Connect with us

উপন্যাস

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৪

Published

on

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৪

 গত সংখ্যার পর

মা আমার শ্রাবণের আকাশ  মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস  পর্ব -০৪

মা মারা যাবার পর সাবির আর কোনো কবিতা লিখেনি। তবে স্কুলের ম্যাগাজিনে একটা মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গল্প লিখেছিল মুক্তিমাতা গল্পে টাঙ্গাইলে উনিশ বছরের ছেলে জয় তার বাবার সাথে মুক্তিযুদ্ধে যেতে চাইলো। কাদেরিয়া বাহিনীর সাথে মিলে যুদ্ধ করবে।  অল্প বয়সের কারণে বাবা অনাগ্রহ দেখালেও মা তাকে অনুমতি দিলেন।  বাপ-ছেলে কথা দিলো দেশ স্বাধীন করে ফিরবে তারা।  মাকে রেখে যুদ্ধে গেলো। মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাবা-ছেলে ফিরে এলেন ঠিকই কিন্তু মা তার কথা রাখেননি।  মা থাকেননি।  একদিন হানাদার বাহিনী জয়ের মাকে ধরে নিয়ে যায়।  সাহসিনী মা পাক বাহিনীর ক্যাম্পে কৌশলে একটা শক্তিশালী গ্রেনেডের পিন খুলে ফেলেন। চারজন হানাদার সহ ক্যাম্পকে উড়িয়ে দেন তার মা। আহত হয়ে পালিয়ে বেঁচে যান আর একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। আর শহীদের খাতায় নাম লিখে নেন জয়ের মা। 

এই গল্পটি পরে বরিশাল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ শ্রেষ্ট কিশোর উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।  বার্তাটি হাতে পাবার পর রাজনের বাবা সন্ধায় চলে এসেছিলেন বাসায়। উত্তেজনায় ছটফট করছিলেন। ‘সুমি’কে মাঝে মাঝে ‘আসু’ (রাজনের মার আদরের নাম) বলে ডাকছিলেন। তিনি ওই রাতেই রেবার মাকে তার বাসায় সপরিবারে নিয়ে এসেছিলেন সুমি আর নিহার ফুপুকে স্পেশাল রান্নায় সহায়তা করার জন্য।  অনেক রাত পর্যন্ত রান্না করেছিলেন তিনি।  শিউলিদের বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ওদের পড়াশুনার ব্যাঘাত হতে পারে এই ভেবে ডাকলেন না।  নিহার ফুপু বললেন ‘আগামী শুক্রবার ওদের দুপুরে খেতে বলব’। 

রাতে রেবার মা পরিবার নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন উপরের একটা রুমে।  তার মেয়ে ৮-৯ বছরের রেবা অনেক কথা বলল।  রাজনের বাবাকে জিজ্ঞাসা করল কাল বেইন্যা কালে উইড্ডা কি মোরা থাকমু না চইল্লা যামু?’

ওর বাবার কাছে জানতে চাইল আব্বা মোরা বড়লোক না ক্যা?’

সুমিকে বলেছিলো মোর মায় বুড়া হইয়া গ্যালে মোরে এই বাড়িতে কাম হরতে দেবেন?’

তাজমহলের পাশে রাজনের মা ও বাবার একটা যুগল ছবিতে মার ছবি দেখিয়ে রেবা বললো খালাম্মাডা মোর কাওলা দেখতে গেছিল মোগো বাসায় আউখের রস লইয়া,হাচা না মা! খালাম্মাডা না মরলে আমার হাত কাডাডাও দ্যাখতে যাইতোদেহেন দাগকতহানি কাইট্টা গেছে” বলে রেবা ওর হাতের ক্ষত দেখালো।

রেবার বাবা চেয়ার-টেবিলে বসে খেতে খুব অস্বস্তি বোধ করছিলেন।  কিছুক্ষন পরপর শুধু শুধু গলা কাশি দিচ্ছিলেন। বাবার সব প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত মনে হরেন’ শব্দদুটি যোগ করছিলেন।  যেমন বাবা জানতে চাইলেন কাজ শেষে আপনি বাসায় ফেরেন কখন?’ উনি উত্তর দেন মনে হরেন মুই একবেলা রিসকা চালাইকহনো মনে হরেন সন্ধায় বাড়তে যাই কহনো মনে হরেন যেদিন দুইবেলা থাহে রাইত তামাইত কাম হরি

খাবার শেষে রাজনের বাবা বললেন ‘পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আমি একটা বক্তৃতা দিতে চাই। ’

নিজেকে আবার শুধরে নিলেন ‘মানে একটা বক্তব্য দিতে চাই।  আমি গুছিয়ে কথা বলতে পারি না। তাই আমি আমার লিখিত বক্তব্য পড়ে শুনাবো| সাবির বাবা তুই আবার ভিডিও করিস না। এখন আর কি লাভ?’ বলতে বলতে তার গলাটা ধরে আসলো অভিমানে আটকে গেলো শেষ লাইনটা| আবেগী রাজনের বাবা সামলাতে পারেলেন না।  ডুকরে কেঁদে উঠেই আবার নিজেকে ঠিক করে নিলেন। 

রাজনের বাবা বললেন ‘আজকের আগত মাননীয় অতিথিবৃন্দ রেবার মা, তার স্বামী আক্কাস আলী, তাদের সন্তানেরা, আমার প্রিয় ভগ্নী নিহার আপা, আমার তিন দুধের বাচ্চা, সবাইকে আসসালামু আলাইকুম।  আজকের এই আনন্দের দিনে আমি আনন্দের সাগরে ভাসতে পারছি না, আবার আমি দুঃখও করতে পারছি না। আজ আমার ‘আসু’ নাই| থাকলে ও আজকে ওই সোফায় বসে থাকতো| আমি বক্তৃতা বা কথা বলতে গেলে যাতে নার্ভাস না হয়ে পরি, ও ওখানে বসে হাসিমুখে মাথা নাড়াতো| আজ আমি ওকে দেখতে পাই না| কিন্তু আমি জানি আল্লাহ চাইলে আমি ওর সাথে দেখা করতে পারি। কিন্তু আমার দুধের বাচ্চাদের জন্য আমার এই রাস্তা বন্ধ।  আমাকে কখনো ওদের মা আগে চলে যাবার ভয় দেখাত না।  ওদের মা আমাকে বলতো আমি নাকি দুনিয়ার সবচাইতে ভালো মানুষ। আমি কখনো কবিতা লিখিনি।  অনেক চেস্টা করে একটা কবিতা লিখেছি। ’

‘আমার বক্তব্য এখানে শেষ। কবিতা পড়ে শুনানো বাকি আছে।  এখন এটা পড়ে শুনাবো।  সবাইকে ধৈর্য ধারণের জন্য ধন্যবাদ’

রাজনের বাবা কবিতা পড়ে শুনালেন,

‘তুমি আমার বাঁধন ছেড়ে চলে যাবার পর

একশবার রাতের আঁধার শেষে,

সূর্যের আলোর চাদর পরে প্রভাত নেমেছে,

তবুও অমানিশা অন্ধ্যকারে ঢেকে থাকে আমার দিন।

তুমি ছিলে আমার সন্ধ্যাতারা, শুকতারা,

আমার পথদিশারী

জ্বলজ্বলে রুপালী ধ্রুবতারা।

অথচ আমার এখন শ্রাবনের আকাশ,

অপয়া মেঘলার দল ঢেকে রাখে,

হারিয়ে ফেলি পথের দিশা।

এই আমি এখন

কীভাবে যে থাকি… ‘

রাজনের বাবা পুরো কবিতাটা পড়তে পারলেন না। মাঝপথে আনমনা হয়ে থেমে গেলেন। বসে পড়লেন চেয়ারে। সুমি আর রাজন নির্বাক বাবার দিকে তাকিয়ে থাকলো। সাবির উঠে পাশের রুমে চলে গেলো। নিহার ফুপু তার ভাইর কাছে তার মাথায় হাত দিয়ে বললেন ‘এরকম করিস না হাসান, আল্লাহ নারাজ হবে। আমার জীবনের দিকে তাকা, কখনো কখনো ‘কষ্ঠ’ তো অপেক্ষার আরেকটা নাম। আর কবিতা লিখিস না। অপেক্ষাকে বল ‘আমি আসছি’।

খাবার শেষে নিহার ফুপু সবাইকে মিষ্টান্ন খেতে দিলেন।

বাইরে গিয়ে রেবার বাবাকে সিগারেট অফার করলেন রাজনের বাবা। রাজনের বাবা সারা দিনে রাতের খাবার পর একটাই সিগারেট খান। সুমিকে লুকিয়ে তিনি সিগারেট খান। আজকে সুমির কাছ থকে পূর্বানুমতি নিয়েছেন। রাজনের মা মানা করলে বলতেন পুরা দিনে একটাই তো খাই। আমি তো নন-স্মোকার প্লাস ওয়ান

সিগারেট অফার করায়রেবার বাবা কাচুমাচু ভঙ্গিমায় বললেন মোর অভ্যাস নাই ভাইজান।’ রেবার মা পাশে ছিলেন। উনি বলে উঠলেন হ কইছেলে! ভাইজান ওনার কথা বিশ্বাস কইরেন না। হারাদিন শুধু কারিকর বিড়ি ফোহে।আমনের ডে মিথ্যা কথা কইছে

দুজনেই সিগারেট ধরালো। বেনসন সিগারেট। রেবার বাবা সিগারেট টান দিবার সময় অন্য দিকে মুখ করে টান দিতেনধুঁয়াও ছেড়ে দিতেন আড়াল করে যেন রাজনের বাবার অসন্মান না হয়।

ফিরে আসি আজকে আবার। রাজনকে আগামীকাল সকালের বাসে  ঢাকা চলে যেতে হবে। রাত এগারটার দিকে বাবা মোবাইলে কল করলেন। জানতে চাইলেন এগারোই আগস্ট আসবি?’

বাবা ঐদিন কুইজ না থাকলে আসব। এখনো ডেট পাইনি

ঢাকা থেকে আসছিস কিসে?’

বাসে।লঞ্চে না বাবা।

ওয়েদার খুব খারাপ। আমি তোরে বলছি বর্ষাকালে প্লেনে আসবি। আমি কামাই করি কি জমানোর জন্য?’ বাবার অভিমানী প্রশ্ন।

বাবা বিমান তো সপ্তাহে দুইদিন চলে

পরীক্ষা না থাকলে এগারো তারিখ সকালে বিমানে আসবিসন্ধ্যাবেলা আবার যাবি। আমি দুপুরে কেককাটা আর খানাপিনার ব্যবস্থা করবো

আচ্ছা বাবা।

কিছুটা থেমে রাজন বললো বাবা?’

কি বল?’

হোয়াটস অ্যাপে তোমার একটা ছবি পাঠাবা। তোমার দাড়ি কত বড় হলো দেখি

আমার প্রোফাইল ছবিতে তো দেয়া আছে

না ওটা বদল করে তুমি সাড়ে তিন হাত মাপের একটা খালি কবরের ছবি দিয়েছ

ও আচ্ছা! রাজু চেন্জ করে দিয়েছে। আমি এখন মসজিদের ভেতর। ছবি তোলা নিষেধ! তুই একটু দাঁড়া! বাইরে গিয়ে তুলে পাঠাচ্ছি। দেখার পর ডিলিট করে দিস।

রাজনের বাবা প্রায়ই সেলফি তুলে ওর মাকে হোয়াটস অ্যাপে বা ভাইবারে পাঠাতেনআমি এখন এইখানেওইখানে ইত্যাদি। কিছুদিন পরপর মা সাবিরকে বলতো দেখতো আমার মোবাইলটা এতো স্লো কেনো?’ সাবির দেখে বলতো মা তুমি এত ছবি গ্যালারিতে রেখেছো কেন?’

রাজনের মা তার স্বামীর পাঠানো ছবিগুলি ডিলিট করতেন না। সাবির ওর ল্যাপটপে সেইভ করার পর ডিলিট করতেন।

বিছানায় শুয়ে রইলো রাজন। ও দোতলায় ঘুমায়। একা। ও না থাকলে উপরতলা খুব একটা ব্যবহার হয় না। ঘুম আসছে না। রাত এগারটার কিছু বেশি বাজে। মতিকে কল করলো। ও আমানতগঞ্জ থাকে।

কই তুই ব্যাডা?’ মতির প্রশ্ন।

বরিশাল। বাসায় এখন।

কখন আইস-যাইস টেরই পাই না। কাম সাইরা দুপুর বারোটার দিকে আসব। থাকবি?’

না রে দোস্তো। কাল ঢাকা যাব। সকাল সাড়ে সাতটায় আমার বাস

আবি কবে আবার?’

৩১ তারিখ। দুই সপ্তাহ থাকব

সকালে গৌরনদী যাব। আমার ওই জায়গায় একটা কাম চলে। তুই সাতটায় রেডি থাহিস।  যাওযার পথে আমি তোরে বাসস্টান্ডে নামাইয়া দিব

আমার ছোট একটা ব্যাগ আছে। মোটর সাইকেলে নিতে পারবি?’

পারা যাবে।

তুই আর একটু আগে মানে সাড়ে ছয়টায় আয়। নাস্তা খাবো একসাথে।

হুমমম… ঠিক আছে।

হালকা নীলআলোর ডিম লাইট জ্বালিয়ে শুয়ে পরলো রাজন।মাকে স্বপ্নে দেখলো ওই রাতে। দেখলো, ওরা সবাই ড্রইং রুমে বসে আছে। সন্ধ্যাবেলা । বাসায় বিজলী নেই,লোডসেডিং চলছে। মোমবাতির আলোয় ভরে আছে রুমটা। মা চার্জার লাইটের আলো সহ্য করতে পারতেন না। বিজলী চলে গেলে মোমবাতি জ্বালাতেন সব সময়। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে। মা বাবার পাশে বসা। বাবাকে জিজ্ঞাসা করছেন কারেন্ট গেলে তোমরা এখনো মোমবাতি জ্বালাও?’

মা আদর করে বাবার ছোট দাড়িতে হাত বুলাচ্ছেন। কাঁচা-পাকা দাড়ি বাবার। মা বললেম সুমি দেখতো তোর বাবাকে! কি সুন্দর লাগছে নতুন দাড়িতে!

রেবার মা’ খালা কাপে চা ঢালছেন। সুমি মার পাশে তার কোমর ধরে ঘাড়ে মাথা ঠেকিয়ে বসলো। সাবির চায়ে এক চুমুক দিয়ে মাকে চিত্কার করে বললো মাচায়ে চিনি বেশি। মিস্টি কমিয়ে দাও

ঘুম ভেঙে গেলো রাজনের। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলো রাত দুটো বাজে। দরজা খুলে বাইরে এলো। শ্রাবনের আকাশ। এখন আর তারা দেখা যাচ্ছে না। আকাশে অনেক মেঘ জমে গেছে। রাজনের রুপা‘ নামের মিস্টি রুপালি তারাটিকে আর দেখা যাচ্ছে না। ও আছে, সবসময় থাকেকিন্তু এখন ও মেঘে ঢাকা তারা। বাবার কবিতার মত।ওকে সবসময় দেখা যায় না। আবার মর্জি হলে ও আসবে। এখন খুঁজে লাভ নেই।

হঠাৎ হঠাৎ বাতাস বইছে। হিমেল হাওয়া। মনে হয় এখনি ঝাপিয়ে বৃষ্টি হবে। আকাশের দিকে তাকিয়ে রাজন বললো মা আমার শ্রাবনের আকাশ, বৃষ্টি আমার খুব ভালো লাগে।কত মেঘ তোমার গায়ে।আমাকে তোমার পাশে মেঘের ভেলায় নিয়ে যাও! তোমার বুকে আমি গভীর ঘুমাবো।’

চলবে…

Leave a comment

Advertisement Rupalialo Ads
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমার মানবতা আর বোধোদয় মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দীন
মতামত4 hours ago

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমার মানবতা আর বোধোদয় | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দীন

টেলিভিশন2 days ago

নতুন ধারাবাহিকে কল্যাণ কোরাইয়া

টেলিভিশন2 days ago

তানভীর মাসুদের ‘আয়না আদল’

ফারজানা মিতু
জন্মদিন3 days ago

সাহিত্যিক ফারজানা মিতু-এর জন্মদিন আজ

মা আমার শ্রাবণের আকাশ |
উপন্যাস4 days ago

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৫

রূপালী আলো4 days ago

বাংলালিংক কর্মীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘এমপ্লয়ি ওয়েলনেস প্রোগ্রাম’

সাহিত্য5 days ago

নাসিম সাহনিকের নতুন বই

পরকীয়ার গল্প নিয়ে লাভ গেম [ভিডিও]
ঘটনা রটনা5 days ago

পরকীয়ার গল্প নিয়ে লাভ গেম [ভিডিও]

কম্বোডিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট | রায়হান আহমেদ
মতামত5 days ago

কম্বোডিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট | রায়হান আহমেদ

ফরিদুজ্জামান-এর গুচ্ছ কবিতা
কবিতা5 days ago

ফরিদুজ্জামান-এর গুচ্ছ কবিতা

Advertisement

বিনোদনের সর্বশেষ খবর

টেলিভিশন2 days ago

নতুন ধারাবাহিকে কল্যাণ কোরাইয়া

নির্মাতা সুমন আনোয়ারের নতুন ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন সুঅভিনেতা কল্যাণ কোরাইয়া। বৈচিত্র্যময় চরিত্র রূপায়নের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে দর্শকের আসনে পাকাপোক্ত...

টেলিভিশন2 days ago

তানভীর মাসুদের ‘আয়না আদল’

নূরুল আলম তৌফিক এর রচনায় ও প্রীতম দ্বীপের পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে ‘আয়না আদল’ নামক একটি খণ্ড নাটক। এ সপ্তাহে নাটকটির...

মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ মডেল : জায়েদ খান এবং সাইমা রুশা মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ মডেল : জায়েদ খান এবং সাইমা রুশা
সঙ্গীত1 week ago

মুক্তি পেল জায়েদ খানের নতুন মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ ( ভিডিও সহ )

মুক্তি পেল জায়েদ খানের নতুন মিউজিক ভিডিও দ্বিধা দন্দ সঙ্গীত মিউজিকের ব্যনারে ।সিলেটের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী জায়েদ খান পেশায় ডাক্তার...

পূর্ণ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন পূর্ণ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন
সঙ্গীত3 weeks ago

`পূর্ণ’ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন

`পূর্ণ’ ব্যান্ড নিয়ে আসছেন তামান্না জেসমিন শুদ্ধ সঙ্গীতের শূন্যতা যাদের মনে পীড়া দেয় তাদের কাছে এক ধরনের পূর্ণতা নিয়ে আসছেন...

গ্লিটজ3 weeks ago

নতুন দুটি শর্ট ফিল্ম

আল আমিন এইচ রুবেল অভিনয় শিল্পী হিসেবে বিশেষ পরিরচিত। অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ , আপন রানা , নাসিম সাহনিকসহ বেশকিছু...

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয় অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয়
ফিচার3 weeks ago

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয়

অভিনয় পাগল তসলিম হাসান হৃদয় এস কে দোয়েল অভিনয় তার নেশা-পেশা। হাসাইতে হাসাইতে হার্টবিট বাড়িয়ে দেয় দর্শকদের। কাজ করেন চট্টগ্রামে...

tamanna-bhatia-bahubali. tamanna-bhatia-bahubali.
বলিউড4 weeks ago

তৈরি হচ্ছেন তামান্না

চরিত্রের চাহিদা মেটাতে নিজেকে নানান ভাবে ভাঙ্গেন গড়েন তারকারা। তবে নিজেকে প্রস্তুত করতে এবার সুদুর ফ্রান্সে পাড়ি জমিয়েছেন দক্ষিণের সুন্দরী...

শ্রাবণী পুষ্প। ছবি : সংগৃহীত শ্রাবণী পুষ্প। ছবি : সংগৃহীত
সঙ্গীত4 weeks ago

পুষ্পর সোনা জাদুরে

সময়ের অন্যতম মডেল-অভিনেত্রী শ্রাবণী পুষ্প। সম্প্রতি কাজ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সন্দীপনের গাওয়া ‘সোনা জাদুরে’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে। এই...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত