবায় ৫০০ ডলার পর্যন্ত পরিবারের সদস্য নয় এমন কাউকে প্রেরণ করতে পারবে। এছাড়া কিউবায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে রেমিট্যান্স প্রেরণ করার অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া কিউবায় ফাইট চলাচলে কিছু নিয়ম শিথিল করা হয়।১৯৫৯ সালে কিউবার একনায়ক ফুলগেনসিও বাতিস্তাকে উৎখাতের পর কিউবার মতায় আসেন ফিদেল ক্যাস্ত্রো। সে সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম বৈরী সম্পর্ক তৈরি হয়। সবধরনের সম্পর্ক তখনই ছিন্ন হয় এবং কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এ এক কঠিন রাজনৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্ব। সমাজতন্ত্র সর্বদাই যুক্তরাষ্ট্রের চোখের কাঁটা। অন্যদিকে সমাজতান্ত্রিকদেরও প্রধান শত্রু যুক্তরাষ্ট্রই। দেশ দুইটির মধ্যে এমনকি কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। ফলে ছিল না কোনো দূতাবাস।ওবামা ২ বছর ধরে গোপন আলোচনার ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেন।

 

পানামায় আঞ্চলিক সম্মেলনে ওবামা এবং রাউল ক্যাস্ত্রোর মধ্যে আলোচনা হয়। ফলে হাভানা ওয়াশিংটনে ফের দূতাবাস চালু করা হয়। যে পরিবর্তনের কথা বলে রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হয়েছিলেন, তারই পদপে হিসেবে তিনি কিউবার সঙ্গে একটি সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। এ ধারাবাহিকতায় অর্থাৎ পলিসি এগিয়ে নিতে তিনি ২০১৬ সালের মার্চে ঐতিহাসিক কিউবা সফরে যান। আনন্দঘন পরিবেশে তিনি কিউবা সফর করেন। ওবামা কিউবা সফরকালে ভাষণে বলেন, পরিবর্তন আসছে এবং আমি বিশ^াস করি, রাউল ক্যাস্ত্রো তা অনুধাবন করছেন। মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নানা ছোটখাটো বিতর্কের মধ্য দিয়ে ওবামা কিউবা সফর শেষ করলেও তা ছিল ৯০ বছরের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে উষ্ণ সময়। মাত্র ৯০ মাইল সমুদ্রপথের দূরত্বের এ দেশটিতে ওবামার আগে কোনো দায়িত্বপালনরত প্রেসিডেন্ট সফর করেননি।এ উষ্ণতারই অবসান ঘটালেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তিনি কিউবার সমালোচনা করে বলেন, ৬০ বছর ধরে কিউবার জনগণ সমাজতান্ত্রিক শাসনের জাঁতাকলে ভুগছে। দেশটি এখনও তারাই শাসন করছে, যারা লাখ লাখ কিউবানকে হত্যা করেছে। তারা তাদের দমন-পীড়নের ব্যর্থ আদর্শ ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করছে এবং শত্রুভাবাপন্ন পারমাণবিক বোমা আমাদের উপকূল থেকে মাত্র ৯০ মাইল দূরে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ক্যাস্ত্রো উত্তর কোরিয়ায় অস্ত্র সরবরাহ করেছেন এবং ভেনিজুয়েলায় অশান্তি সৃষ্টি করছেন। অসংখ্য লোককে জেলে পুরে রেখেছেন এবং ছিনতাইকারী, খুনি এবং সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। কিউবার মানব পাচার, ফোর্স লেবার এবং বিশ্বব্যাপী শোষণ করছে।তিনি তার ভাষণে কিউবার জনগণের প্রশংসা করে তাদের পাশে থাকার কথা বলেছেন।সেই সঙ্গে কিউবার সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছেন। কিন্তু হিসাবের খাতায় কতটা লাভ বা লোকসান হলো, তা কিন্তু বিবেচনা করে দেখার বিষয়।ওবামার কিউবা নীতি বাতিল করে তিনি বৈরিতার পথ বেছে নিলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই।এখন প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প কি কিউবার সঙ্গে সম্পর্ক আবার আগের স্থানে নিয়ে গেলেন দেশ দুইটির জনগণের স্বার্থে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির স্বার্থে, নাকি ডেমোক্র্যাট তথা ওবামা প্রশাসনের বিরোধিতাই ছিল মুখ্য?

 

ট্রাম্প যত কথাই মুখে বলুন না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তিনি এক জটিল পরিস্থিতিতে নিমজ্জিত হয়ে আছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত শুরু হয়। নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তপে, ট্রাম্পের কর ফাঁকি, এফবিআই প্রধানকে অপসারণ, আদালত কর্তৃক নির্বাহী আদেশ বাতিলসহ তিনি এক বড় চাপের মধ্যে রয়েছেন, যা তিনি সবাইকে বুঝতে দিতে চাইছেন না। শুধু ডেমোক্র্যাটিক দল নয়; এমনকি তার দল রিপাবলিকানদের মধ্যেও রয়েছে ট্রাম্প-বিরোধিতা। গেল কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে এমন রাজনৈতিক বিরোধিতা নির্বাচনের পর দেখা যায়নি। এ পরিস্থিতিতেই তিনি এমন আক্রমণাত্মক একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, তা ছিল অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত। তিনি তার উদ্যোগকে মানবাধিকার পদপে বলে মনে করছেন। কিন্তু সত্যি কি তাই? তিনি তাহলে কাজাকস্তান, ভিয়েতনাম, মিসর, জিম্বাবুয়ে, গিনি বিসাউ, চীনসহ কয়েক ডজন দেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন, যেখানে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে বলে মানবাধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো অভিযোগ করে আসছে? সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি সেখানে গিয়ে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তি করে এলেন কীভাবে? তার মানে কিউবার মানবাধিকার লঙ্ঘন একটি উপল মাত্র।একথা যে কাউকে স্বীকার করতে হবে, কিউবায় মানবাধিকার পরিস্থিতি বিগত দিনের তুলনায় এখন অনেক উন্নত হয়েছে। কিউবার জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থাও আগের চেয়ে ভালো।এমন একটি পরিস্থিতিতে কিউবার ব্যাপারে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নেয়া পলিসি পরিবর্তন কি খুবই জরুরি ছিল? স্বভাবতই কিউবা বিষয়টিকে ভালো মতো নেয়নি। কিউবার বর্তমান নেতা রাউল ক্যাস্ত্রো তার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের উদ্যোগকে বলেছেন, Hostile rhetoric. তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে তিনি আগ্রহী। শেষ ২ বছরে প্রমাণ হয়েছে, সভ্যতার পথে দুই দেশের সহাবস্থান সম্ভব।এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অনেক কিউবান-আমেরিকান ট্রাম্পের এ পদেেপ যারপরনাই হতাশ হয়েছেন।যে দেশটিতে আর্নেস্ট হেমিংওয়ে প্রায় ২০ বছর কাটিয়েছেন।

 

যে দেশটির সঙ্গে শত রাজনৈতিক টানাপড়েনের পরও একটি সাংস্কৃতিক সেতু রয়েছে, সে দেশটির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে ট্রাম্প আবার একটি শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্কে ফিরে যেতে চাইছেন কেন? এর আগে কিন্তু মতায় এসেই ট্রাম্প ওবামার হেলথ কেয়ার পলিসি পরিবর্তন করেছিলেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এ রাজনৈতিক সংস্কৃতি খুব কমই ল করা গেছে। ডেমোক্র্যাটদের নেয়া সিদ্ধান্ত মতায় এসে রিপাবলিকানরা বাতিল করবে, আবার রিপাবলিকানদের নেয়া নীতি ডেমোক্র্যাটরা এসে বাতিল করবে এ সংস্কৃতি মনে হয় যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের পথচলা অনেকটা পিছিয়ে দিল। আর তা নতুন করে শুরু করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের পরপরই দেখা যাচ্ছে নির্বাচন নিয়ে কারচুপি, নির্বাচনে অনিয়ম, সফট মানির ব্যবহারসহ নানা অভিযোগ উঠে আসছে। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতাও শুরু হয়। ওবামার দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের ফল নিয়ে আদালত পর্যন্ত দৌড়াতে হয়েছিল। এখন প্রশ্ন হলো, দুনিয়াব্যাপী যারা গণতন্ত্র শিখিয়ে বেড়ায়, জোরপূর্বক গণতন্ত্র (আমেরিকান সংস্করণ) প্রতিষ্ঠা করার জন্য অস্ত্র ব্যবহার করে, তাদের দেশে গণতন্ত্র এত দুর্বল হয়ে পড়লে বাকি বিশ্ব কী গণতন্ত্র চর্চা করবে? সে গণতন্ত্রের চেহারা কেমন হবে? ব্যক্তিগত জীবন ও চিন্তায় ট্রাম্প শান্ত স্বভাবের মানুষ নন।এরই মধ্যে কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট নিয়ে কানাঘুষা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তবে লণীয়, আগে যেসব প্রেসিডেন্ট ইমপিচমেন্টের সম্মুখীন হয়েছেন, তাদের অফেন্স ট্রাম্পের চেয়ে খুব একটা বেশি ছিল না। যদি তিনি ইমপিচড না হন, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মানুষের মধ্যে সা¤প্রতিক সময়ে সহিষ্ণুতা, গণতান্ত্রিক চিন্তায় বেশ পরিবর্তন এসেছে। সেটা একটু ল করলেই দেখা যায়। ট্রাম্পকে নমিনেশন দেয়া এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করা তারই একটি উদাহরণ।অপরদিকে নির্বাচনের আগে এবং পরে তার অনেক বিতর্কিত কাজ ও বক্তব্য শুধু আমেরিকানদের নয়, গোটা বিশে^র শান্তিকামী মানুষকে ভাবিয়েছে।ইউরোপের সঙ্গেও তার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। জি-৮ সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতার বিভিন্ন পদপে নিয়ে তার পিছে সরে যাওয়া ইউরোপীয়দের যথার্থই উদ্বিগ্ন করেছে।

 

রায়হান আহমেদ
কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য

Leave a comment

Advertisement
ফারজানা মিতু
জন্মদিন1 day ago

সাহিত্যিক ফারজানা মিতু-এর জন্মদিন আজ

মা আমার শ্রাবণের আকাশ |
উপন্যাস2 days ago

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৫

রূপালী আলো2 days ago

বাংলালিংক কর্মীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘এমপ্লয়ি ওয়েলনেস প্রোগ্রাম’

সাহিত্য3 days ago

নাসিম সাহনিকের নতুন বই

পরকীয়ার গল্প নিয়ে লাভ গেম [ভিডিও]
ঘটনা রটনা3 days ago

পরকীয়ার গল্প নিয়ে লাভ গেম [ভিডিও]

কম্বোডিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট | রায়হান আহমেদ
মতামত3 days ago

কম্বোডিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট | রায়হান আহমেদ

ফরিদুজ্জামান-এর গুচ্ছ কবিতা
কবিতা3 days ago

ফরিদুজ্জামান-এর গুচ্ছ কবিতা

বিশ্বজিত রায়- এর গুচ্ছ কবিতা
কবিতা3 days ago

বিশ্বজিত রায়- এর গুচ্ছ কবিতা

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৪
উপন্যাস5 days ago

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৪

মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ মডেল : জায়েদ খান এবং সাইমা রুশা
সঙ্গীত6 days ago

মুক্তি পেল জায়েদ খানের নতুন মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ ( ভিডিও সহ )

Advertisement

বিনোদনের সর্বশেষ খবর

মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ মডেল : জায়েদ খান এবং সাইমা রুশা মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ মডেল : জায়েদ খান এবং সাইমা রুশা
সঙ্গীত6 days ago

মুক্তি পেল জায়েদ খানের নতুন মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ ( ভিডিও সহ )

মুক্তি পেল জায়েদ খানের নতুন মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ সঙ্গীত মিউজিকের ব্যনারে ।সিলেটের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী জায়েদ খান পেশায় ডাক্তার...

পূর্ণ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন পূর্ণ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন
সঙ্গীত2 weeks ago

`পূর্ণ’ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন

`পূর্ণ’ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন শুদ্ধ সঙ্গীতের শূন্যতা যাদের মনে পীড়া দেয় তাদের কাছে এক ধরনের পূর্ণতা নিয়ে আসছেন...

গ্লিটজ2 weeks ago

নতুন দুটি শর্ট ফিল্ম

আল আমিন এইচ রুবেল অভিনয় শিল্পী হিসেবে বিশেষ পরিরচিত। অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ , আপন রানা , নাসিম সাহনিকসহ বেশকিছু...

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয় অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয়
ফিচার3 weeks ago

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয়

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয় এস কে দোয়েল অভিনয় তার নেশা-পেশা। হাসাইতে হাসাইতে হার্টবিট বাড়িয়ে দেয় দর্শকদের। কাজ করেন চট্টগ্রামে...

tamanna-bhatia-bahubali. tamanna-bhatia-bahubali.
বলিউড4 weeks ago

তৈরি হচ্ছেন তামান্না

চরিত্রের চাহিদা মেটাতে নিজেকে নানান ভাবে ভাঙ্গেন গড়েন তারকারা। তবে নিজেকে প্রস্তুত করতে এবার সুদুর ফ্রান্সে পাড়ি জমিয়েছেন দক্ষিণের সুন্দরী...

শ্রাবণী পুষ্প। ছবি : সংগৃহীত শ্রাবণী পুষ্প। ছবি : সংগৃহীত
সঙ্গীত4 weeks ago

পুষ্পর সোনা জাদুরে

সময়ের অন্যতম মডেল-অভিনেত্রী শ্রাবণী পুষ্প। সম্প্রতি কাজ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সন্দীপনের গাওয়া ‘সোনা জাদুরে’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে। এই...

শাকিব খান (Shakib Khan)। ছবি : সংগৃহীত শাকিব খান (Shakib Khan)। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড4 weeks ago

থাইল্যান্ডে শাকিব খান, রয়েছেন অপেক্ষায়

চিত্রনায়ক শাকিব খান কলকাতার ‘মাস্ক’ ছবির শুটিংয়ে গেল ৪ নভেম্বর উড়াল দিয়েছিলেন থাইল্যান্ডে। এই ছবির শুটিং এর ফাঁকে বাংলাদেশের উত্তম...

চিত্রনায়িকা অধরা খান। ছবি : সংগৃহীত চিত্রনায়িকা অধরা খান। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড1 month ago

অধরার নতুন নায়ক বাপ্পী চৌধুরী

সম্প্রতি ‘নায়ক’ শিরোনামের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন বাপ্পী চৌধুরী। কিন্তু নায়িকা নিয়ে মনস্থির করতে পারছিলেন না পরিচালক ইস্পাহানি আরিফ জাহান।...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত