fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

সে রাতে | পূর্ণপ্রভা ঘোষ

Published

on

সে রাতে | পূর্ণপ্রভা ঘোষ

কপালে একটা ছোট্ট টিপ, ঠোঁটে সামান্য লিপস্টিক ছোঁয়ালেই অনন্যা হয়ে ওঠে শর্মিষ্ঠা। নিজেকে সামলে রাখা তখন রীতিমত দুঃসাধ্য। মালকিনের অনুমতি না নিয়ে ছোট্ট করে ঠোঁট ছোঁয়ালাম কপালে। আপাতত এতেই সন্তুষ্ট, দেখা যাবে বাড়ি ফিরে।

ঠোঁটের কোনে দাঁত চেপে মালকিন ধমক লাগায়, ‘ফের অসভ্যতা’?

যত বকুনি খাই, ততই আকর্ষিত হই। শর্মিষ্ঠা সে কথা জানে ভালোই ! মানে না!

আমি ইঞ্জিনীয়ার মানুষ, এত দিনের লোহালক্কড়-ইঁটসিমেন্ট-কংক্রীট জীবনে কোথা দিয়ে এক পাগল প্রজাপতি উড়ে এসেছে, আমি পুরোই পাগল!

এদিক ওদিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে কত মেয়ে দেখেছি! তারা কেউ কেউ আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকায়ও রয়েছেন। কিন্তু শর্মিষ্ঠা একান্তই অন্যরকম। ওর মধ্যে আলাদা কি আছে বলতে পারবো না। কিছু তো আছেই। ওর চোখ দুটো? ঠোঁট? কপাল? গাল? চিবুক? চুল? চেহারা? হাত কিংবা আঙ্গুলগুলো? জানি না! সত্যিই জানি না! শুধু জানি, ওর জন্য সর্বান্তকরণে, সর্ব্বাঙ্গে পাগল আমি।

পিসিমনির নিমন্ত্রণে দুজনে এসেছিলাম, এখন বাড়ী ফিরছি। মাত্র মাস কয়েক আগে বিয়ে হয়েছে আমাদের। সেইসময় খুব শরীর খারাপ থাকায় বিয়েতে আসতে পারেননি পিসিমনি, তাই বৌ দেখাতে আসা। পিসিমনির দয়ায় মানুষ আমি। পিসিমনি বৌ দেখে খুব খুশী। তাই আনন্দটাও অনেকগুণে বেড়ে গেল।

তবে কিনা ছুটির দিনটা এভাবে ফুরিয়ে গেল! আবার চলবে প্রচন্ড ব্যস্ততা। হুটপাট দৌড় সারা সপ্তাহ জুড়ে। শর্মিষ্ঠাকে পুরোপুরি পাওয়ার আশ মেটে না। বাড়ী পৌঁছোনোর জন্য ছটপটিয়ে ব্যস্ত হই।

পিসেমশাই ভারী মজাদার মানুষ। কতযে মজার মজার গল্পের ভান্ডার রয়েছে তাঁর সংগ্রহে। সেইসব ছেড়ে উঠে আসাও যায় না। আজকাল মানুষে হাসতে ভুলে যাচ্ছে। সারাক্ষণ দৈত্যপ্রায় অসম্ভব কাজের চাপে অকালে বুড়িয়ে যাচ্ছি সবাই। রামগরুড়ের ছানা হয়ে ভালো থাকা যায়? ওদিকে পিসিমনিও রাতের খাওয়ার না খাইয়ে ছাড়বেন না। দু’বেলাই, খেতে বসে পিসেমশাইয়ের গল্প-আড্ডা জমে ওঠে।

 


তাড়াহুড়ো করেও বেরোতে বেরোতে রাত্রি নটা!

শীতের রাত, স্টেশনে পৌঁছোলাম। সঙ্গে নতুন বৌ আর রাতের লোকালট্রেন। ভয়ে বুক ধুকপুক। চারদিক শুনশান। এদিক ওদিক কয়েকটা লোক ছড়িয়ে ছিটিয়ে। চিরকাল এপথে চোখ বন্ধ রেখেও চলতে পারি এতটাই অভ্যস্থ আমি। একটা নিশ্চিন্তি, ট্রেনটির সময়ে পৌঁছোনোর সুনাম রয়েছে। আমাদের বাড়ী পৌঁছোতে দশটা বড়জোর সাড়ে দশটা বাজবে। রিকশা পেলে ভালই, নইলে রাস্তাটুকু হাঁটব।

সুন্দরী নতুন বৌকে নিবিড় করে জড়িয়ে ধরে নির্জন মধ্যরাতে চলার

মজা আলাদা, ভাবতেই রোমাঞ্চ জাগে। জানালার পাশে মুখোমুখি বসেছি দুজনে। হাল্কা ঠান্ডা হাওয়া বইছে। শীতের রাতেও শর্মিষ্ঠা কিছুতেই জানালা বন্ধ করতে দেবে না।

সুন্দর লাল সিল্ক পরেছে শর্মিষ্ঠা, সঙ্গে লেমন ইয়োলো শাল। রুচীর তারিফ করতেই হয়। ঝুরো চুল চোখে মুখে উড়ে পড়ছে। মুগ্ধ, মুগ্ধ, বিহ্বল আমি!

নারীটি আমার। সম্পূর্ণরূপেই আমার! এইক্ষেত্রে আমি সৌভাগ্যবান।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বছর কয়েক আগে আমাদের পরিচয়।

একঝলক আকাশে তাকালাম মুগ্ধ প্রেমিক। আধখানা ভাঙা চাঁদও চলেছে আমাদের সঙ্গে। হঠাৎ দুষ্টুবুদ্ধি এল মাথায়। এমন সুন্দর জিওগ্রাফির হিস্ট্রি নেই? যেমন চাঁদের কলঙ্ক! আমাকে নিঃস্তব্ধ করে শর্মিষ্ঠা ওর কাহিনী বলে নির্দ্বিধায়।

বিস্ময়াবিষ্ট আমি মুহূর্তে বাকরুদ্ধ। সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত! আমাদের স্টেশন পেরিয়ে পরের স্টেশনে পৌঁছেছে ট্রেন, চমক ভাঙে! ধড়পড় করে ছুটে নেমে পড়ি। এতক্ষণ যাকে মাথায় নিয়ে চলেছিলাম এখন তার দিকে ফিরেও তাকালাম না! শর্মিষ্ঠা নিঃশব্দে পেছন পেছন নেমে এল। চোখের কোন দিয়ে দেখলাম। এখনই হয়ত একটা মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। ট্রেন গতি নিয়ে নিয়েছে। একজন প্যাসেঞ্জার খুব ধমক দিলেন আমায়! কান দিলাম না! রিক্সোতে দুজনে পাশাপাশি, অথচ শতযোজন দূরত্ব মাঝে! অলঙ্ঘনীয় বরফঠান্ডা প্রাচীর! কোন মুগ্ধতায় জানতে চাইনি আগে?

শর্মিষ্ঠা টিন-এজের রেপড ভিকটিম্! কথাটি শুনেই বড্ড অস্থির লাগছে! রাস্তায় অনেক দূরে দূরে এক একটা লাইটপোষ্ট। এবড়ো-খেবড়ো রাস্তা, মাঝে মাঝেই অন্ধকার এসে ধমক দিচ্ছে। কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে, কপালের শিরা দপ্-দপ্ করছে, বিন্দু-বিন্দু ঘাম জমছে। ওদিকে হাতপা ঠান্ডা বরফ, মনটাও!

 


কয়েক বছরের পরিচয় পর্বকালে শর্মিষ্ঠা বারেবারে তার জীবনের কোনো এক গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ বলতে চেয়েছে। আমিই বরং উদারতার ভাণ দেখিয়ে বারেবারেই ওর মুখ বন্ধ করে দিয়েছি। এই আমার উদার হৃদয়ের লক্ষণ?

বাড়ি ঢুকতেই মায়ের শত জিজ্ঞাসা। পিসিমনি কি বললেন বৌ দেখে? কি খাওয়ালেন, কতটা খুশী? কোনো কথারই উত্তর দিলাম না, আসলে পারলাম না!

শর্মিষ্ঠা যথাসম্ভব স্বাভাবিক। মায়ের সঙ্গে কথায়-গল্পে ব্যস্ত হয়ে পড়ল এত রাতেও, হয়ত ইচ্ছে করেই। আমাদের বেডরুমটা শর্মিষ্ঠার নিজের হাতে সাজানো। ওর রুচির প্রশংসায় সারাক্ষণ পঞ্চমুখ হয়েছি আগে, কিন্তু বিতৃষ্ণা জাগছে কেন এখন? ওকে এড়িয়ে ভীরু-কাপুরুষের মত পালাতে চাইছিলাম আমি? মন শক্ত করে ভাবি।

সে রাতে কিছুতেই ঘুম এল না চোখে। পরদিন কাজে দৌড়োতে হবে, না ঘুমোলে চলবে না তাই অনেক চেষ্টা করলাম। কোনো প্রচেষ্টাই কাজে এল না!

পরপর কত কথাই মনে পড়ছে, ভাবছি। আমার এক বন্ধুর দিদি ছিল। বছর দশেক আগের কথা। একদিন, এমনই এক রাতের ট্রেনে কলেজ থেকে ফেরার সময় প্রচন্ড ভয়ঙ্কর কান্ড ঘটে। সেইসময় সামাজিক, রাজনৈতিক, সমস্ত প্রেক্ষাপটে হাজার হাজার ভুল পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল। বড্ড পড়াশোনা ভালোবাসত সেই দিদি। পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখত খুব। সেই শান্তশিষ্ট অথচ লড়াকু মেয়েটার অসময়ে মৃত্যুর পরেও সবাই মিলে কত না ক্ষতবিক্ষত করেছে।

কেউ বলেছে, ‘অতিরিক্ত সাহস! পড়াশোনা শিখে ব্যরিষ্টার হবে! দেশের পরিস্থিতি জানো না? কোন সাহসে রাতের ট্রেনে যাতায়াত কর?’ কেউ আবার বলেছে, ‘কে জানে কোথাও কিছু লটঘট করেছিল কিনা!’

রাজনৈতিক নেতারা আর এককাঠি উপর দিয়ে গিয়েছিলেন। একদল বলেছিল, মেয়েটি তাদের সমর্থক, তাই অন্যদল বদলা নিয়েছে। অন্যদল বলেছিল, দেশের আইন কানুনের এইত অবস্থা! মানুষের বিশেষ করে মেয়েদের নিরাপত্তা নেই! আর যাইহোক, কেউই চায়নি প্রকৃত অপরাধী যারা, তারা ধরা পড়ুক! সবাই চেয়েছে এই দূর্ঘটনাকে কে কতটা নিজেদের কাজে লাগাতে পারে।

মেয়েদের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা আরোপ করা হয়েছে তারপর। তাদের পড়াশোনা, তাদের ঘোরাফেরাতে হাজারও বিধিনিষেধ।

সেইসময় ক্লাস টুয়েল্ভ আমার। কতভাবে প্রতিকারের স্বপ্ন দেখতাম।
নিশ্চিত এই অসুস্থ পরিস্থিতিকে পাল্টে দিতে পারব, স্বপ্ন দেখতাম, খুব স্বপ্ন দেখতাম।


আজকাল পরিস্থিতি একেবারে পাল্টে গেছে। না! আমি করিনি। সময় এনে দিয়েছে এই পরিবর্তন। মেয়েরা এখন অনেকখানি স্বাধীন, সতর্ক। আমরা খুশী।

কোনো মেয়ের জীবনে এমন দূর্ঘটনা পুরুষেরাই ঘটায় সেকথা ভুলে যাই আমরা। এবং আমাদের সমাজে তাইতো একপ্রকারে মেয়েরাই অপরাধীর সাজা পায়।

এইযে আমি, এখনও? শর্মিষ্ঠার নিখাদ ভালোবাসা উপেক্ষা করে এমন অন্যায় আচরণ করে ফেললাম? সঠিক ভাবনায় ফিরি একসময় কিন্তু সে ফেরে না!

আমার বাবা নেই, অনেক ছোটোবেলায় তাঁকে হারিয়েছি আমি। সে সময় পিসিমনি-পিসেমশাই আমাদের মা-ছেলের সম্পূর্ণরূপে দেখভাল করেছেন। তারপর বড় হয়ে আমি চাকরি পেয়ে মাকে সামান্য স্বস্তিসুখ দিয়েছি। এখন আমাদের সুখের সংসার। কষ্টের সময়ে আমি ছিলাম মায়ের একান্ত ভরসা, আর মাও আমার কাছে ভগবান, দেবী। শর্মিষ্ঠা এসে আমাদের জীবনের মহান জায়গাটা নিয়েছে, যেটুকুর অভাব ছিল।

জানি না মায়ের সঙ্গে কি যুক্তি-পরামর্শ করেছে সেই রাতে। তারপর থেকেই মায়ের ঘরে বিছানা সরিয়ে নিয়েছে শর্মিষ্ঠা। সম্পূর্ণই শুধরে নিয়েছি নিজেকে। তবুও ক্ষমা পেলাম না! মাকে কি বুঝিয়েছে ওই জানে, মাও কী বুঝেছেন জানি না!

আমি শুধু অবুঝ মনে প্রতীক্ষায় থাকি। নিষ্ঠুর এই পৃথিবীতে ভুলের প্রায়শ্চিত্ত চাইলে এত বেশী ধৈর্য দরকার হয়, জানতাম না!

মন্তব্য করুন
Advertisement
Advertisement
নায়লা নাঈম। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

শাকিব খানকে উৎসর্গ করে নায়লা নাঈমের শর্টফিল্ম

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য2 weeks ago

কাজের বিনিময়ে টাকা ইনকাম করাটাই আমার উদ্দেশ্য : সোনিয়া খান

শাকিব খান। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

শাকিব খান বিয়ে করতে যাচ্ছেন এ বছরের শেষের দিকে

ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ছবি : সংগৃহীত
সুরের মূর্ছনা6 days ago

আবারও বিয়ে করছেন ক্লোজআপ তারকা সালমা

মডেল রাজিয়া সুলতানা লিয়া। ছবি : প্রবীর
বিবিধ3 weeks ago

বিয়েতে যেসব আইন-কানুন নিয়ম-নীতি বেদাবেদ আছে বাংলাদেশে

অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য4 days ago

সব ওপরওয়ালার ইচ্ছা : অপু বিশ্বাস

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সঙ্গে একমাত্র পুত্র আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

আবারও এক হচ্ছেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস !

সাদিকা পারভিন পপি। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ3 weeks ago

চিত্রনায়িকা পপি অবশেষে বিয়ে করছেন 

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের নতুন ফ্ল্যাটে এরপর একে একে উপস্থিত হন নন্দিত নাট্যাভিনেত্রী রুমানা রশীদ ঈশিতা, চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, জনপ্রিয় অভিনেতা-নির্দেশক জাহিদ হাসান, জাজ’র কর্ণধার আব্দুল আজিজ, কোরিওগ্রাফার তানজিল ও তার স্ত্রী লামিয়া, উপস্থাপিকা ফারহানা নিশো, চিত্রনায়িকা পপি, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চিত্রনায়ক ইমন, বাপ্পী, কোরিওগ্রাফার সোহাগ, ফ্যাশন ডিজাইনার রামিমসহ অনেকে। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য1 week ago

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের ফ্ল্যাটে ঢালিউড তারকাদের মেলা

বাপ্পী চৌধুরী ও অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা2 days ago

অবশেষে মাফ চেয়ে পার পেলেন বাপ্পী চৌধুরী

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
সুরের মূর্ছনা12 hours ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
বলিউড14 hours ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
অন্যান্য14 hours ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো2 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো3 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো3 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো5 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো5 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
রূপালী আলো5 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
রূপালী আলো5 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বীরেন মুখার্জী
হেড অব মার্কেটিং : দীনবন্ধু রায়
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম