Connect with us

উপন্যাস

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব-০১

Published

on

মা আমার শ্রাবণের আকাশ মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব-০১

আজকের বাংলা তারিখ কত? মনে থাকে না রাজনের। টেবিলে বিছানো ‘প্রথম আলো’ খবরের কাগজটা হাতে নিয়ে সে দেখল ১৭ শ্রাবণ, ইংরেজি মাসে আগস্টের ১ তারিখ।
তখন বিকেলের শেষভাগ। সন্ধ্যা হতে এখনো প্রায় এক ঘণ্টা বাকি। দোতলার বারান্দায় এসে চেয়ারে বসল রাজন। শ্রাবণের আকাশ। আকাশ জুড়ে নিঃশব্দ রোদ আর কালো মেঘের ভেলার লুকোচুরি খেলা চলছে। কাল রাতে বেশ বৃষ্টি হয়েছিল। আজ হয়নি। নিঃসীম আকাশ জুড়ে টুকরো টুকরো মেঘের ভেলা। চারদিকে বিচ্ছিন্ন মেঘমালা। শুধু এক জোড়া মেঘ পাশাপাশি হাত ধরে উড়ছে। রাজন মনে মনে ওদের নাম দিল ‘মেঘলা’ আর ‘আকাশ’। ওদের সামান্য ওপরে সিকিভাগ সূর্য জ্বলছে তেজহীন ছটা ছড়িয়ে। রাজন গুনে দেখল আটটি সোনালি আলোর বর্ণচ্ছটা। একটু পরে আরো একবার তাকাল আকাশের দিকে। দেখল, এবার আর কোনো মেঘ কারো হাত ধরে উড়ছে না। বাকি মেঘগুলো সব একা।
প্রতি মাসের ১ তারিখ রাজন ওর মায়ের জন্মতারিখের সঙ্গে মিল রেখে গোরস্তানে গিয়ে মায়ের কবর দেখে আসে। ওর মা মারা যাবার পর থেকে গত ছয় মাসে এর ব্যত্যয় ঘটেনি। এক মাস আগে, অর্থাৎ জুলাইয়ের এক তারিখে খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। সেই সঙ্গে ভয়ানক বিজলি চমকাচ্ছিল। এ অবস্থায় কোনো রিকশা পেল না রাজন। কাউনিয়ার বাসা থেকে বরিশাল গোরস্তান খুব একটা দূর নয়। হেঁটে যেতে বড়োজোর ২০ মিনিট লাগে। রাজন রিকশা না পেয়ে হেঁটে হেঁটেই গেল গোরস্তানে। প্রচণ্ড বজ্রপাত হচ্ছিল। স্থানীয় ভাষায় বজ্রকে বলে ‘ঠাডা’। এক রিকশাওয়ালা পর্দা টানিয়ে গুটিসুটি মেরে সিটের ওপর বসে ছিল। রিকশার পর্দা উঁচিয়ে তুলে রাজন জিগ্যেস করেছিল যাবে কি না। রিকশাওয়ালা বলেছিল, ‘বাইরে অনেক ঠাডা ভাই, এহন যামু না।’ না যাওয়ার মোক্ষম যুক্তিই বটে। রাজন বৃষ্টিতে ভিজে হেঁটে হেঁটেই মায়ের কবরে পৌঁছাল।

তখনো সন্ধ্যা নামেনি। তার মায়ের কবরটার চারপাশে বাঁশের বেড়া। বাঁধানো হয়নি এখনো। রাজনের বাবা বলেছেন, বর্ষা চলে গেলে পরে বাঁধাবেন। চারদিক সুনসান। বেড়ার ফাঁক দিয়ে ঢুকে মায়ের কবরের পাশে এসে উপুড় হয়ে সটান শুয়ে পড়ল রাজন। ওপরে বিশাল আকাশ জুড়ে তখন রিমঝিম বৃষ্টি কোনাকুনি সরলরেখার মতো আছড়ে পড়ছিল ওর গায়ে। রাজন শুয়ে দুহাতে কবর আঁকড়ে ধরল, যেন মায়ের গলা জড়িয়ে ধরল সে। বলল, ‘মা আজ আমি চব্বিশ বছরের যুবক। আমাকে চব্বিশটা চুমু দাও।’
প্রতিবছর ওর মা ওদের তিন ভাইবোনকে বুকে জড়িয়ে ধরে ওদের জন্মদিনের সমান সংখ্যায় চুমু দিতেন কপালে আর গালে। গত বছর পয়লা জুলাই ওকে তেইশটি চুমু দেবার পর মা বলেছিলেন, ‘বিরক্ত হবি না। তোদের বয়স একশ হলেও আমি গুনে গুনে একশটা চুমো দেব।’
খোলা আকাশের নিচে আর বৃষ্টির তোড়ে রাজন সেদিন ওর মায়ের কাছে ফিসফিস করে জানতে চাইল, কেন তেইশেই থেমে গেল মায়ের আদর-ভালোবাসা?’
অঝোর ধারার বৃষ্টির নিচে মায়ের কবরের পাশে অনেকক্ষণ শুয়ে ছিল রাজন। বৃষ্টির তীব্র ধারা প্রকৃতিকে টের পেতে দেয়নি রাজনের নোনা অশ্রু। ধুয়েমুছে দিচ্ছিল ওর কান্না। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির গান ছাপিয়ে মাগরিবের ক্ষীণকণ্ঠের আজান ভেসে এল ওর কানে।

রাজনের মতো ওর মায়ের জন্মতারিখও মাসের পয়লা তারিখ, তবে মাসটা ভিন্ন। ছোটোবেলায় রাজনকে কোলে নিয়ে গর্ব করতেন মা। ঠাট্টাও করতেন, ‘আরো তিন মাস আগে হলি না কেন?’ এপ্রিলের ১ তারিখে মায়ের জন্ম। মাকে ছোটোবেলায় তার ভাইবোন, পড়শিরা মজা করে ‘এপ্রিল ফুল’ বলত। কিন্তু নানা বলতেন ‘এপ্রিল ফাওয়ার’। রাজনের মা খুব রূপসি ছিলেন। তাঁর নাম আসিফা আশরাফী। ব্লাড গ্রুপ এ পজিটিভ। মায়ের কাছে রাজন শুনেছে, নানা বলতেন মায়ের সবকিছুই ‘টপ’। তার নামের ইনিশিয়াল ‘এএ’, ব্লাড গ্রুপ এ+, জন্মমাস এপ্রিল- ‘এ’ দিয়ে শুরু, জন্মতারিখ ১। তার ধারণা, এই মেয়ে একদিন দুনিয়া কাঁপাবে। কিন্তু দশম শ্রেণির ছাত্রী থাকা অবস্থায় তাঁর বিয়ে হয়ে যায় রাজনের বাবা হাসান আহমেদের সঙ্গে। বিয়ের তিন বছর পর কোল জুড়ে আসে রাজন, তাঁদের প্রথম সন্তান। একমাত্র মেয়ে সুমির জন্ম আরো দুই বছর পর। সবার ছোটো সাবির। রাজনের সাত বছরের ছোটো। বিয়ের পরও রাজনের ব্যবসায়ী বাবা রাজনের মায়ের পড়াশোনাটা বন্ধ করেননি। চলতে থাকে তাঁর লেখাপড়া। রাজন পেটে থাকা অবস্থায় ওর মা এইচএসসি পরীক্ষা দেন। এরপর এক বছর বিরতি দিয়ে আবার পড়াশোনা শুরু করেন। ইতিহাসে অনার্স-মাস্টার্স করেন  প্রখ্যাত বরিশাল বিএম কলেজ থেকে। সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ থেকে ডিগ্রি অর্জনের পর মায়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল, নিজের সন্তানদের প্রথম শিক্ষক হবেন তিনি। রাজনের তিন ভাইবোনের কাস এইট পর্যন্ত কোনো গৃহশিক্ষক ছিল না। ওদের মা-ই ওদের প্রথম শিক্ষক।
রাজনের মা হৃদ্রোগে মারা যান ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখে। সেদিন মা টেবিলে দুপুরের খাবার সাজিয়ে জোহরের নামাজ পড়তে যান। নামাজ পড়া অবস্থায় আচমকা তাঁর বুকে ব্যথা ওঠে। ক্লিনিকে নেওয়ার আগেই তিনি চলে যান না-ফেরার দেশে। পঁয়তাল্লিশতম জন্মবার্ষিকীর আগেই রাজনের মা মারা যাবার পর তাঁর বেনামাজি বাবা কেমন বদলে যান। ধর্মভীরু হয়ে ওঠেন। তিনি এখন দাড়ি রেখেছেন, সব সময় টুপি পরে থাকেন, নিয়মিত চিল্লায় যান। অনভ্যস্ততার কারণে তিনি সকালবেলা বানান করে করে কোরান পড়েন। তার বেডরুমে রয়েছে বাংলায় অনূদিত কোরান আর হাদিসের গাদা গাদা বই। এসব দিয়েছেন রাজনের ছোটো মামা রাজু ।
রাজন বুয়েটে পড়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। ফাইনাল ইয়ারে উঠেছে এবার। ঢাকায় থাকে। শহীদ স্মৃতি হলে থেকে পড়াশোনা করে। মা মারা যাওয়ার পর প্রতি মাসের শেষ দিন নাইট কোচে বা লঞ্চে বরিশাল চলে যায়। দুই দিন বরিশাল থেকে আবার চলে আসে ঢাকায়। এজন্য গত পাঁচ-ছয় মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা মিস করেছে সে।

ফিরে আসি আজকে অর্থাৎ ১৭ শ্রাবণ, পয়লা আগস্টে। কাল রাজন আবার ঢাকা যাবে সকালের বাসে। আজ বিকেলে মায়ের কবরে গিয়েছিল সে। আজ বৃষ্টি ছিল না। এখন সন্ধ্যা হবে হবে। শ্রাবণের আকাশ, কিন্তু আজ কোনো মেঘ নেই। পরিষ্কার আকাশ। একটু পরে আকাশ জুড়ে রুপালি তারা ফুটে উঠবে। রাজন খুঁজে বের করবে সবচাইতে উজ্জল রুপালি শুকতারাটাকে। সে ওই তারাটার নাম রেখেছে ‘রুপা’। বারান্দায় বসে থাকতে থাকতেই দোতলায় এল সুমি। সুমি বরিশাল বিএম কলেজে ইংরেজিতে অনার্স পড়ছে। ওর এখন দ্বিতীয় বর্ষ চলছে। সামনে ফাইনাল।
সুমি বলল, ‘ভাইয়া, চা খাবা? পাপড় ভেজেছি, দেব এখন?’
‘নামাজের পরে দে।’
‘তুমি নামাজ পড়বা!’ অবাক হলো সুমি। ও আরো কিছু বলতে চাইছিল, কিন্তু ভাইয়ের হাতে ‘সহজ নামাজ শিক্ষা’ বইটা দেখে ওই বিষয়ে আর কিছু বলল না।
‘তোমার একটা প্যান্ট আর শার্টে দেখলাম কাদা মাখানো। ধুয়ে রেখে দেব, পরের বার এসে নিয়ে যেয়ো।’
‘আচ্ছা।’
‘আজকেও কি মায়ের কবরে গিয়ে শুয়ে ছিলে?’ বোনের কথায় খুব বেশি অবাক হলো না রাজন। সে বুঝতে পারে, ওর বোনটা সবকিছু খেয়াল করে, মায়ের স্বভাব পেয়েছে।
‘না, তবে কবরস্থানে যেতে অনেক কাদা ছিল।’
‘আমাকে একবার নিয়ে যাবা?’
‘রাজু মামা বলেছেন, মেয়েদের কবর জিয়ারত করা নিষেধ।’
‘জিয়ারত করব না, রিকশায় বসে দেখব শুধু।’
ওরা কথা বলতে বলতে মাগরিবের আজান ভেসে এল।

নামাজ শেষে নিহার ফুপু আর সুমির সঙ্গে চা খেতে খেতে গল্প করল রাজন। নিহার ফুপু রাজনের বাবার একমাত্র বোন। বয়সে ওর বাবার চেয়ে অনেক বড়ো। একাত্তরের বিজয়ের ঠিক পরদিন ১৭ ডিসেম্বর বরিশাল জিলা স্কুলের শহিদ মিনারে নিহত হন। সেখানে স্বাধীন বাংলার পতাকা ওড়াতে গেলে গুপ্ত অবস্থান থেকে নিহার ফুপুর স্বামীকে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাত কোনো রাজাকার। একটা গুলি তাঁর বুক বিদীর্ণ করে দিয়েছিল। তাঁর মুখে ফুটে উঠেছিল এক চিলতে হাসি। তাঁদের একমাত্র ছেলে এরিখ তখন মাত্র কয়েক মাসের শিশু। এরিখকে সবাই তাই একাত্তরের প্রজন্ম বলে। নিহার ফুপু প্রথম যখন মৃত্যুসংবাদটা শোনেন, তাঁর হাত থেকে গ্লাস পড়ে গিয়েছিল। দুই হাতে তিনি এরিখকে আরো জোরে আঁকড়ে ধরেছিলেন। কোনো বিলাপ করেননি। ফুপু নির্বাক হয়ে গিয়েছিলেন। বাসায় মৃতদেহ নিয়ে আসার পর ফুপু পরম মমতায় তার স্বামীর মাথায় হাত বোলাচ্ছিলেন আর ভাবলেশহীনভাবে আড়াআড়ি না-সূচক মাথা নাড়াচ্ছিলেন। সবাই চাইছিল ফুপু কাঁদুক। আলফ্রেড টেনিসনের কবিতার মতো শিশু এরিখকে তার কোলে তুলে দেওয়া হলো। ফুপু তবুও কাঁদলেন না। এরিখ বড়ো হয়ে সেনাবাহিনীর এক টিভি ম্যাগাজিন অনষ্ঠানে আলফ্রেড টেনিসনের ‘হোম দে ব্রট হার ওয়ারিয়র ডেড’ কবিতাটি ওর নিজের অনূদিত বাংলায় আবৃত্তি করেছিল। শুধু সেই দিনই ওর মায়ের দুই চোখে নেমে এসেছিল শ্রাবণের ধারা।

এরিখ এখন সেনাবাহিনীতে প্রতিভাবান এক সেনা কর্মকর্তা। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হয়েছে কিছুদিন আগে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাফসান আমিন খান। এরিখের বাবা ফিরোজ আরহাম খানের দেওয়া নাম এটা। রাজনের ফুপু ছেলের কাছে মাঝে মাঝে বেড়াতে যান। কিন্তু বেশিদিন থাকেন না। বরিশালের বাইরে তিনি কখনো এক মাসের বেশি থাকেন না। এরিখের বাবার কাছ থেকে দূরে থাকতে পারেন না তিনি। মাত্র দুই বছরের স্থায়ী ছিল তাঁদের সংসার। অথচ হৃদয়ের আনাচকানাচ বিশাল আকাশের মতো নীল শামিয়ানা টেনে অনন্ত ভালোবাসার চাদরে ঢেকে রেখেছেন। তাঁর ভালোবাসার এই প্রিয় মানুষটার জীবনচরিত নিয়ে যুগের পর যুগ ফুপু একটা উপন্যাস লিখেছিলেন- ‘প্রিয় অপেক্ষা আমি আসছি’। তাঁর প্রকাশিত একমাত্র বই। প্রচারের ব্যবস্থা করতে পারলে হয়তো বইটা অনেক বাজারজাত করা যেত। রাজনের বাবা একাই প্রায় ২০০ বই কিনেছিলেন। নিজে আর রাজনকে দিয়ে প্রিয়জনদের উপহার দিয়েছেন।
নিহার ফুপুকে বরিশালের প্রায় সবাই চেনে। তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠানে প্রধান বা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। স্বামীর গর্বিত মৃত্যু ছাপিয়ে বিদেহী স্বামীর প্রতি তাঁর নিঃসীম ভালোবাসা আর সন্তানের জন্য নিজের জীবন সঁপে দেওয়ায় তাঁকে আরো বেশি পরিচিতি করেছে।

রাজনের মা মারা যাবার পর ফুপু একদিন ওদের বাসায় এসে রাজনের বাবাকে ডেকে পাঠালেন। রাজনরা সব ভাইবোন বাসায় ছিল। ওই তিন ছেলেমেয়ের সামনে সবাইকে হকচকিয়ে দিয়ে চড় মেরে বসলেন অতি আদরের ছোটো ভাইয়ের গালে।
‘ঠিক করে বল হাসান, তুই কি মজিবর রিকশাওয়ালাকে দিয়ে গাঁজা কিনেছিস? বল কী করেছিস ওগুলি দিয়ে?’
‘আমার জন্য, আমি খাব এই জন্য।’ চড় খাবার অপমান আর উষ্মার বদলে নির্বিকার জবাব রাজনের বাবার।
‘তোর এখন পঞ্চাশের ওপরে বয়স, এটা কি নেশা করার সময়? জীবনে তো বিড়ি-সিগারেটও খাসনি।’
‘কষ্ট আপা, কষ্ট। মদ তো হারাম। আর কী খাব বলো?’ সহজ-সরল রাজনের বাবার আবেগপূর্ণ নিষ্পাপ উত্তর।
‘আর এইসব তো বেহেশতের হালুয়া!’

নিহার ফুপু রাজন, সুমি আর সাবিরকে বুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন কিছুক্ষণ। রাজনরা কখনো নিহার ফুপুকে কাঁদতে দেখেননি। আড়ালে তাকে ওরা ডাকত ‘কঠিন ফুপু’ বলে।
নিহার ফুপু রাজনের বাবাকে বললেন, ‘ব্যবসা অনেক করেছিস, এখন একটু নামাজকালামে মন দে। রাজুর সঙ্গে মাঝে মাঝে চিল্লায় যা।’
রাজনের বাবা রাজি হয়েছিলেন নিহার ফুপুর এই প্রস্তাবে। তবে বাবা দুটি শর্ত দিয়েছিলেন। প্রথম শর্ত, নিহার ফুপুর বাকি জীবন রাজনের বাবার এই বাসায় কাটাতে হবে। সুমিকে নিজের মতো করে সুপাত্র খুঁজে বিয়ে দিতে হবে। আর দ্বিতীয় শর্ত, রাজনের বাবাকে কেউ কখনো পুনর্বিবাহের কথা বলতে পারবে না।
এ নিয়ে অনেক তর্কবিতর্ক হয়েছে দুই ভাইবোনের মধ্যে। দীর্ঘ তর্কের শেষে নিহার ফুপু রাজনের বাবার দুটি শর্তই মেনে নিলেন। এরিখকে বলে ফুপু তাঁর নিজের বাড়ি ভাড়া দিয়ে ভাইয়ের বাসায় উঠে পড়লেন। বাড়িভাড়ার অর্জিত সব টাকা তিনি দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কল্যাণ তহবিলে দান করে দিলেন।

চলবে…

Leave a comment

Advertisement Rupalialo Ads
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement
Advertisement

বিনোদনের সর্বশেষ খবর

টেলিভিশন8 hours ago

নতুন ধারাবাহিকে কল্যাণ কোরাইয়া

নির্মাতা সুমন আনোয়ারের নতুন ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন সুঅভিনেতা কল্যাণ কোরাইয়া। বৈচিত্র্যময় চরিত্র রূপায়নের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে দর্শকের আসনে পাকাপোক্ত...

টেলিভিশন9 hours ago

তানভীর মাসুদের ‘আয়না আদল’

নূরুল আলম তৌফিক এর রচনায় ও প্রীতম দ্বীপের পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে ‘আয়না আদল’ নামক একটি খণ্ড নাটক। এ সপ্তাহে নাটকটির...

মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ মডেল : জায়েদ খান এবং সাইমা রুশা মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ মডেল : জায়েদ খান এবং সাইমা রুশা
সঙ্গীত7 days ago

মুক্তি পেল জায়েদ খানের নতুন মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ ( ভিডিও সহ )

মুক্তি পেল জায়েদ খানের নতুন মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ সঙ্গীত মিউজিকের ব্যনারে ।সিলেটের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী জায়েদ খান পেশায় ডাক্তার...

পূর্ণ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন পূর্ণ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন
সঙ্গীত2 weeks ago

`পূর্ণ’ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন

`পূর্ণ’ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন শুদ্ধ সঙ্গীতের শূন্যতা যাদের মনে পীড়া দেয় তাদের কাছে এক ধরনের পূর্ণতা নিয়ে আসছেন...

গ্লিটজ2 weeks ago

নতুন দুটি শর্ট ফিল্ম

আল আমিন এইচ রুবেল অভিনয় শিল্পী হিসেবে বিশেষ পরিরচিত। অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ , আপন রানা , নাসিম সাহনিকসহ বেশকিছু...

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয় অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয়
ফিচার3 weeks ago

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয়

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয় এস কে দোয়েল অভিনয় তার নেশা-পেশা। হাসাইতে হাসাইতে হার্টবিট বাড়িয়ে দেয় দর্শকদের। কাজ করেন চট্টগ্রামে...

tamanna-bhatia-bahubali. tamanna-bhatia-bahubali.
বলিউড4 weeks ago

তৈরি হচ্ছেন তামান্না

চরিত্রের চাহিদা মেটাতে নিজেকে নানান ভাবে ভাঙ্গেন গড়েন তারকারা। তবে নিজেকে প্রস্তুত করতে এবার সুদুর ফ্রান্সে পাড়ি জমিয়েছেন দক্ষিণের সুন্দরী...

শ্রাবণী পুষ্প। ছবি : সংগৃহীত শ্রাবণী পুষ্প। ছবি : সংগৃহীত
সঙ্গীত4 weeks ago

পুষ্পর সোনা জাদুরে

সময়ের অন্যতম মডেল-অভিনেত্রী শ্রাবণী পুষ্প। সম্প্রতি কাজ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সন্দীপনের গাওয়া ‘সোনা জাদুরে’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে। এই...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত