fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

অমানুষ | রোকেয়া রিক্তা

Published

on

অমানুষ | রোকেয়া রিক্তা

আমি মূর্খ, নির্বোধ, চাষা, অমানুষ। আমার ভেতরে মায়া-মমতা কিছুই নেই। কারো প্রতি এতটুকুও স্নেহ ভালোবাসা নেই। না বউ, না ছেলেপুলে। কারো ওপর আমার কোনো ভালোবাসা নেই। আমি অমানুষ।

আমার বউ, সে সকলের চোখে সতি, নিষ্ঠাবান, সংসারী। আমার চোখে তাকে আপদ ছাড়া আর কিছু দেখিনে। মেয়ে লক্ষ্মীমন্ত। তাকে খারাপ বলতে পারার মতো দশজনে একজনও নেই। তবে মাঝে মধ্যে ধৈর্য রাখতে পারে না। রেগে যায় খুব। আমারই তো রক্ত বইছে ওর শরীরে। জন্মগতভাবেই রাগটা পেয়েছে।

মেয়েটা আমাকে ওর সমস্ত হৃদয় দিয়ে ঘৃণা করে। ও যখন ছোট ছিল তখন এমন ছিল না। খুব ভালোবাসত আমাকে। এখন ওর ২২ বছর। কবে থেকে যে এত ঘৃণা করা শুরু করল কি জানি! করুক গে। ওতে দুঃখ নেই। শিক্ষিত মেয়ে আমার। হয়তো বুঝে গেছে আমি অমানুষ। তাই এত ঘৃণা!

গোঁয়ার্তুমিতে আমার চাইতে দশগুণ এগিয়ে ও। তবে ও উচ্চশিক্ষিত মেয়ে আর আমি মূর্খ বাপ। মাঝে মাঝে মনের সাথে বলি, রে মেয়ে! যদি মূর্খতায় তুই আমাকে হার মানালি তবে তোর এত শিক্ষার দাম রইল কোথায়! এত গোঁয়ার্তুমি করিস কেন বিদ্যা বোঝা মাথা নিয়ে? আমি তো মূর্খ অমানুষ। তুই তো তা নস।

যা হোক আমি তাকে নিয়ে কথা বলতে আসিনি। এসেছি নিজের কথা বলতে। কেন আমি আত্মঘাতী হলাম সেটাই বলতে। তবে অনেকটা জুড়ে সে আছে তাই এতদূর বলা। আমার ছেলে, সেও আমারই মতো গোঁয়ার। তবে এখনও ছোট কিনা তাই একটু বোঝা যায় কম। সবে ১৪ বছরে পা রাখল ও।

কি! ভাবছেন আমি আমার স্ত্রী-সন্তানদের নামে সমালোচনার বস্তু উপুড় করে ঢালছি? না না বন্ধু, তা নই। আসলে স্ত্রীর কথা আলাদা। আর ছেলে মেয়ে! ওরা তো অমন হবেই! কারণ আমারই ঔরসজাত ওরা। গোঁয়ার্তুমিতে ওরা আমাকে হার মানাবে এটা অতিরিক্ত কিছু না। আমি বলতে চাই আমার কথা।

রাগ! একেবারে খাঁটি নির্ভেজাল রাগ! কোথায় পেলাম আমি এত রাগ? কোনো কিছু মনমতো না হলে বা একটু হিমশিম হলে মাথাা নষ্ট হয়ে যায়। বউটাকে মারধর গালিগালাজ করি। ছেলেমেয়ের সাথেও সেই একই ব্যবহার।

ছেলেটা কখনও কোনো প্রতিবাদ করত না। আমার সব হুকুম সাথে সাথে পালন করত সবসময়।

মেয়েটা ছিল অন্যরকম। তবে মুখ ফুটে কিছুই বলত না। ওর চোখে-মুখে জোর প্রতিবাদের ছাপ দেখতাম। তবে একটা বাক্যও মুখ দিয়ে বের করার ক্ষমতা ছিল না ওর। অনেক দিন থেকেই বুঝতে পারি ও আমার মুখ দেখতে চাই না। যখনই বাড়ি আসতাম দেখতাম ও মাথায় কাপড় টেনে মুখটা আড়াল করে রাখত। খুব প্রয়োজন না হলে কথা বলত না।

আহ! মেয়ের এমন নীরব অবহেলায় বুকের মধ্যে হা হা করে ওঠে। তখন আরো জঘন্য হয়ে উঠি। নোংরা গালিগালাজে মনের ঝাল ঝেড়ে ফেলি। কখনও ভেবে দেখিনি আমার কুৎসিত ভাষাগুলো আমার আপনজনদের কোথায় আঘাত করে! বুঝতে চেষ্টা করিনি আমার শিক্ষিত, ভদ্র মেয়েটার মুখের চেহারা কেমন হয়ে যায় আমার রুক্ষ ব্যবহারে। জানোয়ারের মতো ব্যবহার করি সবার সাথে। এভাবেই আমার কর্তৃত্ব রাখার চেষ্টা করি।

ওরা রুক্ষ ব্যবহারে যতই দূরে চলে যায়। আমাকে অবহেলা করে। আমি ততই ভয়ঙ্কর হয়ে দেখা দেই।

আজ সোমবার। একবার সাতক্ষীরা যেতে হবে। যাবার বেলা সামান্য ত্র“টির কারণে ওদের সাথে খুব রুক্ষ ব্যবহার করলাম। কোনো জানোয়ারের চোখেও সে ব্যবহার জঘন্য। ভাগ্য ভালো তারা আমার বাড়ির পাশে থাকে না। ছেলেকে ক্ষেতের ধানগুলো জড়ো করে রেখে আসতে বললাম। কোথায় এবং কেন যাচ্ছি তা না বলেই বেরিয়ে এলাম। জানাবারও তো কোনো কারণ নেই। পরিবারের কর্তা যেখানে খুশি যেতে পারি। কাউকে বলে যাবার প্রয়োজন মনে করি না।

১৪ বছরের ছেলে। দেড় বিঘা ক্ষেতের ধান জড়ো করে ঢেকে রাখবে। রাতে বৃষ্টি হলেও আমার চিন্তা থাকবে না। অমানুষ আমি। একবারও ভাবলাম না ওর পক্ষে সেটা সম্ভব হবে কি না। জানি মরণ কবুল করে হলেও সে কাজ ও করে রাখবে।

হঠাৎ উঠল তুমুল ঝড়। সাথে তেমনি বৃষ্টি। মাঠভরা আমার পাকা ধান। ছেলেটা কি ঠিকঠাক জড়ো করল, নাকি সব ধান ভিজে নষ্ট হলো! মাথার শিরা চিনচিন করে উঠল রাগে। যদি শালির পুত ধান জড়ো না করে! যদি একটা ধানও পানিতে ভেজে! তবে আজকে ওকে শেষ করে ফেলব। বাড়ি ফেরার পথে এসব ভাবতে ভাবতে কখন মাঠে চলে এলাম জানিই না। মাঠে পৌঁছে তো হতবাক হয়ে গেলাম। দেখলাম ক্ষেতের মাঝখানে অল্প কিছু ধান জড়ো করা। আর বাকি ধান সব ভিজে একাকার। পাকা ধান কাদা জলে শেষ! মাথা খারাপ হয়ে গেল! বুঝলাম হারামির পুত এসেছিল মাঠে, কিন্তু মেঘের গর্জনে আর ঝড়ের দাপটে ভয় পেয়ে বাড়ি গেছে। মাঠের শেষে বিলের ধারে ক্ষেত। সামান্য পানিতেই সব ধান ভাসছে। আমার চেয়ে মেঘের গর্জনের ভয় ওর বেশি! দাঁড়া আজ বোঝাবো তোকে আমি কী জিনিস!

বাড়ি ফিরে মেয়েকে বললাম, এই ছুড়ি! সে জানোয়ারের বাচ্চা কই? ধান অর্ধেক জড়ো করে বাকিটা ওর কোন বাপের জন্যে ফেলি রাখছে, শুয়োরের বাচ্চা! কই সে?
আমি জানি না, মেয়ের সংক্ষিপ্ত জবাবে মাথা আরো নষ্ট হলো। এইটুকু মেয়ে এত অবহেলা করে আমাকে! এতটুকুও ভয় নেই ওর। কদিন আগেও দেখতাম কাঁঁপত ভয়ে। এখন কেন পায় না! যেন অমানুষ ভাবে আমাকে। যেন পশু ভাবে। না হলে ভয় পায় না কেন। ইচ্ছে করে টেনে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলি। সেয়ানা মেয়ে তাই গায়ে হাত তুলি না। পরের ঘরে দিতে হবে দুদিন পরে।

রাগে গোমরাতে গোমরাতে ছুটে গেলাম বাজারে। যা ভেবেছি তাই! ক্যারাম খেলছে। আমাকে দেখতে পেয়ে ছুটে বাড়ি এল। হয়তোবা মায়ের কাছে লুকোতে এসেছিল। মারের ভয়ে ও প্রতিবার ওর মা বোনের কাছে দৌড়ে যায়। তারা কিছু মারের ভাগিদার হয়। আর ওর পিঠটা একটু বেঁচে যায়। কারণ রেগে গেলে অন্ধের মতো মারি। কার কোথায় লাগে দেখার সময় থাকে না।

আজো ও দৌড়ে এল বাড়িতে। তবে আজ কপাল খারাপ! বাড়িতে ওরা নেই! মনে হয় মায়ে-ঝিয়ে মিলে ওকেই খুঁজতে বেরিয়েছে।

ছেলে বাড়িতে এসে পাগলের মতো মাকে, বোনকে খুঁজছে। এতক্ষণে নিজের ভুলটা বুঝতে পেরেছে। মেঘের ভয়ঙ্কর হাঁকডাক, ঝড়ো হাওয়া আর তুমুল বৃষ্টির চাইতে যে আমিই বেশি ভয়ঙ্কর। তবে দেরি হয়ে গেছে খুব। উঠোনের শেষে আমগাছটা ধরে দাঁড়িয়ে আছে। জলে ভেজা চোখ দুটো পাগলের মতো এদিক ওদিক ঘুরছে। কই মা! বুবুও কই। কে ঠেকাবে তবে। মেরে ফেলল তো! ভাবছে যেন।

ওর মা বোন এসে ঠেকানোর মতো সবুর আমার নেই। মগজ টগবগ করছে রাগে। গোয়ালের চাল থেকে মোটা পাঁচুই খানা পেড়েছি কেবল। দে ছুট দে ছুট। রবিনের ফ্রাইডের মতো। প্রাণের তাগিদে ছোটা। ধরবে কে! আমিও নিলাম পিছু। শালির পুতের এত বাড়! আমার হুকুম পালে না!

পেছনে ওর মার গলা শোনা যাচ্ছে। মেরো না গো। ছেড়ে দাও! আজকের মতো মাফ করো। ছোট মানুষ, এই ঝড় বাদলায় মাঠের মধ্যে একলা ভয়ে থাকতে পারেনি। না হলে তোমার কথা না শুনে কি ও পারে! এমনই নানান কথা। রাগে গা জ্বলে যাচ্ছে। মাগি কি জানে? শুকনো ধান ভিজে একাকার হলে বেচা যাবে না। হুম কত ক্ষতি হলো। পাকা ধান কাদা মেখে একাকার!

কোনো কথা নেই। মারের হাত থেকে জমেও ওকে রেহায় দিতে পারবে না।

বড় বাগানটা পার হলেই রাস্তা। ছেলে সেই দিকে দৌড়াচ্ছে। পেছনে আমি। তারও পেছনে বউ আর মেয়ে। দৌড়াতে দৌড়াতে রাস্তায় উঠে আবার পেছনে তাকাল ও। আমি প্রায় ধরে ফেলেছি। লাঠি উঁচিয়ে বাড়ি দেবো কি না। অমনি দে দৌড়!

রেগে গেলে মানুষ পাগল হয় জানি। কিন্তু আমার চোখ কান দুটোই অচল হয় বোধহয়। না হলে চলন্ত ট্রাকের হর্ন কানে ঢুকল না কেন!!

বুঝতে পারিনি ও দিক থেকে ট্রাক আসছে। তাই আমার ছেলে থমকে দাঁড়িয়ে পেছনে তাকিয়েছিল। তবে আমি আমার ছেলেকে এতটুকুও ছাড় দিলাম না যেখানে। সেখানে চলন্ত ট্রাক কেন সুযোগ দিবে ওকে? কত তাড়া ওর। আমারই মতো তাড়া। রাস্তাটা পেরিয়ে ওপারে যাওয়ার সুযোগ দিল না। রাস্তার উপরেই দু’খানা হাত দু’খানা পাসহ মাথাটাও পিষে দিল ট্রাকটা। আমার একমাত্র বংশধর পিচঢালা রাস্তার সাথে ডলে লেপ্টে আছে। আমি তখনও লাঠি খানা ধরে আছি। তবে লাঠি এবার মাথার উপরে নয়, নিচে!

পেছনে এখনও ওদের গলা শোনা যাচ্ছে। এক মায়ের বুকচেরা আর্তনাদ দু’পায়ে পিষে দৌড়াচ্ছিলাম। এখন তার গলা আর শোনা যাচ্ছে না। ভেসে এল মেয়েটার গলা, ভা..ই আমরা এদিকে। দৌড়াস না, বাড়ি আয়।

বোনের গলা চিরে, বুক চিরে বেরিয়ে এল ডাক। ভাইয়ের চির অভায়াশ্রম। যেখানে মারের ক্ষতের পাশে দু’খানা মমতাময়ী হাত সতর্কতার সাথে ঘুরে ঘুরে স্নেহ ছড়ায়! সেই আশ্রয়ের ডাক। একটু আগেও ও পাগলের মতো যা খুঁজছিল। না পেয়ে ছুট লাগাল।

কিন্তু ভাইয়ের কানে তা পৌঁছাল কি না জানি না।

মা ছেলের পাশে গড়িয়ে পড়ল। চারপাশে মানুষের ভিড়। সবাই আমার ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার তাড়া করছে। আমাকে সবাই ছিঃ ছিঃ করছে। পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু চতুর্থজন কই! দেখেছিলাম দৌড়ে ভাইয়ের কাছে গেল। আদরের ভাইয়ের ধুলোবালি মাখা সারা গায়ে পাগলের মতো চুমো খাচ্ছিল। এখন সে এদিকে আসছে। একবারে আমার কাছে এসে দাঁড়াল। তখনও আমি ঠাঁই দাঁড়িয়ে। নড়াচড়া করতে ভুলে গেছি যেন। এত ভিড়ের মধ্যে মেয়েটা কখন যে তার ভাইয়ের জুতো জোড়ার একখান তুলে নিয়েছে খেয়াল করিনি।

চেয়ে দেখলাম তার মুখখানা আজকের আকাশের মতোই ভয়ঙ্কর। গালের উপর দিয়ে দুটো জলের ধারা গড়িয়ে পড়েছিল। তার শুকনো ছাপ পড়ে আছে। অনেক আগে বোধহয় কেঁদেছিল।

সবাই হাসপাতালে চলছে ওকে নিয়ে। আমি আমার মেয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। হঠাৎ ভাইয়ের জুতোখানা ধরে এক হাট ভিড় সমান লোকের মাঝে দাঁড়িয়ে আমারই জন্মদাতা মেয়ে আমার মুখের উপর মারল। ঠাস ঠাস করে মারল! আহ! বাপকে কেউ কখনও জুতো দিয়ে মারে! মেয়ের হাতের জুতোর বাড়ি খেয়ে গালের মুখের বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে কলিজাটায় বেশ ক্ষতি হলো। অন্তরের পোষা জানোয়ারটা মরে গেল। নিজের বুকের মধ্যে চেয়ে দেখি ফাঁকা! কেউ সেই সেখানে। বাড়িতে বাড়িতে মুখটা যেন ছিঁড়ে ফেলবে। পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছি। কেউ কেউ বলছে মর, আরো মার। এর উচিত শিক্ষা হোক। এমন বাপের এমনই করা উচিত।কেউ কেউ বলছে, আরে কি করছিস! এত জানোয়ার, তুই তো জানোয়ার নোস।

মেয়ে চলে গেল। তখনও নড়ি নাই এক পাও। নানান লোকের নানান মন্তব্যে কান দুটো ঝালাপালা।

আস্তে আস্তে দু পা পিছিয়েছি। আবার কোথা থেকে মেয়েটা সামনে আসল। এত ভয় পেলাম! কেন পেলাম জানি না। ছোট বাচ্চারা যেমন অচেনা লোক কে দেখে যেমন ডুকরে কেঁদে ওঠে তেমনি কান্না পেল। মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়েই চোখ ফেটে জল নামল। কান্নায় মুখটা বিকৃত হলো। কতকাল যে কাঁদিনি আমি। গলাটা আটকে আছে। ঠোঁট দুটো নড়ে নড়ে উঠছে। মন যেন মাকে খুঁজছে। আমার আজ কেউ নেই।

অনেকদিন মেয়েটার মুখের দিকে তাকাইনি। আজ দেখলাম বর্বরতায় ও বাবার চেয়েও অনেকখানি এগিয়ে। মুখের ওপর আঙুল তুলে বলল, ভাই ফিরবে না জানি! তোমার মুখ মাটি চাপা না হলে ভাইয়ের লাশ কবরে রাখতে দেব না আমি। কাজটা গোছায়ে রেখো। যদি মরতে পারো তবে বেঁচে গেলে! না হলে তোমার-ই মেয়ে আমি, তার প্রমাণ আরো একবার পাবে।

হাসি পেল, হারে মেয়ে! খুন তো করেছিস একবার। আর কত!

বাড়িতে ফিরে এলাম। গলাটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। পানি কোথায় পাই? কত পিপাসা বুকে! জগটা ধরে ঢক ঢক করে পানি খেলাম। নাহ তাও পিপাসা! বুঝতে পারলাম, এটা পানির পিপাসা নয়! এ যে বিষের পিপাসা! পানিতে মিটবে কেন? আমি জাত চাষা। ঘরে বিষের অভাব নেই। মন ভরে খেলাম। আহ! কত তৃপ্তি। পরানটা যেন জুড়ালো এবার!

মন্তব্য করুন
Continue Reading
Advertisement
Advertisement
ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
রূপালী আলো7 months ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
রূপালী আলো7 months ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
রূপালী আলো7 months ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো9 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো10 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো10 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো12 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো12 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
রূপালী আলো12 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
রূপালী আলো12 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

সর্বাধিক পঠিত