fbpx
Connect with us

বইয়ের আলোচনা

বয়ে যাওয়া জারজ সময়ে ঘুমন্ত সিংহ পলিয়ার ওয়াহিদ | মোস্তফা হায়দার

Published

on

বয়ে যাওয়া জারজ সময়ে ঘুমন্ত সিংহ পলিয়ার ওয়াহিদ | মোস্তফা হায়দার
বয়ে যাওয়া জারজ সময়ে ঘুমন্ত সিংহ পলিয়ার ওয়াহিদ | মোস্তফা হায়দার

তুমি বেড়া হতে ভালোবাসো
কুঁজো হয়ে বলো সংখ্যালঘু
এই শব্দে আমার বড় আপত্তি গো সোনা
এই ভাবে রাজনীতি হয় না মাসিমা!

শব্দকে বোগলতলার লোমকুপে টেলকম পাউডার দেয়ার মতো সুঘ্রাণে আন্দোলিত করতে পারার নাম কবিতা। কেউ মানুক আর না মানুক আমি কবিতাকে এমনই ভাবতে পছন্দ করি। কবিতার একটা আবেদন থাকে। আবেদনহীন কবিতাগুলো বেশীক্ষণ স্থায়িতা্ের আসনে থাকতে পারে না। কবিতার জাগতিক ভূবন হলো মানুষের হৃদয়ে দাগকেটে সময়ের স্তুতি অথবা নিবেদনে বিভিন্ন রসদের মিশ্রনে একটা অবস্থান তৈয়ার করা। সে রকম কবিতা কালে কালে শতাব্দির আস্তরভেদ টিকে ছিল। সে কবিতাগুলো আমাদের নিয়ে যায় স্বপ্নের কাছে। আমরা তখন হয়ে ওঠি শব্দের চর্চাকারি কবিতার রক্ষক।

কবিতার আবেদনে কবিতার কোন সংজ্ঞা নিদির্ষ্টিভাবে কেউ দিতে না পারলেও কাঠামোগতভাবে কবিতাকে কবিতার জায়গায় নিয়ে যেতে কিছু গুরুতবপূর্ণ রসদ বিশেষভাবে কাজ করে। আর তখনই কবিকে চিনতে আমাদের আর দেরি হয় না। আজো তেতুলপাতার মিহিআবেদনে সাড়াপড়ে যায় পাড়াময়। মধ্যরাতের কবিতার আসর আজো কবিয়ালের ভার বহণ করলেও দিনভর সাহিত্য আড্ডাগুলো শব্দকে কবিতা বানাতে না পারে যোগান দিতে, না পারে সাহসের তরি ভাসাতে। এতো কিছুর মাঝেও কিছু কিছু কইমাছের প্রাণ থেকে বেরিয়ে আসে কিছু জৈষ্টের শামুক থেকে ঝিনুক মালা। ভাগ্য সবার সুপ্রসন্ন হয় না। ঝিনুকের মতো হতে গিয়ে অনেকে হারিয়ে গেছে জৈষ্টের জলের কাছে।

কবিতার প্রাণ নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা হয়ে যায় চেতনার ফেরিওয়ালা। চেতনার শাড়ীর আঁচল আর কবিতার বাহাদুরি একঘরে কোনকালে বসবাস করতে দেখিনি। কিন্তু যখন কবিতা পাঠের নিমগ্নতায় হারিয়ে যাই চৈতন্যপুরির দেশে তখন কিছু বাক্য কবিকে দাঁড় করিয়ে দেয় ঐ পাহাড়ের কাছে। কবির ভাষায়

একটা মাটির ব্যাংক কিনি মহোদয়
জমা করি দেশপ্রেম অতি মহাশয়
কুমারীর জন্য যেই কাঁচুলি কিনেছি
তা নাকি হয়েছে ছোট!
(বহুমূত্র দেশপ্রেম – সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের)

কথা বলছিলাম পৃথিবী পাপের পালকি’ র লেখক কবি পলিয়ার ওয়াহিদ নিয়ে। যার ‘সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের’ শিরোনামের কাব্যগ্রন্থটির সুখপাঠ্যতা আমাকে কলম ধরতে বাধ্য করিয়েছে। কবিরা সবকালে দ্রোহের সাথে সত্যর শাদা দ্যূতিকে নিজের আবরণ মনে করে স্বাচ্ছন্দে গ্রহণ করেছেন। এটা না হলে তখন কবিরা হয়ে যায় পা চাটা, তেলবাজ অথবা একচক্ষু।
কবির চোখে দেখা সত্যরা যখন আপামর মানুষের মনের কথা হয়ে যায় তখন কবির শব্দরা জড়ো হয় মানবতার আদল খোলে শান্তির সুশীতল বাতাসের সামিয়ানার নিচে।’জ্ঞ্যানির কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র ‘ এ কথার সত্যতায় কবিরাও এগিয়ে থাকে। কবির ভাষায়

আমাদের স্বাধীনতা পুরনো পত্রিকা
সের দরে হলো কি দালালি?
আমাদের দেশপ্রেম সবুজ ও লাল
কেন তবে নির্যাতনে শুধুই জ্বালালি।
(স্বাধীনতা একটা ভূতের গল্প- সময় গুলো ঘুমন্ত সিংসের)

কবির দেশপ্রেম নিয়ে আমাকে আবার ভাবতে হচ্ছে। এতো গভীর দেশপ্রেম কবির জন্য হুমকির দায়ভারও এসে যেতে পারে। বুকের পাটা শক্ত কবিরা কোন কালে কোন প্রয়োজনে নীতিহীনতার কাছে মাথা নত হতে দেখা যায়নি।

চেতনা যখন হলো- ক্ষমতার গুটি
একা- দোকা দেশপ্রেম মরে গুটিসুটি।

দেশজুড়ে ধোঁকাবাঝি করছো মশাই
ধর্মকে ঢুকায়ে মুখে – হয়েছো কসাই
(দেশপ্রেম ধোঁকা- সময়গুলো গুমন্ত সিংহের)
সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের কাব্যগ্রন্থটি বিশকোটি (অঘোষিত) জনগণের মুখের ভাষাও বটে।

কবি দেশপ্রেমের বিভোর। দেশের অধপতন হোক এটা অনেকে হয়ত চায় না। আমাদের এ কবি দেশের ভবিষ্যত রাজনীতির মেরুদন্ডহীনতা ভাবতে বসে আঙ্গুল তৃলতে বাধ্য হয়েছে। তা ইশারা মাত্র। রক্তচক্ষু নয়! কবিরা আল মাজমুদের ভাষায় স্বপ্নদ্রষ্টা । এ কবিও স্বপ্নের চারারোপনে বলে ফেলেন ভেতরের কথা। কবির ভাষায়-

কোথাও দেখছি না তো নতুন বীজের অাভা
শুদ্ধবীজ ছাড়া বল কিভাবে মিলবে চারা?
বিশুদ্ধ জমিনের অভাব!সবদিকে হিংস্র লাভা
জুলুম বেড়েছে তাই ঝরে আকাশের তারা!
(মড়কে আক্রান্ত বীজ- সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের)

একজন কবি নিতান্তই কবি নয়। কবিরা হয় আদর্শ এবং নীতিবোধের ধারক বাহক। যদি কবি হয়ে যায় সমাজের আয়না ধর্মের অনুষঙ্গের জোযনা সৃষ্টিকারি আমরা পাঠক মাত্রই কবিকে সুররিয়ালিজমের প্রস্তাবকও ভাবতে পারি। তাঁর কয়েকটি কবিতায় বেহায়া সময়ের বেহিয়া কান্ড নিয়ে লিখতে বসে চমৎকার ঢঙে তা প্রকাশ করে জানান দিলেন তার স্বার্থকতা। কবির ভাষায়-

নারীকে নারীর সাজে লাগে তো মধুর
হোক সে স্বাধীনকামী কুসুম বধূর
চিন্তায় -মননে,মধু-হোক না উদার
চুল খাটো করে কেন সাজো নর- ধার?
(শৌর্যবতী-সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের)
অথবা
অথচ শোরুমে চড়িমূল্যে বিক্রি হচ্ছে মধ্যবিত্তীয় রুচি!
অপুষ্ট উরান, চোখ কচলাতে গিয়ে দেখি –
লাল হ’লো তার মাই!
(রুচি-সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের)
অথবা
জ্যৈষ্ঠ মাস – গরমও বটে
সময়ের যৌনাঙ্গে ফেঁসে গেছে কুকুরের লিঙ্গ!
তারাও কি নেতাদের মতো ভুলে গেল-
সিজনাল সেক্স ও শিক্ষা
কতদূরে দাঁড়িয়ে কার্তিক মাস
অথচ জিপিএ ‘ কালে সস্তা লাফাচ্ছে ছেলেমে
কুকুর হারালো বুঝি মরসুমি জ্ঞার!
(সেক্স ও শিক্ষাব্যবস্খা -সময়গুলো ঘুমন্ত সিংসের)

গার্হস্থ্যশিক্ষায় বলি
মেয়েরা নিজেরা গৃহ ছাড়ে
আপন বুনন কি জটিল পৃথক পালন্কে?
পৃথিবী ও নারী সর্বত্র গার্হস্থ্য
তাদের কেন গৃহ থাকবে?
( আমি পাঠ্যবই- সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের)

কবিরা সাধারণত সারা বিশ্বের,আপমর জনতার। তারপরও কবির বসবাসরত দেশটাই আপন ভূবন। কবি যে দেশের পরিবেশে বেড়ে ওঠো সে দেশের অনাচার, অসঙ্গতি অনিয়ম কবির চোখে পড়বেই। চোখে পড়া মানে কবির কালো রক্ত দ্রোহের বারতা বহন করেই চলে সম্মুখের দিকে। কবির নিজস্ব বয়ন শক্তি কবিকে দাঁড় করায় পাঠকের কাছে । এ সময়ের কবিদের শব্দ আর বাক্যের দূর্বোধ্যতা কবিতাকে যখন জটিলকার চটুলতায় নিয়ে যায় তখন পাঠকমাত্রই বোদগম্যের খেই হারিয়ে বোবা হয়ে যায় কবিতার মর্মার্থো। তারপরও কিছু কবি মিথ উপস্থাপনে অথবা বাক্যের উপমায়, অনুপ্রাসে এবং সরলতায় কবিতাকে পাঠকের কাছে করে তোলের সর্বগ্রাহ্য। তখনই কবি পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নেয় সাবলীলভাবে। তেমনই কিছু সুখপাঠ্য সচেতনতার কবিতা আছে কবি পলিয়ার ওয়াহিদের সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের নামক কাব্যগ্রন্থটিতে।

বিস্ময়ের জায়গা হলো কবি নিজেই ঘুমন্ত সিংহের রুপ ধারণ করে সময়ের অযাচিত বিষয়গুলো বলতে বলতে চুলোতে থাকা অাগুনের খোলায় ছিটে দিলেন জলের ফোটা। যে ফোটায় ছ্যাঁৎ ছ্যাঁৎ করে আগুনের স্পুলিঙ্গ তৈয়ার করে ভবিষ্যতের সতর্কতা জানান দেয়। ফলে তার কবিতার পাঠকগণ তাঁকে সিমাপ্রদায়িক ভাবকে শুরু করলেও আমি মনে করি এ কবি বলতে গিয়ে ‘সত্যের মতো বদমাশ” কে ছুঁতে সাহস করেছেন।

সেখানেই পাঠক মাত্রই কবিকে অন্যচোখে ভাবতে পারেন নিশ্চিত। তবে বলতে কোন দ্বিধা নেই যে কবি উত্তরা বাতাসের হাতে বেড়ে উঠা। উত্তরা মেঘের শক্তিময়তায় দক্ষিণের কালোছায়া লন্ডভন্ড হয়ে মিশে যায় বিপরীত মেরুর কাছে। কবির ভাগ্য সুপ্রসন্ন যে উত্তরার চিন্তাশক্তি কবিকে নিয়ে যেতে পারে জবাব — দিহিতাময় স্বপ্নের কাননে। কবিরা যখন ডানহাতে বেইজ লাগাতে পছন্দ করবে তখন কবির বাণী হয়ে যাবে মাজেজাময় শক্তির উৎস। তখন শান্তির পোয়ারা বয়ে যাবে কবির পদনীড়ে।

কবির কবিতায় ভেসে বেড়ানো কিছু সত্যের দ্যুতিতে এখন চোখ দেবো
সুরাইয়া মেয়েকে পড়াচ্ছে -ভূগোল
বলছে-পৃথিবী পাতলা ডালের মতোন ঝুলানো
এবং সুস্বাদু! আর ছেলেকে মুখস্ত করাচ্ছে
‘দেশপ্রেম’ হলো – জোর করে চাপানো দায়িত্বের ঝোলা!.

আবার
মনে রাখতে হবে -গণতন্ত্রের মুখোশ পরে
যারা অভিনয়ে নেমেছে
তাদের কাছে সুন্দরবনের বাঘ
ও এঐতিহ্যের আলাদা আইডেনটিটি নেই!
(অবৈধ সময়- সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের)
অথবা
পাবলিক টয়লেটের বদলে
মাথাগুঁজে দাড়িয়েছে পিঠকুঁজো বিদ্যাপীঠ
জ্ঞানের ময়লা ভরে বিজাতীয় ডাস্টবিন
অথবা
কেবল মুত্যুর ফুলে বেঁচে থাকা যায় – এ কথা জানেন
আমাদের সংক্ষিপ্ত জীবন
তবুও কাদের হাতে দ্যাখো – উঠে গেছে চিনাবাদিমের চাষ
আখের রসের অভাবে জন্ডিসে ভুগছে তাবৎ শহর!
(আত্মঘাতী-সময়গৃলো ঘুমন্ত সিংহের)

যে কোন ব্যক্তির কনফিডেন্স থাকা চাই। এটাতে ভর করে তার সামনের গতিপথ। কবি পলিয়ার ওয়াহিদের এ গ্রন্খটিতে নাম শিরোনাম কবিতায় কবির বয়ন ছিল ঠিক এমন –

বাবা-মা চাইতো – আমি যেন মেষের মতোন নম্র
ও মেষশাবকের ন্যায় শান্ত হই।
বহিরাবরণ অবিকল কয়লা হলেও
দিনের মতোন উজ্বল আমার শৈশব ।
আবার
জমকালো শরীর আমার আজতক
তোমাদের রাষ্ট্টম কয়লার জ্বলে—
জ্বলে – শুধু দাঁত মাজা কাজে ব্যবহৃত
হতে পারি।যেন সকলেই হয়ে ওঠো-
পরিস্কার! সকালের নিহেরের মতো!

কবিতার ভেতরে তার ভরসা নিজেকে দিয়ে শুরু করতে পছন্দ করেছেন। সৃষ্টির রঙ নিয়ে তারমাথা ব্যাথা নয়। মাথাব্যাথা কর্মের পরিধি। নিজেকে উপমায় এনে কবিতায় আরেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জানান দিলো যে, কালো আর ধলো বাহিরে কেবল, কর্মই জীবনের তরি। সুন্দরের তকমায় সৃজনের ক্ষমতা সবসময় বেশীই ছিল। কবি সে পথে হাঁটতে সাহসের সমাচার দেখিয়েছেন। কবির আর একটি দৃষ্টতা হচ্ছে উৎসর্গের সামিয়ানায় সে যাদেরকে রেখেছেন তারা সময়, সমাজ,মানবতা ও রাষ্ট্টের নিবেদিত খাদেম হুসেবে আমরা দেখতে পাই। সে পথে কবি দৃঢ়পায়ে দৃঢ়টিত্তে হাঁটার সাহস বুকে নিয়ে ভিকটোরির আঙ্গুল ধরেছেন কবিতার জমিনে। লাল সবুজের উর্বরমৃত্তিকায়।

কবির দুষনীয় বিষয় ছিল আমাদের তথাকথিত যৌনবাদ,ননুবাদ,চনুবাদ এবং উষ্ণতার আবহে কবিতা না বুনে প্রমাণ করলেন যে এসব ছাড়া কবিতা লিখা যায় এবং কবিতা হয়। এ সময়ের কিছু কবি নারীর গতরের বর্ণনায় সিক্ত হতে পারলেই হর্ববোধ করে এবং সে কবিতিগৃলো কিছু সম্পাদক না দেখে অন্থের মতো কাগজে ছাপিয়ে তাদের উৎসাহ দেয়! বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের নারী লেখকরাও মাঝে মাঝে বিব্রতবোধ করে।তবে সেটারও একটা মাত্রা থিকা চায়। প্রকৃতি আর সমাজের আবহ নিয়ে কবিতা বলতো পারা মাঝে আলাদা একটা শক্তি ও আনন্দ আছে। কবি এ জায়গায় নিজেকে সঠুকভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন বলে আমার বিশ্বাস।

কবির বেশ কয়েকটি ছন্দোবদ্ধ কবিতা আছে এ বইটিতে। যে গুলো পাঠে ছন্দের মাত্রা ও অন্ত্যমিল তিঁকে ভালোভাবে চিনতে সাহায্য করেছে।কারণ এ সময়ে অনেকে কবিতা লেখে কিন্তু ছন্দ জানেইনা অথবা জানলেও ব্যবহারবিধিতে তারা কসুরতায় ভরা। কবির ভবুষ্যৎ শব্দের সোহাগে বেড়ে উঠে মানবতার কল্যাণে হয়ে যাক নিরন্তর সাধনার প্রতীক। জয় হোক কবিতার জয় হোক কবির।

০১৮১৫১১১৫৭৮
কাব্যগ্রন্থ
লেখক: পলিয়ার ওয়াহিদ
প্রকাশন: অগ্রদূত এ্যান্ড কোম্পানি
প্রকাশ কাল; ফেব্রুয়ারি ১৮
দাম:১৫০/-

মন্তব্য করুন
Advertisement
Advertisement
রূপালী আলো17 hours ago

মনির মুন্নার কণ্ঠে – নারী গান

অর্থনৈতিক বৈষম্যজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্ব
মতামত6 days ago

অর্থনৈতিক বৈষম্যজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্ব | রায়হান আহমেদ

কবি বীরেন মুখার্জী : প্রদীপ্ত পঞ্চাশ
শুভ জন্মদিন3 weeks ago

কবি বীরেন মুখার্জী : প্রদীপ্ত পঞ্চাশ

মামুন সারওয়ারের চারটি গ্রন্থ
সাহিত্য জগৎ3 weeks ago

বইমেলায় মামুন সারওয়ারের চারটি বই

মেলায় প্রতিভা রানীর তিন বই
সাহিত্য জগৎ3 weeks ago

বইমেলায় প্রতিভা রানী কর্মকারের তিনটি বই

বড়ো উৎসব
সাহিত্য জগৎ4 weeks ago

 বাঙালির কবিতা উৎসব

মেলায় ১০০ শব্দের গল্প সংকলনের দ্বিতীয় খণ্ড
সাহিত্য জগৎ4 weeks ago

বইমেলায় ১০০ শব্দের গল্প সংকলনের দ্বিতীয় খণ্ড

বইমেলায় তন্ময় মণ্ডলের ‘পালক জীবন’
সাহিত্য জগৎ4 weeks ago

বইমেলায় তন্ময়ের তৃতীয় ‘পালক জীবন’

বইমেলায় আপন অপুর ‘ফুটল হাসি সবার মুখে’
সাহিত্য জগৎ4 weeks ago

 আপন অপুর ‘ফুটল হাসি সবার মুখে’

অন্যান্য1 month ago

দেশিয় শিল্পীরা এখন চলচ্চিত্র দেখে না, ওদের বয়কট করুন (ভিডিওসহ) – শামীমুল ইসলাম শামীম

শাকিব খান ও রোদেলা জান্নাত। ছবি : ইউটিউভ
বাংলা সিনেমা2 months ago

শাকিব খান- রোদেলা জান্নাতের চুমুর দৃশ্য একদিনেই ভাইরাল (ভিডিও)

সোনিয়া খান। ছবি : ফেসবুক
অন্যান্য2 months ago

‘নায়িকা’ হলেন সোনিয়া খান

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
সুরের মূর্ছনা2 months ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
বলিউড2 months ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
অন্যান্য2 months ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো4 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো5 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো5 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো7 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো7 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বীরেন মুখার্জী
হেড অব মার্কেটিং : দীনবন্ধু রায়
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম