fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

মৃন্ময়ী | সাহানা খানম শিমু

Published

on

মৃন্ময়ী | সাহানা খানম শিমু
মৃন্ময়ী | সাহানা খানম শিমু

কবিতার শেষ পংক্তিটা শেষ করে আপলোড দিতেই মাথাটা কেমন ঘুরে উঠল। বিছানায় ল্যাপটপ নিয়ে শোবার অভ্যাস করেছে কয়েক বছর হলো। টেবিল চেয়ারে বসে এখন আর লেখা হয় না,কষ্ট হয়,ব্যাক পেইনের কারনে। বয়স বাড়ছে,শরিরে এটা ওটা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শোবার সময় সাইড টেবিলে পানি,জরুরী অসুধের ব্যাগ,চশমা,কলম,কাগজ,ছোট একটা টর্চ নিয়ে রাখে। মোবাইল থাকে আরও হাতের কাছে,বালিশের পাশে। ঘুমের সমস্যার কারনে শোবার সময় ল্যাপটপে লেখালিখি করে,কখনও ফেসবুকে বসে,কখনওবা ইউ টিউবে গান শোনে টের পায় না,এভাবে এক সময় ঘুমািয়ে পরে। ঘুমের জন্য শুয়ে দেখেছে,এপাশ ওপাশ করতে করতে রাত প্রায় অর্ধেক পাড় করে দেয়,তবুও ঘুম ধারে কাছে আসে না। ছেলে মেয়ে দুটো বিদেশে চলে যাবার পর থেকে ঘুমের সমস্যা শুরু হয়েছে, সেই সাথে একাকিত্বটা খুব পেয়ে বসেছিল। কিন্তু তমশা একাকিত্বের কাছে হার মানেনি,সঙ্গি করে নিয়েছে লেখালিখি। ধুলো জমেছিল কবির কল্পনায়,কবিতা তৈরির মালমশল্লায়। ভালোবাসার গভীর হাত দুটো দিয়ে প্রায় দু’যুগের ধুলো ময়লা,পোকা মাকরের ঘর বসতি সরিয়ে নিজের ভেতরে আবার জায়গা করে দিয়েছে কবিতাকে। গড়ে তুলেছে কবিতার প্রিয় প্রাঙ্গন।

ইদানীং মাঝে মাঝে এমন হচ্ছে,গভীর মনোনিবেশ করে কোন কাজ শেষ করে উঠে দাঁড়াতে গেলে মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠে। প্রেসার বাড়ল কি? নাকি অন্য কোন সমস্যা ! দেখি ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তমাল,তানি প্রায় প্রতিদিনই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য বলে। আজ যাই,কাল যাই করে যাওয়া হয়ে উঠছে না। কাল সকাল হোক,অবশ্য অবশ্যই যাব,পুরো শরিরটা চেক আপ করাব,আর আলসেমি নয়,আপন মনে বলছে তমশা।

কবিতাটি কম্পোজ করাই ছিল,সপ্তাহ খানেক আগে লিখেছিল,এখন কিছু ঘসামাজা করে ফাইনাল টাচ দিয়ে ফেসবুকে আপলোড করল। কবিতা লেখার সময় কবি রুশো রায়হানের কিছু কথা অনুসরণ করে চলে তমশা। যেমন – তিনি বলছিলেন কবিতা লিখেই ছাপতে দেবে না,রেখে দেবে,ছোঁবে না। কবিতাকে জাঁক দেবে। কয়েকদিন পর যখন বের করবে দেখবে কবিতাটি কেমন মাখনের মতো কোমল কোমনীয় হয়ে উঠেছে। তখন কাটতে,ছাটতে আরাম হবে,কবিতাকে তার পরিপূর্ন রূপ দিতে সহজ হবে। আরেকদিন বলছিলেন -খেয়াল রাখবে,কবিতার গায়ে যেন বাড়তি মেদ না জমে। কবিতা হবে মেদহীন সৌন্দর্যের আধার।

মাথার পেছনটা শিরশির করছে,মাথাটা সোঁজা করে রাখতে কষ্ট হচ্ছে,হাত দুটো অবশ লাগছে। এরকম খারাপ তো আগে কখনও লাগেনি,মাথাটা একটু চক্কর দিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। এতদিন কি জানান দিচ্ছিল -তমশা সাবধান হও। কিন্তু তমশা গায়ে মাখেনি,ভেবেছে ও কিছু না।

সিনঙ্গেল মা তমশা,অনেক প্রতিকুলতা,ঘাত প্রতিঘাত সয়ে বাচ্চা দুটোকে বড করেছে। ছেলে মেয়েদেরকে মানুষ করেতে যেয়ে অনেক কঠিন হতে হয়েছে। ব্যক্তি তমশা এত কঠিন স্বভাবের ছিল না। বাস্তবতা ওঁকে কঠিন করেছে। রিপন যখন ছেড়ে গেলো তখন তমালের বয়স পাঁচ আর তানি মাত্র দুই। কঠিন না হলে সিনঙ্গেল মায়ের পক্ষে জীবন চালানো সম্ভব হতো না। রিপনের সাথে সংসারের শুরুটা মধুরই ছিল। বিয়ের বেশ ক’বছর পর যখন তমশা চাকরির সোপান গুলো মসৃন ভাবে অতিক্রম করছিল তখন থেকে গোলযোগটা শুরু,তবে শুরু আর শেষের ব্যবধান খুব কম। দ্রুত অতি দ্রুত বদলে গেলো রিপন এবং রিপনের ভালোবাসার মন্ত্রমুগ্ধতা। মেয়েদের স্বাধীনতায় অবিশ্বাসী ছিল না প্রেমের সময়গুলোতে। পরে তমশার মনে হয়েছে প্রেমের সময়টাতে মেয়েদের স্বাধীনতার পক্ষে থাকার সুবিধা বেশি। রিপনের সুবিধাবাদীতার ভুরি ভুরি উদাহরণ দাড্ করাতে একটুও কষ্ট হবে না তমশার। তবুও উকিলের সামনে শুধু এটুকুই বলেছে – এক ছাদের নিচে বিছানা ভাগাভাগি করে চলা আর সম্ভব নয়। তমশার এগিয়ে যাওয়ার বিরোধিতাই ছিল সম্পর্কের চিঁড ধরানোর মূল কারন। যদিও কখনই রিপন স্বীকার করেনি তমশার চাকরিতে ওর সমস্যা। রিপনের কথা হলো চাকরির সুবাদে পুরুষের সাথে বেপরোয়া মেলামেশায়। আজ এ পর্যায় এসেও খুব হাসি পায় তমশার,যদি সমস্যা নাই থাকত তা হলে ছাডাছাডির ছয় মাসের মধ্যে একজন অল্প বয়সি মেয়েকে ঘরের বৌ করে তুলতে তোমার রুচিতে বাঁধল না ? সে মেয়ে সত্যিকার অর্থে শুধুই ঘরের বৌ। রিপন একটা পূর্ণাঙ্গ মানুষ তোমার বৌ হোক এটা তুমি কখনই চাইতে না। তোমার ইচ্ছে মতো চলবে,হাসবে,খেলবে। তোমার কথা শুনবে এরকম একটা মেয়ে মানুষকে তোমার বৌ রূপে তুমি চেয়েছিলে। তবে আমার সাথে সম্পর্কে কেন জড়ালে ? আসলে তোমার মানষিক বৃদ্ধি কখনই গডপডতার উপরে ছিল না।

তমশা আর মাথা সোঁজা করে রাখতে পারছে না। সব কিছু ঝাপসা লাগছে। হাত পা অবস হয়ে আসছে,খুব দুর্বল লাগছে। সারা শরির জুড়ে কি যেন বয়ে যাচ্ছে। কি হল আমার ? অনেক কষ্টে সময় দেখল রাত দেড়টা। আমার যে খারাপ লাগছে কাউকে বলা দরকার,এতো রাতে কার ঘুম নষ্ট করব? মোবাইলটা হাতে নিল, বড আপা আর মেঝ ভাই ঢাকায় থাকেন,একজন উত্তরা অন্যজন মিরপুর। আর সব ভাই বোন তো বিদেশে পাডি জমিয়েছে। এতো রাতে উনাদের ঘুম ভাঙাবো? হয়তো তেমন কিছু না। কষ্ট করে এতো দুর কলাবাগান আসতে হবে। তাছাড়া ড্রাইভার ডাকাডাকি করে না পেলে শুধু শুধু টেনশন বাড়বে আর কিছু না। তার চাইতে পাশের ফ্ল্যাটের ভাবীকে ডাকব ? নাকি আর একটু দেখব। খাটের পাশের টেবিল থেকে পানির গ্লাস হাতে নিয়ে কতকটুকু পানি খেলো। একটু মনে হয় ভালো লাগছে ! দেখি আরেকটু।

রিপনের সাথে সম্পর্ক শেষ হবার পর ভয় ছিল মনে,যদি ছেলেমেয়ে দুটোকে তমশার কাছ থেকে নিয়ে নেয়। পারবে বুকের মানিক দুটোকে ছেড়ে থাকতে? না,কখনই বাচ্চাদুটোকে ছাড়বে না,কিছুতেই ছাড়বে না। যত রকম আইনী লড়াই আছে করবে তবুও ছাড়বে না। না,লড়াই যুদ্ধ কিছুই করতে হয়নি,রিপন বাচ্চাদের দ্বায়িত নিতে চায়নি। শুধু কিছু অর্থ দিয়ে দায় মুক্ত হতে চেয়েছিল। ফিরিয়ে দিয়েছে তমশা একটা ফুটো কডিও নেয়নি। নিজে খেয়ে না খেয়ে বাচ্চাদের বড করেছে। বাচ্চাদের বড করতে করতে হঠাৎ ভয় ঘিরে ধরে,তবে এবার ভয়ের কারন রিপন নয়,নিজের আত্মজকে নিয়ে ভয়। তমশার পরিচিত একজন সিনঙ্গেল মায়ের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা তমশাকে ভাবিয়ে তোলে। একা মা অনেক কষ্ট করে তার দুই ছেলেকে বড করে তুলছিল। ছেলে দুটোর কাছে আমেরিকা প্রবাসী বাবার ইমিগ্রেশনের টোপ,ত্যাগী মায়ের ভালোবাসার চাইতে বেশি দামি মনে হয়েছিল। ছেলে দুটো এখন মায়ের সাথে সম্পর্ক শেষ করে আমেরিকায় বাবার কাছে চলে গেছে। মা তাকে ছেড়ে যেতে না করেছিল,এই তার অপরাধ। মা কেঁদে কেটে বুক ভাসায়,দেখার কেউ নেই। এদিক দিয়ে তমশা নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করে, তমাল, তানি মাকে ভালো বুঝতে পারে। মায়ের কষ্টের জায়গা গুলো ওদের অপরিচিত নয়। এটুকুতেই তমশার স্বস্তি। আরও খারাপ কিছুও তো হতে পারত। তমশার ছেলে মেয়েরা মায়ের খোঁজ খবর রাখে। প্রতিদিন ওরা অফিস থেকে বাড়ি ফিরে ঘুমানোর আগে মায়ের সাথে কথা বলে। তমশাও সকাল দশটার মধ্যে ছুটা বুয়া বিদায় করে ওদের ফোনের অপেক্ষার থাকে। কথা হয়,কখনও কখনও ভিডিও অন করে নাতি নাতনিদেরকে দেখায়। তমাল তানি ছুটি ছাটা পেলে দেশে আসে মাকে দেখতে,তাই বা কম কি।

তমশা তো ভালোই ছিল,হঠাৎ কি যে হল আজ বুকে কেমন চাপ অনুভব করছে,গ্যাস হলো কি ! পেটে গ্যাস হবার মতো আজ কি খেয়েছে ? কিছুতেই মনে করতে পারছে না, হ্যা মনে পড়েছে,দুপুরে ডাল ভাতের সাথে জলপাইয়ের আচার খেয়েছিল। একটা আ্যন্টাসিড খেয়ে দেখবে,ভাবছে তমশা। অসুধের ব্যাগটা কাছে নিল,একটা আ্যন্টাসিড খেয়ে দেখি,ভালো লাগতে পারে।

তমাল তানি কতবার বলেছে ওদের কাছে কানাডায় যেয়ে থাকতে। এমনকি তমাল কয়েকবার তমশাকে নিতেও এসেছিল,তমশা যেতে রাজি হয়নি,তমালকে একাই ফিরে যেতে হয়েছে। কেন যেন দেশ ছেড়ে যেতে একটুও ইচ্ছে করে না। ছেলে মেয়ে দুটো এতো চাইছে তবুও তমশার মন সায় দেয়নি। আসলে এই বয়সে এসে নিজের গন্ডি ছেড়ে নিজের পরিবেশ ছেড়ে যেতে পারেনি। তমশা জানে ওর মধ্যে কিছু কিছু একগুয়েমি আছে,কিছুটা একরোখা ভাবও আছে। মেঝ চাচার কথাটা কানে বাজে এখনও

তমশা জিদ করিস না,এতো একরোখা মেয়ে আমি আর দেখিনি,ফিরে যা স্বামীর কাছে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে এমন হয়েই থাকে,রাগের মাথায় জামাই বাবাজী….’

বাবাহীন সংসারে মেঝ চাচার তত্বাবধানে থাকলেও তার কথা মতো আর ফিরে যায়নি রিপনের সংসারে। অল্প কিছু দিনের মধ্যে নিজের ভেতর বাইরে গুছিয়ে নিয়ে আলাদা থাকা শুরু করেছে ছেলে মেয়ে দুটোকে নিয়ে। তমশার খুব জানতে ইচ্ছে করে,রিপন তুমি আমার নামে মিথ্যে অপবাদ কেন দিলে? তুমি ভালো করেই জানতে আমি কোন সম্পর্কে জড়াই নাই,জড়ালে তো তাকে নিয়েই সংসার করতাম। তুমি সত্য কথাটা কেন বলো নাই? তোমার চেয়ে আমার এগিয়ে যাওয়াটা তোমার পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব ছিল না। রিপনের চেয়ে তমশার চাকরিটা ভালো ছিল,এটা কিছুতেই মানতে পারছিল না রিপন। যদিও দুজনে সহপাঠী ছিল। নিজ যোগ্যতায় চাকরিটা পেয়েছিলো তমশা। প্রথম দিকে প্রতিদিন কথা কাটাকাটি,বিষয়টা ছিল তমশার চাকরি। কথা কাটাকাটি ঝগড়ায় রূপ নিতে বেশি সময় লাগেনি। তারই এক পর্যায় রিপনের হাত উঠে এলো তমশার গায়ে,এরপর আর এক মুহূর্ত্য দেরি করে নি। বাচ্চা দুটোকে নিয়ে চলে এসেছিল মায়ের কাছে।

আর মাথাটাকে ধরে রাখা যাচ্ছে না। ঘাড়ের পেছনে শির শির করছে। বুকের বা পাশের ব্যাথাটা বুক জুড়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে। দম নিতে এতো কষ্ট হচ্ছে কেন? বাতাসে কি অক্সিজেনের ঘাটতি হচ্ছে? আমি কেন অক্সিজেন টানতে পারছি না। আমার কি হল? তবে কি আমি মরে যাচ্ছি? আমার আয়ু শেষ হয়ে আসছে? শেষ নিশ্বাসটা শুধু বাকি? তমশার মাথাটা কাত হয়ে পরে গেলো বিছানায়,মুখটা খানিক বিস্ফারিত হয়ে আছে, বাতাসের অক্সিজেন টেনে নেবার ব্যাকুলতায়। একটা হাত বিছানা থেকে ঝুলে পড়েছে। অন্য হাতটা মুঠোবন্ধ।
দেখে মনে হচ্ছে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে।

জীবন আর মৃত্যুর বসবাস,এতো কাছাকাছি! কয়েকটা মুহূর্ত্য মাত্র,একটা মানুষ ইহলৌকিক জগত থেকে অন্য আরেক জগতে প্রবেশ করল। যে জগত থেকে আর ফিরে আসা যায় না। তার সব,সব কাছের মানুষ গুলো,প্রিয় জিনিস গুলো যেমনিভাবে ছিল তেমনি পরে রইল। রাত কতো হবে! তিনটা সারে তিনটা। নিসার দেহ পড়ে আছে বিছানায়,পাসে ল্যাপটপ খোলা পড়ে রযেছে। ফেসবুকের পাতায় সদ্য ভুমিষ্ঠ কবিতাটা যেন খল বল করে নিজের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে। পাশে জন্মদাত্রী জন্ম দানের বেদনায় নীল হয়ে পড়ে আছে।

চারিদিকে আলো ফুটতে শুরু করেছে,কয়েকটা মাছি তমশার মুখে এবং শরিরের খোলা অংশে এসে বসছে এবং উড়ছে। নিস্তব্ধ,নিঝুম,নিরব চারপাশ,খানিক পর পর ব্লুপ ব্লুপ শব্দে ফেসবুকের পাতায় কবিতাটিতে ক্রমাগত লাইক আর কমেন্টস পড়ছে।

 

মন্তব্য করুন
Advertisement
অন্যান্য3 days ago

দেশিয় শিল্পীরা এখন চলচ্চিত্র দেখে না, ওদের বয়কট করুন (ভিডিওসহ) – শামীমুল ইসলাম শামীম

জয়া আহসান। ছবি : সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা4 days ago

সার্কাস দেখাবেন জয়া আহসান!

ইথুন বাবু ও আসিফ আকবর। ছবি : সংগৃহীত
সুরের মূর্ছনা4 days ago

১২ বছর পর অভিমান ভেঙে একসঙ্গে ইথুন বাবু ও আসিফ আকবর

কুদ্দুস বয়াতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অন্যান্য4 days ago

কুদ্দুস বয়াতি গুরুতর অসুস্থ

শাকিব খান ও শবনম বুবলী। ছবি : সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা4 days ago

অপু বিশ্বাসের পর শবনম বুবলীকে নিয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজনায় শাকিব খান

ছোটপর্দা4 days ago

ক্যাফে লাভ শর্ট ফিল্মে – মানতাসা

মুনমুন। ছবি: সংগৃহীত
তারকা গসিপ5 days ago

আমাকে সবাই অশ্লীল সময়ের নায়িকা বলে, বিষয়টি ঠিক না : মুনমুন

Udta Punjab ছবির দৃশ্যে আলিয়া ভাট। ছবি : সংগৃহীত
বলিউড5 days ago

এখন প্রেম করছেন, তাই অনেক দেরি করে বিয়ে করবেন

নিজেকে একজন ভালো অভিনয়শিল্পী হিসেবে দেখতে চান সেতু হায়দার
অন্যান্য5 days ago

‘ধোঁকা খেয়ে শক্ত হয়েছি’

মাত্র একমাস আগেই দ্বিতীয় বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর। এরমধ্যেই নাকি আবার নতুন প্রেমে মজেছেন তিনি
তারকা গসিপ5 days ago

আবারও প্রেমে পড়েছেন শ্রাবন্তী!

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য4 weeks ago

‘নায়িকা’ হলেন সোনিয়া খান

শাকিব খান ও রোদেলা জান্নাত। ছবি : ইউটিউভ
বাংলা সিনেমা4 weeks ago

শাকিব খান- রোদেলা জান্নাতের চুমুর দৃশ্য একদিনেই ভাইরাল (ভিডিও)

অন্যান্য3 days ago

দেশিয় শিল্পীরা এখন চলচ্চিত্র দেখে না, ওদের বয়কট করুন (ভিডিওসহ) – শামীমুল ইসলাম শামীম

কবি তুষার কবিরের জন্মদিন আজ
শুভ জন্মদিন3 weeks ago

কবি তুষার কবিরের জন্মদিন আজ

পায়েল মুখার্জি। ছবি : সংগৃহীত
সুরের মূর্ছনা4 weeks ago

খোলাবাহুতে বাংলাদেশ কাঁপাবেন পায়েল মুখার্জি

কথাসাহিত্যে কাব্যচন্দ্রিকা সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিন্স আশরাফ
বিবিধ4 weeks ago

কথাসাহিত্যে কাব্যচন্দ্রিকা সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিন্স আশরাফ

নিজেকে একজন ভালো অভিনয়শিল্পী হিসেবে দেখতে চান সেতু হায়দার
অন্যান্য5 days ago

‘ধোঁকা খেয়ে শক্ত হয়েছি’

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস!
সাহিত্য জগৎ1 week ago

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস! তামান্না জেসমিন।

দীপংকর দীপক
বইয়ের আলোচনা2 weeks ago

বইমেলায় দীপকের চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ ‘হে বঙ্গ’

মুনমুন। ছবি: সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা4 weeks ago

আবারো বাংলা সিনেমায় মুনমুন

শাকিব খান ও রোদেলা জান্নাত। ছবি : ইউটিউভ
বাংলা সিনেমা4 weeks ago

শাকিব খান- রোদেলা জান্নাতের চুমুর দৃশ্য একদিনেই ভাইরাল (ভিডিও)

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য4 weeks ago

‘নায়িকা’ হলেন সোনিয়া খান

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
সুরের মূর্ছনা1 month ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
বলিউড1 month ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
অন্যান্য1 month ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো3 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো4 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো4 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো6 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো6 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বীরেন মুখার্জী
হেড অব মার্কেটিং : দীনবন্ধু রায়
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম