fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

আশানুরূপ রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত | রায়হান আহমেদ

Published

on

আশানুরূপ রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত | রায়হান আহমেদ

মূলত দেশের বাড়তি জনশক্তিই আমাদের মানবসম্পদ।এই মানবসম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হলে সমৃদ্ধ দেশ বিনির্মাণ করাও সম্ভব।দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, আমাদের দেশের ক্ষমতাসীনরা এই মানবসম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারছে না।অনুপাত করলে দেখা যায়, জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে, সে হারে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না।ফলে বেকারত্বের হার বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। আবার দেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগ পরিস্থিতিও খুব একটা ভালো নয়।বিনিয়োগ না বাড়ায় দেশের অর্থ বিদেশে ব্যাপকভাবে পাচার হচ্ছে।দুঃখজনক হলেও সত্য ক্ষমতাসীনরা শ্রেণীস্বার্থে বরাবরই গুটিকয়েক মানুষের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের পথকেই প্রশস্ত করেন, যা আগামী দিনেও গতানুগতিক পদ্ধতিতে শুধু ক্ষমতার পালাবদল হতেই পারে; কিন্তু জনস্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। এ কারণে শ্রমজীবী মানুষের বসবাস-উপযোগী রাষ্ট্র কাঠামো বিনির্মাণে তাদের প্রতিনিধিরা যতদিন ক্ষমতাসীন হতে পারবেন না, ততদিনই দেশের শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে ক্ষমতাসীনদের চাটুকারী বক্তৃতা আর বিবৃতি শুনে সান্ত¡না খোঁজা ছাড়া প্রকৃত স্বার্থ কোনো দিনই বাস্তবায়িত হবে না।সরকার যায়, সরকার আসে; কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না।অথচ পরিবারের প্রেম-ভালোবাসা,মায়া-মমতা ত্যাগ করে শুধু একটু কর্মসংস্থানের জন্য দেশের লাখ লাখ নারী-পুরুষ বিদেশে কত কষ্ট করে উপার্জন করে। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার মসনদ দীর্ঘায়িত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু কষ্টের সে উপার্জিত অর্থ দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয়ের বদলে বরং গুটিকতক মানুষের সুখ-সাচ্ছন্দ্যের ভাগ্যদুয়ারকে প্রসারিত করে।তাছাড়া বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রফতানি আয়ের প্রধান খাত পোশাক শিল্পের পরের অবস্থানটিই হলো প্রবাসী আয়। বেশ কয়েক বছর ধরে জনশক্তি রফতানির ধারা নেতিবাচক পর্যায়ে থাকলেও চলতি বছরের জুন পর্যন্ত জনশক্তি রফতানির হার অনেকটাই বেড়েছে। এ লক্ষণ আমাদের গোটা অর্থনীতি; বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে অনেকাংশেই চাঙ্গা করবে। সূত্র মতে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বিশ্বের ১৬টির বেশি দেশে কর্মসংস্থানে র উদ্দেশ্যে জনশক্তি রফতানি হয়েছে ৫ লাখ ২০ হাজার ৪৯০ জন।

 

গত বছরের একই সময়ে বিদেশে জনশক্তি রফতানি হয়েছিল ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৯৫ জন। আর এ বছর শুধু সৌদি আরবেই গেছেন ৩ লাখেরও বেশি কর্মী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, জনশক্তির এ ধারা অব্যাহত থাকলে বছরজুড়ে ১০ লাখ পর্যন্ত কর্মী বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হবে। জনশক্তি রফতানির হার বৃদ্ধি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং বিএমইটির মহাপরিচালক মো. সেলিম রেজা। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ বছর আমরা ১০ লাখেরও বেশি কর্মী বিদেশে রফতানি করতে সক্ষম হব। যে মুহূর্তে সৌদি আরব, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় অস্থিরতা বিরাজ করছে, সে মুহূর্তে চলতি অর্থবছরের জুন পর্যন্ত শুধু সৌদি আরবেই গেছেন ৩ লাখের মতো কর্মী। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল না হয়ে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে জনশক্তি রফতানি করতে পারলে ইতিবাচক এ ধারা আরও গতিশীল হবে।এটা স্বীকার করতেই হবে, আয়তনের তুলনায় আমাদের দেশের জনসংখ্যার পরিমাণ অনেক বেশি। প্রতিনিয়ত তরতর করে বাড়ছে জনসংখ্যা।অতিসম্প্রতি এক তথ্যে জানা গেছে, বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ সুইস ব্যাংকে মজুদ হয়েছে। এর অর্থ দেশে বিনিয়োগ না হয়ে সে অর্থ দেদার বিদেশে পাচার হচ্ছে। যদিও এ অভিযোগ সরকার মানতে নারাজ। অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেই বলেছেন, সুইস ব্যাংকে টাকা মজুদের অর্থ বিদেশে অর্থ পাচার নয়। আবার তিনি মাঝেমধ্যে মন্তব্যও করে থাকেন, দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভালো নয়। এতে স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে দেশের অর্থ যে বিদেশে পাচার হচ্ছে, তা তিনি অস্বীকার করবেন কী করে? বাস্তবে আমাদের দেশে ঘুষ, দুর্নীতি, লুটপাটের আগ্রাসন এখনও অনেক বেশি। এসব অর্থ যদি দেশে বিনিয়োগ হতো, তাহলে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হতো। কিছু বিনিয়োগ পরিস্থিতির ধারা যেহেতু নেতিবাচক, তাই বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগটিকে অস্বীকার করারও কোনো জো নেই।

 

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাড়ে চার বছর ধরে শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। একইভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ায় জনশক্তি রফতানি বন্ধ আছে। এছাড়াও সিরিয়া, লেবানন, বাহরাইন, কুয়েত ও ইরাকে কর্মী পাঠানোর হার অনেক কমে গেছে। অবশ্য সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বন্ধ হওয়া শ্রমবাজারগুলো খোলার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ প্রসঙ্গে বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে বেশকিছু দেশে জনশক্তি রফতানি বন্ধ থাকা কিংবা কমে এলেও এ বছর সৌদি আরবে ৬ লাখেরও বেশি কর্মী পাঠানো সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার কর্মী নেয়ার অনুমোদনপত্র হাতে রয়েছে। আরও কর্মী পাঠানোর অনুমতিপত্র স্বল্প সময়ের মধ্যে হাতে আসবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাস্তবে সৌদি আরবই জনশক্তি রফতানির অন্যতম দেশ, যে দেশটিতে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশী দীর্ঘদিন ধরেই কর্মরত আছেন। যাদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি করছে।তাছাড়া রফতানি আয়ের প্রধান খাত পোশাক শিল্পকে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে টিকে থাকতে হচ্ছে, সে মুহূর্তে প্রবাসী আয়ের ওপর আমাদের জোর দিতে হবে।

তাছাড়া কোনো কারণে রফতানি আয়ের প্রধান খাত পোশাক শিল্পের সমৃদ্ধিতে ভাটা পড়লেও যেন প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভর করে দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করা সম্ভব হয়। বাস্তবে দেশের দক্ষ মানবসম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হলে প্রবাসী আয় আমাদের যে প্রধান খাত হতে পারে, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।মূলত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর একটি অংশ, যারা শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত নন, তারাই বেশি করে বিদেশে যাচ্ছেন। ফলে তাদের বিদেশে গিয়ে দক্ষতার অভাবে কম মজুরির কাজ করতে বাধ্য হতে হয়, যারা নির্মাণকাজে মূলত জোগালির কাজ করে থাকেন। তারা কাজের জন্য যে দেশে যান, সেসব দেশের আইন-কানুন, রীতিনীতিও যেমন জানেন না, তেমনি কম বেতনে অড জব করতে গিয়ে মজুরি কম পান, যা দিয়ে বিদেশের মাটিতে নিজের খরচ পুষিয়ে নিয়ে দেশে তেমন কোনো অর্থ পাঠাতে পারেন না। ফলে ওই পরিবারগুলো যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি দেশও আশানুরূপ রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত হয়।

 

আমরা মনে করি,বেসরকারি বিনিয়োগ উপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেশে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা জরুরি। আবার বিনিয়োগ-উপযোগী জমি, বিদ্যুৎ,গ্যাস ও পানির আভাব এখনও তীব্র। বিনিয়োগ বাড়াতে হলে অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করতে হবে। যদিও সরকার দাবি করছে, গ্যাসের অভাব পূরণে এলএনজি গ্যাস আমদানি করা হবে। বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে হয়তো একদিন বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু মহাজোট সরকার টানা ২ মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে যেভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ঢাকঢোল পিটিয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েই যাচ্ছে, প্রকৃত অর্থে বিদ্যুৎ খাতটির অবস্থা এখনও অনেক বেশি নাজুক, অপ্রিয় হলেও যা সত্য। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং অতীতের মতোই এখনও বিদ্যমান। যদিও বলা হচ্ছে, ঝড়ের কবলে আশুগঞ্জের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বিধ্বস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা খারাপ হয়েছে। একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ থাকলে যদি এ অবস্থা হয়, তাহলে কোনো কারণে একাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ হলে পরিস্থিতি যে ভয়াবহ অবস্থায় চলে যাবে, তা অনেকটাই নিশ্চিত। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সমূহ উন্নতি সাধন করতে হবে। আগেই বলেছি, আমাদের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর দেশে কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি অধিক জনসংখ্যার দেশে জনশক্তিকে মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। এজন্য যেমন বিদেশে কর্মী পাঠানোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, তেমনি দক্ষ মানবসম্পদ বিদেশে রফতানি করতে হবে। কারণ দক্ষ মানবসম্পদ রফতানি করতে না পারলে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে না। এজন্য দেশের প্রতিটি জেলায় দায়সারা গোছের বদলে টেকসই প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে, যেন প্রতিটি পুরুষ ও নারী কর্মী বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে পাড়ি দিতে পারে। তাহলে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে।

 

সংগত কারণে যে হারে বিদেশে কর্মী পাঠানো হয়, সে হারে দেশে রেমিট্যান্স না আসায় এ ধারায় নেতিবাচক প্রভাব দিন দিন তীব্র হচ্ছে। অথচ একটু কাজের আশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে সাগর পাড়ি দিয়ে কারও কারও সলিল সমাধি হয়। আবার ভাগ্যগুণে কেউ স্বপ্নের দেশে পৌঁছলেও কাজের বদলে ভাগ্যে জোটে কারাভোগ। আবার কেউ কেউ কাজ পেলেও ৪৮-৫০ ডিগ্রি রৌদ্রতাপে নির্মাণকাজসহ ফসলের মাঠে কিংবা নগর-মহানগরে পরিচ্ছন্নতার কাজে নিজের শ্রমশক্তি নিঃশেষ করে কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠান। তাদের অর্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধি পায়। যারা দেশের ১৬ কোটি মানুষের বেঁচে থাকার অবলম্বন খাদ্য জোগান, অথচ দেশের শাসকগোষ্ঠী মানুষের মুখের গ্রাস দুর্মূল্য করে অর্জিত অর্থ দেদার বিদেশে পাচার করেন। এই হচ্ছে এ দেশের শ্রমজীবী মানুষের নিয়তি! এর কি কোনো শেষ নেই? মূলত ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থায় বৃহৎ জনগোষ্ঠীর শ্রমের বিনিময়ে অর্জিত অর্থ গুটিকয়েক মানুষকে কলাগাছের মতো মোটাতাজা করে। যাদের উপার্জিত এসব অর্থ দেশে বিনিয়োগ না হয়ে বরং বিদেশে পাচার হয়।আর হওয়াটাই স্বাভাবিক।রেমিট্যান্স কমার বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, জনশক্তি রপ্তানি বাড়ার পরও কেন রেমিট্যান্স কমেছে তা অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ব্যাংক টু ব্যাংক টাকা পাঠালে খরচ কিছুটা বেশি যায়। এ কারণে অনেকেই হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠান। এ জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে তফসিলী ব্যাংকের মতো করার চেষ্টা চলছে। যারা বিদেশ থেকে টাকা পাঠাচ্ছেন তাদের খরচটা কমানো কিংবা বিনা খরচে পাঠানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আমরাও মনে করি, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ রেমিট্যান্স হিসেবে আসার ক্ষেত্রে বিনা খরচে কিংবাা নামমাত্র খরচে পাঠানো সম্ভব হলে অবৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা কমে আসবে। ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহও বৃদ্ধি পাবে, যা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

রায়হান আহমেদ : কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য
raihan567@yahoo.com

মন্তব্য করুন
Advertisement
নায়লা নাঈম। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

শাকিব খানকে উৎসর্গ করে নায়লা নাঈমের শর্টফিল্ম

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য2 weeks ago

কাজের বিনিময়ে টাকা ইনকাম করাটাই আমার উদ্দেশ্য : সোনিয়া খান

শাকিব খান। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

শাকিব খান বিয়ে করতে যাচ্ছেন এ বছরের শেষের দিকে

ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ছবি : সংগৃহীত
সুরের মূর্ছনা6 days ago

আবারও বিয়ে করছেন ক্লোজআপ তারকা সালমা

মডেল রাজিয়া সুলতানা লিয়া। ছবি : প্রবীর
বিবিধ3 weeks ago

বিয়েতে যেসব আইন-কানুন নিয়ম-নীতি বেদাবেদ আছে বাংলাদেশে

অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য4 days ago

সব ওপরওয়ালার ইচ্ছা : অপু বিশ্বাস

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সঙ্গে একমাত্র পুত্র আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

আবারও এক হচ্ছেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস !

সাদিকা পারভিন পপি। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ3 weeks ago

চিত্রনায়িকা পপি অবশেষে বিয়ে করছেন 

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের নতুন ফ্ল্যাটে এরপর একে একে উপস্থিত হন নন্দিত নাট্যাভিনেত্রী রুমানা রশীদ ঈশিতা, চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, জনপ্রিয় অভিনেতা-নির্দেশক জাহিদ হাসান, জাজ’র কর্ণধার আব্দুল আজিজ, কোরিওগ্রাফার তানজিল ও তার স্ত্রী লামিয়া, উপস্থাপিকা ফারহানা নিশো, চিত্রনায়িকা পপি, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চিত্রনায়ক ইমন, বাপ্পী, কোরিওগ্রাফার সোহাগ, ফ্যাশন ডিজাইনার রামিমসহ অনেকে। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য1 week ago

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের ফ্ল্যাটে ঢালিউড তারকাদের মেলা

বাপ্পী চৌধুরী ও অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা2 days ago

অবশেষে মাফ চেয়ে পার পেলেন বাপ্পী চৌধুরী

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
সুরের মূর্ছনা10 hours ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
বলিউড12 hours ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
অন্যান্য13 hours ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো2 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো3 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো3 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো5 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো5 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
রূপালী আলো5 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
রূপালী আলো5 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বীরেন মুখার্জী
হেড অব মার্কেটিং : দীনবন্ধু রায়
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম