fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

৭ই মার্চের ভাষণ এবং ইউনেস্কোর স্বীকৃতি জাতির জন্য গর্বের | রায়হান আহমেদ

Published

on

৭ই মার্চের ভাষণ এবং ইউনেস্কোর স্বীকৃতি জাতির জন্য গর্বের | রায়হান আহমেদ
৭ই মার্চের ভাষণ এবং ইউনেস্কোর স্বীকৃতি জাতির জন্য গর্বের | রায়হান আহমেদ

সারা বিশ্বের রাষ্ট্রনায়ক, সমরনায়ক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ, সমাজতত্ত¡বিদ, রাজনীতি বিশ্লেষকগণ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ বিচার-বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ণ ৭ই মার্চ,১৯৭১ সাল হতেই করে চলেছেন, এখনো করছেন; আগামী দিনগুলোতেও এ ভাষণ নিয়ে আরো অনেক গবেষণা হবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এমনকি কবি, সাহিত্যিক, শিল্পীদেরও অনেক অমর সৃষ্টি হয়েছে, এ ভাষণের মহিমা ভিত্তি করে। বর্তমান প্রজন্মকে জাতির পিতা সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে অনুসন্ধিৎসু হতে আগ্রহী করে তুলতে তরুণদের প্রতি আবেদন। ১লা মার্চ ১৯৭১ হতেই মতাবান সরকারসমূহ ও বিশ্ব-সমপ্রদায়ের নজর ছিলো ঢাকায়:বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সে সময় এমন ছিল যে,কোনো কোনো বিদেশি পত্রিকাও তখন জানিয়েছিল,৭ই মার্চ শেখ মুজিব হয়তো পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করবেন।১৯৭১ সালের ৫ই মার্চ লন্ডনের ‘দ্য গার্ডিয়ান’,সানডে টাইমস,দি অবজারভার’ এবং ৬ই মার্চ ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’ পত্রিকায় ৭ই মার্চে স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্বাভাস দেয়া হয়। ৬ই মার্চ ৭১ লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ’ পত্রিকায় ছাপা হয় শেখ মুজিবুর রহমান আগামীকাল (৭ মার্চ) পূর্ব পাকিস্তানের একতরফা স্বাধীনতা ঘোষণা করতে পারেন।শেষ পর্যন্ত সবার বলাবলি স্বার্থকে রুপ নিল।আর তারই ফলশ্রুতিতে গত ৩১ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড এর স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। যে তালিকার মাধ্যমে ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ঐতিহ্য সংরণ করে সেখানে বঙ্গবন্ধু এখন থেকে আরো ঔজ্জ্বল্য নিয়ে মূর্ত থাকবেন।

আসলে বিশ্ব ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার একটি আন্তর্জাতিক তালিকাই মূলত মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন অংশের ঘটনার সংরণ ও সবার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে ইউনেস্কো। এই তালিকায় ঠাঁই পেতে হলে পর্যাপ্ত গ্রহণযোগ্যতা ও ঐতিহাসিকভাবে প্রভাব থাকতে হয়। চলতি বছর ২৪ থেকে ২৭ অক্টোবর বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসে আন্তর্জাতিক এডভাইসরি কমিটি। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় ৭ মার্চের ভাষণকে অন্তর্ভুক্ত করার। এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বের মোট ৪২৭টি নথি মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ডে যুক্ত হয়েছে। এর আগে পৃথিবীর অন্যতম একটি ভাষণ হিসেবে এটি স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী ৭ মার্চের ভাষণ কেন বারবার স্বীকৃতি পাচ্ছে? আসলে একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চে বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠেছিলেন বাঙালি জাতির মুক্তির নিয়ন্তা। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে উচ্চারিত-এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ ছিল তাঁর অসামান্য নেতৃত্বের উত্থান-পর্বের শেষ শীর্ষবিন্দু। এই ভাষণেই তিনি সমস্ত বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সশস্ত্র লড়াইয়ে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলেন। প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলা এবং যার যা কিছু আছে তা নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলার মধ্যে স্বাধীনতা অর্জনের সেই সশস্ত্র প্রত্যয়ই ঘোষিত হয়েছিল। এমনকি ‘আমি যদি না-ও থাকি’ কিংবা ‘আমি যদি হুকুম দেবার না পারি’ উচ্চারণের মধ্যে ছিল জাতির মুক্তি আন্দোলনে নিবেদিত অন্যান্য নেতাকর্মী ও আপামর জনতার ওপর নির্ভর করার আত্মবিশ্বাস।একারণেই ১২ মার্চ কর্নেল এমএজি ওসমানীর নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্ত কয়েক হাজার সৈনিক ও সেনা কর্মকর্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার শপথ গ্রহণ এবং ২০ মার্চ ছাত্র ইউনিয়নের ৫’শ ছাত্রছাত্রী নিয়ে গঠিত গণবাহিনীর ১০ দিনের ট্রেনিং শেষে কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করা ছিল বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিক্রিয়ারই অংশ।

অর্থাৎ সেদিন মুক্তির চূড়ান্ত ল্েয জনগণ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত হয়ে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের ল্যই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটি রক্তয়ী যুদ্ধ বাঙালিদের যে করতে হবে তাও তাঁর দূরদৃষ্টিতে ধরা পড়েছিল। মূলত উত্তাল মার্চের বাংলাদেশের প্রথম শাসক ছিলেন বঙ্গবন্ধু। পাকিস্তানি জান্তাদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে যে দ্রোহের আগুনে বাঙালি জাতি সেদিন জেগে উঠেছিল তার কেন্দ্রভূমির নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর নির্দেশ ছিল আদেশের মতো, আপামর জনগোষ্ঠী তা নির্দ্বিধায় মেনে নিয়েছিল; বিশ্ববাসীর সামনে তাঁর প্রতি বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত আস্থা ছিল বিস্ময়কর। কারণ তারা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হতে তখন দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। আর ঘটনার বিচিত্র আবর্তে ষড়যন্ত্রকারীদের কাছে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপসহীন নেতা। কারণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও রাজনীতির দর্শন ছিল মানবপ্রেম।অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র শুরুতে আছে সেই প্রত্যয়-একজন মানুষ হিসাবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালি হিসাবে যা কিছু বাঙালিদের সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা, অয় ভালোবাসা, যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে।’ বঙ্গবন্ধু ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ২১- দফা থেকে শুরু করে ১৯৭৫- এর ১৫ আগস্টের পূর্বদিন পর্যন্ত দেশের গণমানুষের উন্নয়নের কথা বলেছেন।স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের পে ছিল তাঁর রাষ্ট্রনীতি। তিনি সবসময় শোষিতের মুক্তি কামনা করেছেন। আজীবন সংগ্রামে যেমন তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নি; তেমনি স্বাধীন দেশের সমাজকে সকল অপশক্তির কবল থেকে মুক্ত করার জন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা।

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ২১- দফা এবং ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের ৬-দফা কর্মসূচিতেও শোষণের বিরুদ্ধে অবস্থান ঘোষণা করা হয়। ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক ভাষণে বঙ্গবন্ধু সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির কথা বলেন। তিনি দীপ্ত কণ্ঠে উচ্চারণ করেন, ‘আওয়ামী লীগের মাথা কেনার মতো মতা পুঁজিপতিদের নেই।সদ্য স্বাধীন দেশে তিনি শোষণহীন সমাজ গড়ার জন্য ধৈর্য ধরে কাজ করার কথাও বারবার উলে­খ করেন। আত্ম জীবনীর বিবরণ থেকে আমরা জানতে পেরেছি, সাতচলি­শের দেশভাগের আগেই শেখ মুজিবুর রহমান অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন।তিনি বলেছেন, দেশ ভাগের পর ভাষা- আন্দোলন ও ছয় দফা পর্যন্ত যদি বাংলার রাজনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ করো, তাহলে দেখবে অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন বাংলার সুপ্ত চেতনার জন্ম সাতচলি­শের বাংলা ভাগের আগেই এবং সেই চেতনারই প্রথম বহিঃপ্রকাশ আটচলি­শ সালেই অসাম্প্রদায়িক ভাষা- আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। আর ভাষা- আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু। রাজনীতি করতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা ও সংকটময় পথ পরিক্রমা করতে হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমানকে। তবে জনগণের পে কথা বলেছেন তিনি সাহসের সঙ্গে; পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন দৃঢ় চিত্তে। তিনি বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছেন।বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাজনীতির কবি,রাজনীতির প্রকৌশলী নন মুজিব, মুজিব হচ্ছেন রাজনীতির কবি, বাঙালির স্বাভাবিক প্রবণতা প্রায়োগিক নয়,শৈল্পিক।

তাই মনে হয়, বাংলাদেশের সকল মানুষ, শ্রেণি ও মতাদর্শকে এক সূত্রে গাঁথা হয়ত কেবল মুজিবের মতো রাজনৈতিক কবির পইে সম্ভব।বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ‘বাংলাদেশ’ উত্থানের পিছনে একাত্তরের মার্চ থেকে জেগে ওঠা বিদ্রোহী বাংলার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।

অপরদিকে ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসমাবে শে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ’ করা হয়। সেখানে স্পষ্ট উচ্চারণে বলা হয়-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক স্বাধীন বাংলার মহান নেতা হিসেবে স্বীকৃত বঙ্গবন্ধুকে এদেশের জনগোষ্ঠী কেবল নয় বিদেশি শাসকসহ পাকিস্তানি সামরিক জান্তারা উপো করতে সাহস দেখায়নি। বরং জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন দেখে এই মহান নেতার দ্বারস্থ হয়েছে বারবার। কারণ মার্চের প্রথম দিন থেকেই বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ মতো দেশ চলতে শুরু করেছিল। সেদিনের রেসকোর্স ময়দান ও বর্তমানের সোহরা ওয়ার্দী উদ্যানের ৭ মার্চের ভাষণটিকে কেন্দ্র করে দশ লাখেরও বেশি মানুষের সেই সমাবেশ মানব সভ্যতার ইতিহাসের বিরল ঘটনা। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনে ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে জয়ী হয়ে দীর্ঘদিনের শোষণ বঞ্চনা থেকে বঙ্গবন্ধু যখন জনগণের মুক্তির স্বপ্নে বিভোর ঠিক তখনই পাকিস্তানি শাসকচক্র ষড়যন্ত্র করে ১ মার্চ ঘোষণা দিয়ে ৩ মার্চের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী মতা হস্তান্তর করলে ভুট্টো গংদের বঙ্গবন্ধুর কর্তৃত্ব মেনে নিতে হতো। সেটা না মানার জন্যই পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা ভুট্টো বলেছিল তাদের দল বাদ দিয়ে অধিবেশন বসলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত জীবনযাত্রা নীরব নিথর করে দেয়া হবে। ইয়াহিয়া তার হুমকির কাছে মাথা নত করে। আর তার ঘোষণার পরে বাংলাদেশ অগ্নিগর্ভ উত্তাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

বঙ্গবন্ধু তাঁর সারাটা জীবন দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রাপট তৈরি করেন৷শেখ মুজিবুর রহমান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ওই ভাষণ দিয়েছিলেন৷ একদিকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন,অন্যদিকে তাকে যেন বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে অভিহিত করা না হয়,সেদিকেও তাঁর সতর্ক দৃষ্টি ছিল৷তিনি পাকিস্তান ভাঙার দায়িত্ব নেননি৷ তার এই সতর্ক কৌশলের কারণেই ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এই জনসভার ওপর হামলা করার প্রস্তুতি নিলেও তা করতে পারেনি৷ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও শেখ মুজিবকে চতুর হিসেবে উলে­খ করা হয়৷ প্রতিবেদনে এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন,শেখ মুজিব কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গেলো,কিন্তু আমরা কিছুই দিতে পারিনি।

এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ বহুদূর এগিয়ে গেল৷ এটা শুধু বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি নয়, দেশের জন্যও এক বড় স্বীকৃতি৷ এখন এটাকে আরো ছড়িয়ে দিতে হবে৷ বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের নেতা ছিলেন না, তিনি বিশ্বের নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের নেতা ছিলেন৷ ২০১৫ সালে ক্যানাডার একজন অধ্যাপক সারা বিশ্বের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে একটা গ্রস্থ প্রকাশ করেছিলেন সেখানেও বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ ছিল৷ তখন অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি পেলেও এবার পেলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি৷

রায়হান আহমেদ
কলাম লেখক
raihan567@yahoo.com

মন্তব্য করুন
Advertisement
নায়লা নাঈম। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য2 weeks ago

শাকিব খানকে উৎসর্গ করে নায়লা নাঈমের শর্টফিল্ম

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য2 weeks ago

কাজের বিনিময়ে টাকা ইনকাম করাটাই আমার উদ্দেশ্য : সোনিয়া খান

শাকিব খান। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

শাকিব খান বিয়ে করতে যাচ্ছেন এ বছরের শেষের দিকে

ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ছবি : সংগৃহীত
সুরের মূর্ছনা6 days ago

আবারও বিয়ে করছেন ক্লোজআপ তারকা সালমা

মডেল রাজিয়া সুলতানা লিয়া। ছবি : প্রবীর
বিবিধ3 weeks ago

বিয়েতে যেসব আইন-কানুন নিয়ম-নীতি বেদাবেদ আছে বাংলাদেশে

অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য4 days ago

সব ওপরওয়ালার ইচ্ছা : অপু বিশ্বাস

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সঙ্গে একমাত্র পুত্র আব্রাম খান জয়। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ2 weeks ago

আবারও এক হচ্ছেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস !

সাদিকা পারভিন পপি। ছবি : সংগৃহীত
তারকা গসিপ3 weeks ago

চিত্রনায়িকা পপি অবশেষে বিয়ে করছেন 

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের নতুন ফ্ল্যাটে এরপর একে একে উপস্থিত হন নন্দিত নাট্যাভিনেত্রী রুমানা রশীদ ঈশিতা, চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, জনপ্রিয় অভিনেতা-নির্দেশক জাহিদ হাসান, জাজ’র কর্ণধার আব্দুল আজিজ, কোরিওগ্রাফার তানজিল ও তার স্ত্রী লামিয়া, উপস্থাপিকা ফারহানা নিশো, চিত্রনায়িকা পপি, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চিত্রনায়ক ইমন, বাপ্পী, কোরিওগ্রাফার সোহাগ, ফ্যাশন ডিজাইনার রামিমসহ অনেকে। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য1 week ago

বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের ফ্ল্যাটে ঢালিউড তারকাদের মেলা

বাপ্পী চৌধুরী ও অপু বিশ্বাস। ছবি : সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা2 days ago

অবশেষে মাফ চেয়ে পার পেলেন বাপ্পী চৌধুরী

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
সুরের মূর্ছনা12 hours ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
বলিউড14 hours ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
অন্যান্য14 hours ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো2 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো3 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো3 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো5 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো5 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
রূপালী আলো5 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
রূপালী আলো5 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বীরেন মুখার্জী
হেড অব মার্কেটিং : দীনবন্ধু রায়
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম