fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

সভ্যতার যুগে শিশুশ্রম : কীর্তি আর স্বপ্ন | রায়হান আহমেদ

Published

on

রায়হান আহমেদ

সভ্যতার যুগে শিশুশ্রম : কীর্তি আর স্বপ্ন | রায়হান আহমেদ

জাতিসংঘ প্রণীত শিশু অধিকার সনদে ১৮ বছরের কম বয়সী প্রত্যেককে শিশু বলা হয়েছে।বাংলাদেশের বিভিন্ন আইনে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রত্যেককে শিশু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।তাই ১৪ বছরের মধ্যে সকলেই এ দেশের শিশু। জাতিসংঘের শিশু সনদ এখন একটি আন্তর্জাতিক আইন। এতে বলা হযেছে, শিশুর বেঁচে থাকা তাদের জন্মগত অধিকার। এরই সাথে শিশুর জন্য অধিকার গুলির কথাও মনে রাখতে হবে আমাদেরকে।যেমন: স্নেহ, ভালবাসা ও সমবেদনা পাওয়ার অধিকার, পুষ্টিকর খাদ্য ও চিকিৎসা সুবিধা পাওয়ার অধিকার, অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ, খেলাধুলা ও আমোদ-প্রমোদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়ার অধিকার, একটি নাম ও নাগরিকত্ব, পঙ্গু শিশুদের বিশেষ যত্ন ও সেবা শুশ্র“ষা পাওয়া অধিকার, দুর্যোগের সময় সবার আগে ত্রাণ ব্যবস্থা পাওয়ার অধিকার, সমাজের কাজে লাগার উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার এবং ব্যক্তি সামর্থ অর্থাৎ সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাওয়ার অধিকার,  শান্তি ও বিশ্ব ভ্রাতৃত্বে মনোভাব নিয়ে গড়ে ওঠার সুযোগ পাওয়ার অধিকার। এসব অধিকার জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে বিশ্বের সব শিশুর ভোগের অধিকার থাকবে।

বাংলাদেশে শিশুদের অধিকার রক্ষা ও তাদের বিকাশের জন্য রয়েছে নানা আইন। কিন্তু তার পরেও বাংলাদেশে লঙ্ঘিত হচ্ছে শিশু অধিকার। সমাজ থেকে শিশু-কিশোরদের যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার কথা তা পদে পদে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিশুনীতিকে পাশ কাটিয়েই শিশুদের ভারী গৃহশ্রমসহ বেআইনি কাজে যুক্ত করা হচ্ছে। এক সময় মানুষ গুহাবাসী ছিল। বনে জঙ্গলে পাহাড়ে পবের্ত ঘুরে বেড়াত খাদ্যের খোঁজেে। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে হোক কিংবা বেঁচে থাকার তাগিদে হোক মানুষ দলবদ্ধভাবে বসবাস করতে শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সভ্য হতে শুরু করে। একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে আমরা বাস করছি সভ্যতার সবোর্চ্চ চ‚ড়ায়। আধুনিক সভ্যতাকে তিলে তিলে গড়ে তুলতে যে দুটি বিষয় গুরুত্বপূণর্ ভূমিকা পালন করছে, তা হলো দাসপ্রথা এবং শিশু শ্রম। কালে কালে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হলেও আধুনিক সভ্যতার যে কালিমা এখনো জ্বলজ্বল করছে সেটি হলো শিশুশ্রম। শিল্পায়নে কম খরচে অধিক পণ্য উৎপাদন করতে সবর্প্রথম শিশুদের শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই থেকে শিশুশ্রম ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বব্যাপী। যা এখন অবধি চলছে। জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ ও বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ১৮ বছরের চেয়ে কম বয়সী সব ছেলে এবং মেয়েকে শিশু হিসেবে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ কারখানা আইনে শিশুর বয়স ধরা হয়েছে ১৬ বছর। দোকান ও প্রতিষ্ঠান আইনে ১২ বছর, খনি আইনে ১৫ বছরের কম, চুক্তি আইনে ১৮ বছরের কম এবং শিশুশ্রম নিবন্ধক আইনে ১৫ বছরের নিচে সব ছেলে মেয়েকে শিশু হিসেবে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে কোটি কোটি শিশু শ্রমিক আছে। যে বয়সে আনন্দ, কোলাহল, খেলাধুলা করার কথা সেই বয়সে শিশুরা জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন ঝুঁকিপূণর্ কাজে। বই খাতা নিয়ে স্কুলে গিয়ে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন না দেখে এই শিশুরা সকাল-সন্ধ্যা কাজ করে দুবেলা দুমুঠো খাবারের স্বপ্ন দেখে। আন্তজাির্তক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর সবের্শষ প্রতিবেদন অনুসারে বতর্মান পৃথিবীতে প্রায় ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিশু শ্রমিক রয়েছে। যে শিশু শ্রমিকরা প্রতিদিন তাদের শ্রম দেয় বিভিন্ন কাজে কিন্তু ঠিকমতো মজুরি পায় না, খাদ্য পায় না, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকে। সোনালী শৈশব কৈশোর হারিয়ে যায় বেঁচে থাকার তাগিদে। ২০১১ সালের এক সরকারি জরিপে জানা যায় আমাদের দেশে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ৭৯ লাখ। যার মধ্যে ১৫ লাখ শহরে এবং ৬৪ লাখ গ্রামাঞ্চলে কাজ করে জীবিকা নিবার্হ করে। একাধিক তথ্য ও মাকির্ন শ্রমবিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী শিশু শ্রম ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান হলো দ্বিতীয়। যা আমাদের চলমান প্রকট শিশু শ্রমের কথা মনে করিয়ে দেয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ ২০১৩ অনুসারে দেশে প্রায় ৩৪ লাখ ৫০ হাজার শিশু শ্রমিক আছে। এদের মধ্যে ঝুঁকিপূণর্ কাজ করে ১২ লাখ ৮০ হাজার শিশু শ্রমিক। শ্রম মন্ত্রণালয়ের মতে এই সংখ্যা ১৩ লাখ। প্রায় ৪৫টি ঝুঁকিপূণর্ কাজ শিশুরা করে থাকে। পরিসংখ্যান বিভাগের সবের্শষ এক জরিপ অনুযায়ী দেশে মোট শিশুর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ কোটি। এর মধ্যে সব সেক্টর মিলিয়ে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি। যেসব সেক্টরে শিশুরা কাজ করে এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো টেক্সটাইল, প্রিন্ট ও এমব্রয়ডারি, পোশাক শিল্প, চামড়া শিল্প, জুতার কারখানা, ইটভাটা ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে বেশি শিশু কাজ করে কৃষিক্ষেত্রে এবং কলকারখানায়। এ ছাড়াও শিশুরা হাটে-বাজারে, হোটেল রেস্টুরেন্টে, ওয়েল্ডিং, ওয়াকর্শপে কাজ করে। অনেক শিশু রিকশা-ভ্যান চলায়। শহর এলাকায় বিশেষ করে ঢাকা শহরের মাঝারি যানবাহনগুলোতে যেমন লেগুনা, টেম্পো ইত্যাদিতে ছোট ছোট শিশুরা কাজ করে। আমাদের সংবিধানের ২৮নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্র কোনো প্রকার বৈষম্য দেখাবে না।

শিশুদের অনুকূলে বিশেষ বিধান প্রণয়ন করতে রাষ্ট্রের অধিকার থাকবে। তাছাড়া শিশু আইন ১৯৭৪ রয়েছে যেখানে শিশুদের তত্ত¡াবধান, নিরাপত্তা ও আচরণ সংক্রান্ত বিধানাবলি প্রণয়ন ও প্রবতর্ন করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে আমরা কি দেখছি? ৩৪ লাখ শিশু শ্রমিক বেচে থাকার তাগিদে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র এই শিশুদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারছে না। আইন থাকলেও বিদ্যমান আইনের কোনো প্রয়োগ নেই। জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের ৩২নং অনুচ্ছেদে বলা আছেÑ জাতিসংঘে অংশগ্রহণকারী সব দেশ অথৈর্নতিক শোষণ থেকে শিশুর অধিকার রক্ষা করবে। ঝুঁকিপূণর্ শ্রম অথার্ৎ স্বাস্থ্য বা শারীরিক, মানসিক, আত্মিক, নৈতিক, সামাজিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর অথবা শিশুর ব্যাঘাত ঘটায় অথবা বিপদ আশঙ্কা করে এমন কাজ যেন না হয় তার ব্যবস্থা নেবে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কি শিশু অধিকার সনদের বাস্তবায়ন করতে পেরেছে? আমরা এখনও এটা করতে পারিনি। তাই আমাদের শিশুরা স্কুলে না গিয়ে ক্ষেতে খামারে, কলকারখানায় কাজ করে। শৈশব কি তা বোঝার আগেই বেঁচে থাকার সংগ্রামে লেগে যায়। আমরা শুধু চেয়ে থাকি।

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী শ্রমিকের বয়স কোনোভাবেই ১৪ বছরের নিচে হওয়া যাবে না। আইনটি শুধু আইনের জায়গায় আছে, বাস্তবে প্রয়োগের বেলায় শূন্য। ২০১০ সালে জাতীয় শিশু শ্রম নিরসন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এই নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১২ সালে গৃহীত হয় ৫ বছর মেয়াদি জাতীয় কমর্পরিকল্পনা যা ছিল ২০১২-২০১৬ সাল পযর্ন্ত। এতে অঙ্গীকার করা হয় যে ২০১৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে যাবতীয় ঝুঁকিপূণর্ শিশু শ্রম নিরসন করা হবে। কিন্তু তা করা সম্ভব হয়নি। এখনো লাখ লাখ শিশু জীবন ধারনের জন্য প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ঝুঁকিপূণর্ কাজ করে যাচ্ছে। আথর্-সামাজিক প্রেক্ষাপট এমন হয়েছে, যে শিশুশ্রম আদৌ বন্ধ করা সম্ভব হবে কি না আমরা জানি না। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হলে, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে, রাষ্ট্রযন্ত্র শিশু অধিকারের প্রতি আরও তৎপর হলে, বিদ্যমান আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ হলে, শিশুদের জন্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা গেলে, আমরা একদিন এই শিশু শ্রম নামক আধুনিক সভ্যতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারব। আমাদের শিশুরা তাদের সোনালী শৈশব ফিরে পাবে। ফুলের সুবাস ছড়াবে। রাবাত রেজা খান শিক্ষাথীর্ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আরও অতি বাস্তবতা হল নুন আনতে যাদের পান্তা ফুরায় তাদের ঘরে সন্তান এলে সে শিশুটি হয় অবহেলিত, নিগৃহীত ও অধিকার বঞ্চিত। পরিবারের মধ্যেই সে শিশু পরগাছার মত বেড়ে ওঠে। দারিদ্রের কারণেই শিশুরা একটি কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড়ায়। অতি অল্প বয়সে ভারী শ্রমের পথ বেছে নিয়ে মেনে নেয় সম্ভাব্য পঙ্গুত্বকে। নানা প্রতিবন্ধকতার সাথে যুদ্ধ করে বেড়ে ওঠে অধিকার বঞ্চিত শিশুরা।

শিশুরা অনেক ক্ষেত্রে বয়স্ক শ্রমিকের কাজ করে প্রাপ্য মজুরী থেকে বঞ্চিত হয়। অদক্ষ শ্রমের দোহাই দিয়ে শিশুটিকে অধিক খাটিয়েও ন্যায্য পারিশ্রমিক দেয়া হয় না। উল্লেখ্য; শিশু শ্রমিকরা আইনের পথ চেনে না। ওরা নীরবে বেঁচে থাকার তাগিদে মুখ বুজে কাজ করে। পেটের জ্বালায় শিশুরা মালিক আর মনিবের দুর্ব্যবহার, অবহেলা সহ্য করেও স্বল্প আয়ে কাজ করে। আবার কোন শিশু জড়িয়ে পড়ে নানা রকম সমাজ বিরোধী কাজের সাথে। অথচ শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ জনশক্তি, আজকের শিশু আগামী দিনের নাগরিক এবং দেশের কর্ণধার। শিশুই আমাদের আশা ভরসা। শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সর্ব প্রথম দেশ থেকে দারিদ্র দূর করতে হবে। দূর করতে হবে নানা কুসংস্কার।যে শিশু আগামীর নাগরিক, সে শিশুর জীবন যদি অরক্ষিত হয়ে যায় তবে আমাদের গোটা সমাজই বিপণ্ণ হয়ে পড়বে। অতীত যেমন আমাদের মাঝে বেঁচে আছে।

আমরাও বেঁচে থাকবো ভবিষ্যতের মাঝে। হয়তো ঠিক আমরা নই-আমাদের কীর্তি আর আমাদের স্বপ্ন। শিশুদের হাতেই জাতির উন্নয়ন সম্ভাবনার চাবিকাঠি তাই শিশুদেরকে গড়ে তুলতে হবে আমাদেরই। শিশুরা জাতির সেরা সম্পদ। আজ যারা শিশু, আগামীকাল হবে তারাই দেশ গড়ার সৈনিক। শিশুকে তার প্রাপ্য পূর্ণ অধিকার দিয়ে গড়ে তুলতে পারলেই সার্থক হবে বাংলাদেশ।

রায়হান আহমেদ : কলাম  লেখক

raihan567@yahoo.com

মন্তব্য করুন
Advertisement
Advertisement
মতামত6 hours ago

মধ্যপ্রাচ্যে প্রভূত্ব ও আধিপত্য বিস্তারে শীতল যুদ্ধ | রায়হান আহমেদ

সাহিত্য জগৎ6 hours ago

ছোটদের সময় ঈদসংখ্যা আসছে বাজারে

সাহিত্য জগৎ3 days ago

বিবেকে নাড়া দেয়া এক উপাখ্যান’আপনালয়’

মায়ের 'মা'কে খোঁজা
বিবিধ1 week ago

মায়ের ‘মা’কে খোঁজা | ড. প্রতিভা রানী কর্মকার

রূপালী আলো2 weeks ago

‘আপনালয়’ পারিবারিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার এক আশ্চর্য উপাখ্যান

আরও তিন বছর পর মুক্তি পাবে আভাটার টু
হলিউড2 weeks ago

আরও তিন বছর পর মুক্তি পাবে আভাটার টু

শামীম আহমেদ রনির সাথে স্ত্রী তমা খান। ছবি: সংগৃহীত
বাংলা সিনেমা2 weeks ago

আত্মহত্যা করেছেন পরিচালক শামীম আহমেদ রনির স্ত্রী তমা খান

হঠাৎ দেখা: তামান্না জেসমিন
কবিতা2 months ago

হঠাৎ দেখা : তামান্না জেসমিন

 ব্রেকিং নিউজ : সাহানা খানম শিমু
গল্প2 months ago

 ব্রেকিং নিউজ : সাহানা খানম শিমু

আকস্মিক দুর্ঘটনা মোকাবেলায় পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা জরুরি রায়হান আহমেদ
মতামত2 months ago

আকস্মিক দুর্ঘটনা মোকাবেলায় পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা জরুরি | রায়হান আহমেদ

শাকিব খান ও রোদেলা জান্নাত। ছবি : ইউটিউভ
বাংলা সিনেমা4 months ago

শাকিব খান- রোদেলা জান্নাতের চুমুর দৃশ্য একদিনেই ভাইরাল (ভিডিও)

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য4 months ago

‘নায়িকা’ হলেন সোনিয়া খান

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
সুরের মূর্ছনা4 months ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
বলিউড4 months ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
অন্যান্য4 months ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো6 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো7 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো7 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো9 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো9 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বীরেন মুখার্জী
হেড অব মার্কেটিং : দীনবন্ধু রায়
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম