Connect with us

মতামত

আস্থার সংকটে চীন-ভারত সীমান্ত উত্তেজনা | রায়হান আহমেদ

Published

on

আস্থার সংকটে চীন-ভারত সীমান্ত উত্তেজনা | রায়হান আহমেদ

সীমানা নিয়ে চীন-ভারত উত্তেজনার শেষ কোথায় তা এ মুহূর্তে বলা মুস্কিল।কারণ পাল্টাপাল্টি সেনা মোতায়েন, বেইজিং নয়াদিল্লি বাগ্যুদ্ধের পর সর্বশেষ ভারত মহাসাগরে চীনের সাবমেরিন পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে। আর সবচেয়ে আশঙ্কার দিক হচ্ছে-উদ্বেগ-উত্তেজনার কয়েক সপ্তাহ হয়ে গেলেও এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথে হাঁটতে শুরু করেনি পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ দু’টি। তাই হুমকি-পাল্টা-হুমকির এ উত্তেজনার শেষ কিভাবে হবে তা ভাবিয়ে তুলছে সবাইকে।সঙ্কটের সূত্রপাত সিকিমের কাছাকাছি চীন-ভারত-ভূটান সীমান্তবর্তী ডোকলাম মালভূমিকে ঘিরে। অঞ্চলটিকে চীন নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে, ভূটানও একই দাবি করে আসছে। ভারতের সেখানে কোনো দাবি না থাকলেও তারা বিষয়টিকে নিজেদের নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখছে। গত মাসে ওই এলাকায় চীন একটি সড়ক নির্মাণের প্রস্তুতি নিলে উত্তেজনা দেখা দেয় তিন দেশের সীমান্তে। চীন অভিযোগ করে, ভারতীয় সৈন্যরা তাদের ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করে কাজে বাধা দিয়েছে। এর আগে ৮ জুন ওই অঞ্চলে ভারতীয় টহল সৈন্যদের দু’টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিয়েছে চীন। এরপর সীমান্তে বাড়তি সৈন্য পাঠায় ভারত, পাল্টাব্যবস্থা হিসেবে চীন একই পদক্ষেপ নেয়। ভারতীয় সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত সরেজমিন পরিদর্শন করতে গিয়ে তার দেশ একসাথে একাধিক যুদ্ধ করতে প্রস্তুত বলে হুমকি দিয়ে এসেছেন। পাল্টা কথার তীর ছুড়েছে বেইজিং। ভারতকে ১৯৬২ সালের যুদ্ধে পরাজয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তার থেকে শিক্ষা নেয়ার উপদেশ দিয়েছেন চীনা কর্মকর্তারা। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুন জেটলি বলেছেন, হিমালয় সীমান্তে রাস্তা নির্মাণ নিয়ে অচলাবস্থা উসকে দিয়েছে বেইজিং যা ভারতের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ। আর চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেং শুয়াং অভিযোগ করেছেন, ডোকলাম এলাকায় ‘অবৈধ প্রবেশ ধামাচাপা দেয়ার জন্য’ ভুটানকে ব্যবহার করছে ভারত। এরই মধ্যে মঙ্গলবার ভারত মহাসাগরে সাতটি চীনা সাবমেরিন ও একটি সামরিক জাহাজ দেখা গেছে বলে নৌবাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। ফলে পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে।

 

চীন ভারত চলমান সীমান্ত উত্তেজনার কি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণতি লাভের আশঙ্কা রয়েছে? এ প্রশ্নটি এখন দক্ষিণ এশিয়ায় নানাভাবে আলোচিত হচ্ছে। গত কয়েক দশকের মধ্যে চীন এবং পাকিস্তান এই দুই দেশের সাথে একই সময়ে ভারতের উত্তেজনা সৃষ্টির ঘটনা দেখা যায়নি। আর দুই বা আড়াই ফ্রন্টে যুদ্ধ প্রস্ততির ঘোষণাও ভারতের কোন সেনা নায়ককে দিতে দেখা যায়নি অন্তত গত চার দশকের মধ্যে। এখন এমন এক সময় এ ধরনের উত্তাপ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে যখন এশিয়ার এই অঞ্চলে অন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত চীন দুই দেশের বড় ধরনের সম্মিলিত উদ্যোগ সক্রিয় রয়েছে। ওবামা প্রশাসনের সময় সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু এশিয়ামুখি হবার বিষয়টি আলোচিত হয়। সেনাকুক দ্বীপ এবং দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলের চীন বৈরি শক্তি সমূহকে এক জায়গায় আনার উদ্যোগও প্রত্যক্ষ করা যায়। এর অংশ হিসাবে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপান যৌথভাবে ১০ জুলাই থেকে বঙ্গোপসাগরে তাদের বৃহত্তম মালাবর যুদ্ধমহড়ার প্রতি নিচ্ছে।এ ত্রি-পক্ষীয় মহড়ায় ১৫টির মতো যুদ্ধজাহাজ, দুটি সাবমেরিন এবং যুদ্ধবিমান, নজরদারী বিমান এবং হেলিকপ্টার স্কোর অংশ নেবে । এটি এমন একটা সময় হচ্ছে যখন ভারত ও চীনা সৈন্যরা সিকিম-ভুটান-তিব্বত সংযোগ স্থলের কাছাকাছি মধ্য জুন থেকে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। চীন ভারতকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে এখান থেকে ভারত তার সেনা প্রত্যাহার না করলে তাদের শক্তি প্রয়োগ করে বের করে দেয়া হবে।মালাবার মহড়ার সময় ভারতীয় বিমান বাহিনীর আইএনএস বিক্রমাদিত্যের নেতৃত্বে ছয় থেকে সাতটি ফ্রন্টলাইনের যুদ্ধজাহাজ এবং একটি কিলো-ক্লাসের সাবমেরিন ফ্ল্যাটেল থাকবে। ২০১৪ সালের নভেম্বরে কমিশনড হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মত মিগ ২৯ কেএস সহ এটি বাইরের দেশগুলোর সাথে একটি পূর্ণাঙ্গ মহড়ায় অংশগ্রহণ করবে। এসব উদ্যোগ এশীয় অঞ্চলে এখনই কোন যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি না করলেও সংঘাতের একটি আবহ তৈরি করছে।গত জুনের মাঝামাঝি দক্ষিণ পশ্চিম চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের ডোকলাম এলাকায় ভারতীয় সৈন্যরা বুলডোজারের সাথে নিয়ে ইয়াডং কাউন্টির একটি রাস্তা নির্মাণে চীনের সৈন্যদের প্রতিরোধের চেষ্টা করার সময় এই এলাকায় ঢুকে পড়ে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৯ জুন মধ্য-জুনের এই ঘটনাবলীর ছবি প্রকাশ করে। এতে দেখা যায় ভারতীয় বাহিনীর দুই দেশের মধ্যে নির্ধারণ করা সীমানা অতিক্রম করার প্রচেষ্টাকে থামানোর চেষ্টা করছে চীনের সৈন্যরা ।

 

তিব্বতের চীনবিরোধী নেতাদের ভারতে আশ্রয় দেয়ার বিষয়টি কিছুতেই মানতে পারছে না কমিউনিস্ট সরকার। তার ওপর সর্বশেষ পাক-ভারত উত্তেজনার সময় সরাসরি পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল চীন। এর কারণে সাম্প্রতিক উত্তেজনা সীমান্ত নিয়ে হলেও এর সাথে জড়িয়ে আছে আরো কিছু হিসাব-নিকাশ। ১৯৬২ সালের যুদ্ধে পরাজিত হলেও ‘সেই দিন আর নেই’ মর্মে উদ্দীপ্ত ভারতীয় কর্মকর্তারা সমান তালে কথার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের দাবি, যেকোনো পরিস্থিতিতে চীনকে মোকাবেলা করতে পারবেন তারা। অন্য দিকে চীন অনড় শক্ত অবস্থানে। দুই দেশের বিশেষজ্ঞদের মতও অনেকটা আক্রমণাত্মক। সাংহাই অ্যাকাডেমি অব সোস্যাল সায়েন্সের গবেষক হু ঝিং তো স্পষ্টই বলেছেন, ‘ভারত কথা না শুনলে চীনের সামনে সামরিক পদক্ষেপ ছাড়া আর কোনো পথ নেই’। এই সামরিক বিশ্লেষক মনে করেন, নরেন্দ্র মোদির ভারত সফরের সময় চীনকে উসকে দিয়ে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এটি তুলে ধরতে চায় যে, চীনকে মোকাবেলার করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক রাজনীতিতে নিজেদের গুরুত্ব তুলে ধরতে চায়। অন্য দিকে ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক মারুফ রাজা লিখেছেন, ‘১৯৬২ সালের তুলনায় ভারতীয় বাহিনী মনোবল ও অস্ত্রশস্ত্রে অনেক গুণ উন্নত। চীন দখল করতে চায় না ভারত। কিন্তু চীন যদি ভারতের সীমানা লঙ্ঘন করার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে’।উভয় পক্ষের এই যুদ্ধংদেহি মনোভাব আর কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টা না থাকার কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, সঠিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে তা দুই শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। পারমাণবিক শক্তিধর দু’টি দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ বাধলে তা পুরো অঞ্চলের জন্য ভয়াবহতা নিয়ে হাজির হতে পারে। অবশ্য অনেক বিশ্লেষক আশা করছেন, দু’টি দেশই যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তাই তারা বুঝেশুনেই পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।

 

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে, সর্বশেষ সংঘর্ষের অবস্থানটি ‘অবিতর্কিত’ এলাকায় অবস্থিত, আর এই অবস্থাটি ‘ভারত সরকার লিখিতভাবে বার বার স্বীকার করেছে।মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুসারে, তাদের নিজস্ব সরকারের বক্তব্যের বিরোধিতা করেই ভারতীয় গণমাধ্যম বলেছে যে, চীন তাদের ভূখণ্ডে ‘অনুপ্রবেশ’ করেছে। অনেক চীনা নাগরিক এ ব্যাপারে কঠোর প্রতিক্রিয়া প্রদর্শনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। টাংশান জিয়েনক নামের একজন ওয়েইবো ব্যবহারকারী বলেছেন, ‘সহনশীলতা এবং দুর্বলতা কেবল ভারতীয় সেনাবাহিনীর হুমকিপূর্ণ পদ্ধতিকে উৎসাহিত করবে। ভারতীয় সৈন্যরা যদি সীমান্ত অতিক্রম করে তবে চীনা সৈন্যদের তাদের জোরপূর্বক হটিয়ে দেয়া দরকার আর তাতে নিবৃত না হলে প্রয়োজন তাদের তাক করে গুলি করা।ডোকলাম ঘটনার পর ভারতের টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মতে, ভারত ও চীন উভয়ই এই অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি শক্তিশালী করেছে, প্রায় ৩ হাজার সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে এখানে।গত ২৬ জুন ১৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করে ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ভারতীয় সৈন্যরা তাদের চীনা প্রতিপক্ষের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি উৎস থেকে ভিডিওটি পেয়েছে বলে দাবি করে জানিয়েছে যে, তাদের প্রতিবেদনটি প্রকাশের ১০ দিন আগে ভিডিওটি নেয়া হয়েছিল। পত্রিকাটি দাবি করে যে, সিকিম সীমান্তে চীনা সৈন্যরা ভারতীয় সীমান্তে ‘অনুপ্রবেশ’ করেছে এবং তারা ‘আক্রমণাত্মক’ এবং ভারতীয় সৈন্যদের পেছনে ঠেলছে।’ সংবাদপত্রটি সূত্র উদ্ধৃত করে বলেছে যে, সীমান্ত পার হবার পর চীনা সৈন্যরা দু’টি ভারতীয় সেনা ব্যাংকার ধ্বংস করেছে।ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিন দিনের সফর শুরু করার জন্য ওয়াশিংটন ডিসি-এ অবতরণ করার কয়েক ঘণ্টা পরে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। আর এটি দ্রুত চীনের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত হয় এবং এতে বড় রকমের উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।অনেকেই অভিযোগ করে যে, ভারত এর মাধ্যমে ‘চীনকে দমন করতে’ তার ‘কৌশলগত মূল্য’ প্রদর্শন করতে চায়। একজন উইবো ব্যবহারকারী বলেন, ‘ভারতের উসকানি সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তার একটি উপহার, যাতে তাদের মধ্যে বন্ধন বাড়তে পারে এবং আমেরিকানরা অনুভব করতে পারে যে দেশটি তাদের সহযোগী হতে পারে।

 

মূলত দুটি কারণে চীনের সাথে সীমিত পর্যায়ে ভারতের যুদ্ধ সম্ভাবনা একেবারে নাকচ করে দেয়া যায় না।(এক) ২০১৯ সালে ভারতের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হবার মতো ‘আচ্ছে দিন’ আনা অথবা ভারতীয়দের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোন সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় বিকল্প হিসাবে বিজেপি নেতৃত্বকে একদিকে সাম্প্রদায়িক চেতনা জাগিয়ে তুলতে হবে, অন্য দিকে ভারতের শক্তিমত্তার ইমেজ জনগণের সামনে দেখাতে হবে। এ জন্য ভারতের এক শ্রেণীর গণমাধ্যমে দেশটির প্রতিরক্ষা সামর্থের ব্যাপারে নিয়মিতভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নির্বাচনের আগে ভারত ‘পাকিস্তানকে এখন গণনায় না ধরে তাদের পাল্লা চীনের সাথে’ এমন একটা আবহ তৈরির জন্য চীনের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হতে পারে। তবে সেটি হবার সম্ভাবনা এখন নয়, হতে পারে ২০১৮ সালের কোন এক সময়ে।(দুই) নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় এসেছে দেশি বিদেশি পুঁজিপতি লবির আনুকূল্য নিয়ে। এই লবির প্রত্যাশা অনুযায়ী তাদের জন্য ব্যবসা বাণিজ্যের ব্যবস্থার প্রতি শুরু থেকেই নজর দিয়ে আসছেন তিনি।বিদ্যুৎ জ্বালানি ও অন্য বৃহৎ খাতে তিনি আদানি টাটা রিলায়েন্স এর মতো গ্রুপগুলোকে কাজ দিয়েছেন। এখন তাদেরকে প্রতিরক্ষা শিল্পে আসার বড় রকমের সুযোগ করে দিতে চান। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বড় ধরনের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন মোদি। ইসরাইলের সাথেও চলমান সফরে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করেছেন। প্রতিরক্ষা খাতের যে কোন কেনাকাটি আর চুক্তির জন্য দেশে এক ধরনের নিরাপত্তা সঙকট বা হুমকির আবহ তৈরি করে রাখতে হয়। মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সেটি করে আসছেন্ । দেশটির সেনা নেতৃত্বও এর সাথে তাল রেখে আড়াই ফ্রন্টে যুদ্ধের কথা বলছেন।অন্য দিকে দক্ষিণ চীন সাগরসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে পশ্চিমাদের সাথে বৈরিতা চলছে বেইজিংয়ের। তা ছাড়া দেশটি এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি মনোযোগী তাদের অর্থনীতিকে সব দেশের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যেতে। বিশ্বের এক নম্বর অর্থনীতির দেশটি তাই যুদ্ধে জড়িয়ে বাণিজ্য ক্ষতি ডেকে আনতে চাইবে না সেটাই স্বাভাবিক। আবার যে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা চলছে, ভৌগোলিক কারণে সেখানে রক্ষণাত্মক মুডে থাকা ভারত অনেকটাই এগিয়ে থাকবে বলে দাবি বিশ্লেষক মারুফ রাজার। তাই চীনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার আগে শতবার ভাববে বলে বিশ্বাস তার।২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে ধর্মীয় উগ্র চেতনা এবং যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব দুটিই সক্রিয় রাখতে হবে বিজেপি ও মোদিকে। সেটি তিনি করতে পারলে ভোট যুদ্ধে যেমন এর ফল পাওয়া যাবে তেমনি ভাবে যে লবি ২০১৪ সালে নির্বাচনে অর্থ কড়ি ও প্রভাব বলয় দিয়ে তাকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করেছে সেই একই লবি ২০১৯ সালেও ক্ষমতায় বহাল থাকতে সহযোগিতা করতে পারে।

রায়হান আহমেদ : কলাম লেখক

 

Leave a comment

Facebook

রূপালী আলো4 weeks ago

ইউটিউবে মুক্তি পেল শর্টফিল্ম “দি রেইড” (ভিডিও)

ঢালিউড3 weeks ago

এবার ইভান এন্ড কোম্পানীতে আকাশ নিবির ও সানজিদা তন্ময়

ঢালিউড3 weeks ago

৪ঠা মে সারাদেশে মুক্তি পাচ্ছে মুন্নার ‘ধূসর কুয়াশা’

স্বপ্নবাজ শর্ট ফিল্ম
রূপালী আলো4 weeks ago

প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা জালিয়াতি নিয়ে শর্টর্ফিল্ম স্বপ্নবাজ ইউটিউবে (ভিডিও সহ )

রূপালী আলো4 weeks ago

সম্পুরণী ব্র্যান্ডের জমকালো র‍্যাম্প শো !

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড1 week ago

আবারও একসঙ্গে শাকিব-অপু, উচ্ছ্বসিত সবাই

গিরীশ গৈরিকের কবিতাসন্ধ্যা
সাহিত্য3 weeks ago

গিরীশ গৈরিকের কলকাতায় কবিতাসন্ধ্যা

অপু বিশ্বাস
ঢালিউড7 days ago

ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত অপু বিশ্বাস

গ্লিটজ1 week ago

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মা’

Bollywood Star Aishwarya Rai Makes Red Carpet Return for Cannes 2018
ছবিঘর1 week ago

ঐশ্বরিয়ার পোশাক তৈরিতে লেগেছে ১২৫ দিন

মাসুমা রহমান নাবিলা (Masuma Rahman Nabila)। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনা রটনা2 months ago

‘আয়নাবাজি’র নায়িকা মাসুমা রহমান নাবিলার বিয়ে ২৬ এপ্রিল

‘মিথ্যে’-র একটি দৃশ্যে সৌমন বোস ও পায়েল দেব (Souman Bose and Payel Deb in Mithye)
অন্যান্য2 months ago

বৃষ্টির রাতে বয়ফ্রেন্ড মানেই রোম্যান্টিক?

Bonny Sengupta and Ritwika Sen (ঋত্বিকা ও বনি। ছবি: ইউটিউব থেকে)
টলিউড2 months ago

বনি-ঋত্বিকার নতুন ছবির গান একদিনেই দু’লক্ষ

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)
অন্যান্য2 months ago

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)

ভিডিও4 months ago

সেলফির কুফল নিয়ে একটি দেখার মতো ভারতীয় শর্টফিল্ম (ভিডিও)

ঘটনা রটনা4 months ago

ইউটিউবে ঝড় তুলেছে যে ডেন্স (ভিডিও)

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌'কথার কথা' (প্রমো)
সঙ্গীত5 months ago

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌’কথার কথা’ (প্রমো)

সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া
সঙ্গীত5 months ago

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান গাইলেন সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া

মাহিমা চৌধুরী (Mahima Chaudhry)। ছবি : ইন্টারনেট
ফিচার6 months ago

এই বলিউড নায়িকা কেন হারিয়ে গেলেন?

'সেক্সি মুভস না করে বরং পোশাক ছিঁড়ে ক্লিভেজ দেখাও'
বলিউড6 months ago

‘সেক্সি মুভস না করে বরং পোশাক ছিঁড়ে ক্লিভেজ দেখাও’

সর্বাধিক পঠিত