fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

নারী নির্যাতনের বিচার চাইতে হবে কেন! | বীরেন মুখার্জী

Published

on

সম্পাদকের কলাম
সম্পাদকের কলাম

‘প্রশ্ন করতে জানলে তার সমাধানও পাওয়া সম্ভব’- জ্ঞানীদের এমন মন্তব্য আমার চিন্তাকে প্রায়শ উসকে দেয়। আমার মনে হয়, চরাচরের যে কোনও ঘটনা বিবেচনায় নিলে মানুষ চিন্তাকিষ্ট না হয়ে পারে না। তাছাড়া সুস্থ মানুষের পক্ষে চিন্তাহীন থাকাও অসম্ভব। তবে, সময় যখন তামস-শাসিত আচরণের ভেতর দিয়ে বয়ে চলে, তখন চিন্তাগুলো এলোমেলে হয়ে পড়ে বৈকি! এ কথা ঠিক যে, ঘটনা পরম্পরায় মানুষের চিন্তার স্তরগুলো দ্রুত পরিবর্তিত হতে থাকে। প্রতিমুহূর্তের এই পরিবর্তন মস্তিষ্কে এক ধরনের চাপও তৈরি করে। আবার নানান ঘাত-অভিঘাত-দ্বন্দ্ব ও ভাংচুর প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে চিন্তার চূড়ান্ত পর্যায়েও উপনীত হয় মানুষ। এ পর্যায় হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণের। তবে আমার চিন্তার স্তরগুলো সূক্ষ্ম না হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সবসময় অসহায়বোধ করি। প্রশ্নের উত্তর মেলে না বলে, প্রতিনিয়ত আহত হই; প্রশ্নের পর প্রশ্নের অভিঘাতে জর্জরিত-মর্মাহত হয়ে বেঁচে থাকি। আমার প্রশ্নটি হলো- নারী নিগ্রহের বিচারবিষয়ক। নারী নির্যতন কিংবা ধর্ষণের বিচার চাইতে হবে কেন- কয়েকদিন ধরেই মাথার মধ্যে অবিরত ঘুরপাক খাচ্ছে এই প্রশ্ন। প্রতিনিয়তই দেশের কোথাও না কোথাও ঘটে চলা নারী নিগ্রহ-নির্যাতনের বীভৎস ঘটনা থেকেই এ প্রশ্নের উৎপত্তি।

বিষয়ের গভীরে যাওয়ার আগে একটি উপাত্ত তুলে ধরতে চাই। গত বছর দেশের প্রতিষ্ঠিত একটি দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদনে প্রয়োজনীয় সূত্র উল্লেখ করেই বলা হয়েছিল- ‘২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন দেশের ১৬৫ জন নারী। এছাড়া এসময়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১১৫ জন নারীকে এবং শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন ৫৫ জন নারী। এ ছাড়া উত্যক্তের শিকার হয়েছেন ১৪০ জন নারী এবং উত্যক্তের শিকার হওয়ার কারণে আত্মহত্যা করেছেন ১৪ জন নারী।’ আমার ক্ষুদ্র বিবেচনামতে, এ তথ্য ভয়াবহ। নারীদের জন্য আতঙ্কের সব সীমা অতিক্রম করে। সম্প্রতি রাজধানীর ডেমরা এলাকায় দুজন কন্যাশিশুকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩০ ডিসেম্বর ভোটের রাতে নোয়াখালীর সূবর্ণচরে এক গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনাগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। অন্যদিকে সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালের খবরে জানা যায়, ফেনী শহরের রামপুর এলাকায় একটি বাসায় দীর্ঘ ছয়মাস ধরে আটকে চার তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনার ঝড় বইছে এলাকায়। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন হতে পারে- দেশে এসব কী ঘটছে! আর এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কি নিজেদের আদৌ সভ্য মানুষ বা জাতি বলে দাবি করতে পারি?

রাজনৈতিক অঙ্গীকার বা সদিচ্ছা ব্যতিরেকে, শুধু আইন প্রণয়ন করে যে নারীর ওপর নির্যাতন রোধ করা অসম্ভব, তা স্পষ্ট। কিছুতেই মাথায় ঢোকে না যে, একটি দেশের রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রশাসনের সর্বোচ্চস্তরে যখন নারীরা অধিষ্ঠিত; তখন নারী নিগ্রহের বিচার চাইতে হবে কেন!

সত্যি কথা বলতে, বড়ই দুর্ভাগা আমরা। যখন একজন নারীকে নির্যাতনের মামলার রায় পে পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণ করা হয়, তখন পুরুষকে মানুষ বলার সুযোগ থাকে কি? সূবর্ণচরের গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ডেমরার ঘটনায়ও দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রশাসনের দ্রæত পদক্ষেপ নেয়ার ঘটনা অবশ্যই ইতিবাচক। তবে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে কিনা- ইতিমধ্যে এমন সংশয়ের কথাও উঠেছে। একটু পেছনে, অতীতে ঘটে যাওয়া নারী ধর্ষণগুলোর বিচারের দিকে তাকালে সংশয়ের কারণ স্পষ্ট হতে পারে বৈকি। রাষ্ট্রযন্ত্র, আইন, প্রশাসন- দেশে ঘটে যাওয়া নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনের যথাযথ বিচার করতে পারছে? যেকোনো ঘটনা আলোচনায় এলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয় ‘গণধর্ষণে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না’ বলে। ভুক্তভোগীরা আশ্বস্তও হয় এমন উচ্চারণে। কিন্তু দিন যায়, নতুন ঘটনা সামনে আসে আর সবকিছু আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে পড়ে। অবশ্য নারী নিগ্রহের যেসব ঘটনা বহুল আলোচিত, তার মধ্যে দুই একটির যে যথাযথ বিচার হয় নি, তেমনটি নয়। প্রশ্ন হলো, বিচার হচ্ছে, তারপরও কেন এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা যাচ্ছে না? কার কাছে চাইব এ প্রশ্নের উত্তর?

আবার কোনোভাবে যদি একটি ধর্ষণের ঘটনায় প্রশাসনের দিকে আঙুল তোলা যায়, তাহলে কি লঙ্কাকাণ্ড হতে পারে সেটাও দেশবাসী দেখেছে বিলাইছড়ির দুই মারমা বোনের ঘটনায়। অন্যদিকে নারীর প্রতি সংবেদনশীল মানুষগুলোও একদম চুপ মেরে যান, যদি ধর্ষক, খুনি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ হন। ঘটনাগুলো উদাহরণ হিসেবে ধরলে, সমাজের কিছু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির বৈপরীত্যের পাশাপাশি প্রতিক্রিয়ার অসঙ্গতির চিত্রও পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে। আচ্ছা, তনু ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের কেমন বিচার পেয়েছে তার বাবা-মা? সেই পূজা; যার যৌনাঙ্গ ছোট বলে ব্লেড দিয়ে কেটে তাকে নির্যাতন করা হয়েছিল? কিংবা, হবিগঞ্জের বিউটি আক্তার; ধর্ষণের অভিযোগ করার পর যাকে আবারও তুলে নিয়ে ধর্ষণ এবং হত্যা করা হয়েছিল? আচ্ছা, মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় বিচার না পেয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর রেল স্টেশনের কাছে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পিতা-মেয়ের আত্মহত্যার ঘটনাটি মনে আছে কারো? জানি, এসব লোমহর্ষক, মর্মন্তুদ ঘটনাগুলোর কথা বেমালুম ভুলে গেছে দেশবাসী। ভুলে না গিয়েও তো উপায় নেই সাধারণ মানুষের। প্রতিবাদ করে কী হয়; কী হয় বিচারের দাবি তুলে- এমন কথাও শোনা যায়। এগুলো মনোবেদনার কথা হলেও বিচারব্যবস্থা কিংবা আইনের প্রতি এক ধরনের অনাস্থারই বহিঃপ্রকাশ। তবুও দেশে যেহেতু সরকার আছে, আইন আছে, বিচারব্যবস্থাও কার্যকর; সঙ্গত কারণে বিচারও চাইতে হবে। বিচার পাওয়ারও সাংবিধানিক অধিকারও আছে জনগণের।

ধর্ষণের ঘটনায় ঘাটে ঘাটে তদন্তের বিষয়টিও কারো অজানা নয়। ধর্ষণের তদন্ত যখন ধর্ষকরা করেন, ধর্ষিতা তখন আরও একবার প্রকাশ্যে ধর্ষিত হন। এরপরও চলে দফায় দফায় ধর্ষণ। একবার পাড়া-প্রতিবেশী, একবার মিডিয়া, একবার প্রশাসন, একবার অবিশ্বাসীরা। আর শেষে পুরো হত্যার শিকার হন যখন জল্পিত-কল্পিত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। একটি অসম্মানের দৌড়ের শেষ মাথায় এসে অন্ধকারে তলিয়ে গিয়ে নিযার্তিতা জীবন্মৃত হয়ে শুধু রেফারেন্সে ও গবেষণায় বেঁচে থাকেন। কিন্তু এমনটি তো কাম্য হতে পারে না। পুরো দেশে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ঘটছে ধর্ষণের ঘটনা। আমরা শুধু নাগরিক মানুষেরা জানতে পাই, প্রচার মাধ্যমগুলো যে কয়টা জানাতে পারে সে কয়টাই। তার মধ্যে লঘুগুরুর মাত্রা নির্ধারণ তো হয়ই। যেমন রাজনৈতিক ধর্ষণ, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ধর্ষণ, দুর্বলকে নিপীড়নের নিমিত্তে ধর্ষণ, মৌজমাস্তির ধর্ষণ, আরও নানাবিধ অগণিত অসংখ্য কারণে বাংলাদেশে ধর্ষণের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটে থাকে। শুধু বাংলাদেশ কেনো, পুরো পৃথিবীতেই তো এধরনের সহিংসতা সমানে চলমান। যেহেতু ধর্ষণের সকল দায় নারী বা নিপীড়িতের ওপরেই পড়ে, তাই নিতান্ত প্রাণ সংহারের কারণ না হলে ধর্ষণের ঘটনা খুব একটা জনসমক্ষে আসে না। তবুও কিছু দুঃসাহসী আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন নারীরা যখন আগামী পৃথিবীর মঙ্গল ভেবে তাদের প্রতি হওয়া নির্যাতনের কথা জনসমক্ষে তুলে ধরেন তখনই শুরু হয় সত্য প্রমাণের অগ্নিপরীা। তাকেই প্রমাণ করাতে হয় যে, ঘটনা সত্য। একজন ধর্ষিতার কাছে এর চেয়ে বিড়ম্বনারও কিছু আছে কি?

অস্বীকারের সুযোগ নেই যে, কোনো আইন তৈরির উদ্দেশ্য থাকে জনসাধারণের কল্যাণ। আইন প্রণেতারা আইন প্রণয়ন করেন, জনগণের কাজ সেই আইন মান্য করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেই আইনের বাস্তবায়নে সাহায্য করেন। মূল কথা আইন মেনে চলা প্রকৃত অর্থেই মঙ্গলজনক। কিন্তু আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন আসে যে, আইন মানতে আমরা কতটুকু ইচ্ছুক? আবার এটাও খতিয়ে দেখা কর্তব্য হওয়া জরুরি যে, আইন না মানার প্রবণতা কেন দিন দিন বাড়ছে। বলতে চাই, মানুষ আইন মানতে বাধ্য হয় আত্মসচেতন হলে এবং সর্বস্তরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ‘বিচারহীনতা এবং ভয়ের সংস্কৃতির কারণে ধর্ষণ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। বিচার না পাওয়ায় অনেকেই মামলা করতে আগ্রহী হন না। প্রভাবশালীদের ভয়ও আছে।’ আমি মনে করি, এ পর্যায়ে এসে পদক্ষেপ গ্রহণে রাষ্ট্রশাসক তথা সরকারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। রাজনৈতিক অঙ্গীকার বা সদিচ্ছা ব্যতিরেকে, শুধু আইন প্রণয়ন করে যে নারীর ওপর নির্যাতন রোধ করা অসম্ভব, তা স্পষ্ট। কিছুতেই মাথায় ঢোকে না যে, একটি দেশের রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রশাসনের সর্বোচ্চস্তরে যখন নারীরা অধিষ্ঠিত; তখন নারী নিগ্রহের বিচার চাইতে হবে কেন! কেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নারী নিগ্রহের বিচার হবে না! দেশে চলমান ধর্ষণের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা ভেবে দেখতে পারেন।

 

বীরেন মুখার্জী

কবি, নির্মাতা
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, রূপালী আলো

মন্তব্য করুন
Advertisement
চলচ্চিত্র পরিচালকদের দাবি, পারিশ্রমিক কমাচ্ছেন না শিল্পীরা!
ঢালিউড4 days ago

চলচ্চিত্র পরিচালকদের দাবি, পারিশ্রমিক কমাচ্ছেন না শিল্পীরা!

শিল্প ও সাহিত্য7 days ago

লাটাই ছড়াসাহিত্য পুরষ্কার ঘোষণা

বিবিধ3 weeks ago

শাড়ি নিয়ে অসাড়তার সুলুক সন্ধান ।। সুমনা গুপ্তা

চলচ্চিত্র খলঅভিনেতা বাবর আর নেই
ঢালিউড3 weeks ago

চলচ্চিত্র খলঅভিনেতা বাবর আর নেই

শাকিব খান ও আরিয়ানা জামান। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড3 weeks ago

শাকিবের নতুন নায়িকা কে এই আরিয়ানা

বিবিধ4 weeks ago

একটি পনেরই আগস্ট ও বর্তমান প্রেক্ষাপট | রীনা তালুকদার

parineeti chopra new dress
বলিউড4 weeks ago

এ কেমন পোশাক পড়লেন পরিণীতি ? জুম করে দেখুন, চমকে উঠবেন

জ্যোতিকা জ্যোতি
বিবিধ1 month ago

কলকাতায় রাজলক্ষ্মী হয়ে গেয়েন জ্যোতিকা জ্যোতি

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে সমস্যা কি?
বিবিধ1 month ago

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে সমস্যা কি?

শিল্প ও সাহিত্য1 month ago

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী তামান্না জেসমিনের জন্মদিন আজ

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
রূপালী আলো8 months ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
রূপালী আলো8 months ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
রূপালী আলো8 months ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো10 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো11 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো11 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো1 year ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো1 year ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
রূপালী আলো1 year ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
রূপালী আলো1 year ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

সর্বাধিক পঠিত