fbpx
Connect with us

রূপালী আলো

সমাজে ও শিক্ষাঙ্গনে মাদকের ছোবল রুখতে হবে | রায়হান আহমেদ

Published

on

সমাজে ও শিক্ষাঙ্গনে মাদকের ছোবল রুখতে হবে | রায়হান আহমেদ
সমাজে ও শিক্ষাঙ্গনে মাদকের ছোবল রুখতে হবে | রায়হান আহমেদ

নীরব ঘাতকের মতো মাদকাসক্তি প্রসার লাভ করছে। মাদকাসক্তি আমাদের কর্মশক্তির বড় একটি অংশ আগামী দিনের নাগরিকদের গ্রাস করছে প্রতিনিয়ত। এ পরিস্থিতি শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার পক্ষে রোধ করা সম্ভব নয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা সর্বাগ্রে প্রয়োজন। প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা। মাদককে না বলুন- ঘরে ঘরে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। প্রশাসনের মাদকবিরোধী সভা-সেমিনার, বিজিবি ও পুলিশের অভিযানসহ মসজিদভিত্তিক জনসচেতনতা কার্যক্রম গ্রহণের পরও প্রতিদিন বাড়ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা। মাদকের নীল ছোবলে একেকটি পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে যুবসমাজের সম্ভাবনাময় শক্তি। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ নানা ধরনের মাদক উদ্ধার করেছে।সমাজে ও শিক্ষাঙ্গনে মাদকের ছোবল রুখতে হবে। মাদকের সর্বগ্রাসী আগ্রাসনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে দেশের যুবসমাজ। বস্তির দরিদ্র ছেলে থেকে শুরু করে শহরের অভিজাত এলাকার ধনীর দুলাল এখন মাদকে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি স্কুলের কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পর্যন্ত মাদকের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে।এসব মাদকদ্রব্য গ্রহণের ফলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক বিকৃতি ঘটে। ফলে দেশে দিন দিন সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারী ও শিশু নির্যাতন, চুরি, ডাকাতির মতো মারাত্মক অপরাধগুলোর সঙ্গে মাদকসেবীরাই যুক্ত। আর তাই জাতি হাঁটছে অন্ধকারের দিকে, মৃত্যুর দিকে হাঁটছে নৈতিক মূল্যবোধ এবং জন্ম নিচ্ছে ঐশীর মতো পিতামাতা হত্যাকারী সন্তানরা।

সমাজ ও জাতির স্বার্থে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত। মাদক গ্রহণকারীদের সংশোধন কেন্দ্রের মাধ্যমে সামাজিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ সমাজে সুস্থ সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবন কামনা করে। সুস্থ জীবন সুনাগরিক হওয়ার অন্যতম অবলম্বন। সুনাগরিক হতে হয়ে রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে সুস্থ জীবনের অধিকারী হতে হবে। শারীরিক ও মানসিক উভয় দিয়ে সুস্থ হলেই একজন নাগরিক রাষ্ট্রের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করতে পারে। কাজেই সুস্থ জীবন সুনাগরিক হওয়ার চাবিকাঠি স্বরূপ। মানব ইতিহাসের সূচনালগ্ন হতে মাদকের উৎপত্তি হলেও বর্তমানে এর অনিয়ন্ত্রিত এবং ক্রমবর্ধমান ব্যবহারে সমাজ ব্যবস্থায় এক মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি হয়েছে। মাদকের করাল গ্রাসে মানবিক মূল্যবোধ ধ্বংস হচ্ছে। বাড়ছে সামাজিক অস্থিরতা। এ সমস্যা প্রতিরোধে প্রয়োজন সামজিক গণসচেতনাতা। সমাজের সকল গুণী লোককে মাদক বিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে বিশেষত সকল তরুন ছাত্র-ছাত্রী ও যুবকর্মীদের মাধ্যমে একে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ভূমিকার প্রতি যতœশীল হতে হবে।মাদকাসক্তি এক নীরব ঘাতক ব্যাধি। যে দ্রব্য গ্রহণে আসক্তি জন্মে তার নাম মাদকদ্রব্য। মাদকদ্রব্য গ্রহণ একটি বদঅভ্যাস, একটি আচরণগত সমস্যা, মাদকদ্রব্য গ্রহণের ফলে মাদকাসক্তের স্বাস্থ্য হানি হয় জীবনীশক্তি কমতে থাকে, শরীরের ইন্দ্রিয়গুলি নিস্তেজ হয়ে যায়, আচরণগত সমস্য দেখা দেয়, মানসিক ভারসাম্য লোপ পায়, কর্মদক্ষতা ও ক্ষমতা গ্রাস পায়, হতাশা এবং অবসাদ তাকে ঠেলে দেয় এব অন্ধকার জীবনে। সে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলে।

কোনো ব্যক্তি মাদকাসক্ত হলে তার মধ্যে নানান রকম পরিবর্তন দেখা দেয়। এসব পরিবর্তনকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন দৈহিক পরিবর্তন, আচরণগত পরিবর্তন, মানসিক পরিবর্তন, বোধশক্তিতে পরিবর্তন, কাজেকর্মে পরিবর্তন ইত্যাদি। মাদকসক্তি অপরাধ নয়, রোগ। মাদকাসক্ত ব্যক্তি তাই কোনো অপরাধ নয়, একজন রোগী। মাদকাসক্তি একটি মারাত্মক বয়সের অসুস্থতা। এইডস, ক্যান্সার ও হৃদরোগের মত এটি একটি ভয়াবহ রোগ। এ রোগটি নিরাময়ের অযোগ্য হলেও মাদকাসক্ত ব্যক্তি যদি সুস্থতার জন্য আগ্রহী হন চিকিৎসা ও ও চিকিৎসা পরবর্তী পরিচর্যার মাধ্যমে অসুস্থ মনোভাব ও জীবন ধারা পরিবর্তন করেন, জীবনকে সুশৃঙ্খলপূর্ণ ভাবে পরিচালনা করার জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ নেন তাহলে তিনি ও মাদকমুক্ত থেকে সুন্দর জীবন উপভোগ করতে পারেন।মাদকাসক্তির অভিশাপে নিমজ্জিত এখন গোটা পৃথিবী। মাদকদ্রব্যের অয়াবহতা আজ কোনো দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধা নেই। সমগ্র বিশ্ব এ সমস্যার সম্মুখীন। পৃথিবীর অন্যতম উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এই সমস্যায় জর্জরিত। ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ মাদক পাচারের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। জাতি আজ বেশি উদ্বিগ্ন কারণ বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে ধারণা করা হয় যে, বাংলাদেশে মাদকাসক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের প্রায় দ্বিগুন। এদেশের মাদকাসক্তদের অধিকাংশই তরুণ এবং শতকরা ৮৫ ভাগ মাদকাসক্তের বয়স ১৫ থেকে ১৯ বৎসরের মধ্যে।মাদকাসক্তি কারণ বহুবিধ। উঠতি বয়সীর তরুণরা নেশা করে কৌতুহল বশত, বন্ধদের প্ররচনায় অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে উঠে, বাবা-মার অসুখী দাম্পত্য জীবনের কারণে অনেক হতাশাগ্রস্থা তরুণ নেশা করে থাকে, পাড়া মহল্লার ক্লারের আড্ডা থেকেও মাদকাসক্তির বিস্তৃতি ঘটে।

অপরদিকে কর্ম বিমুখতা ও ভ্রান্ত জীবনদর্শন, অপসংস্কৃতি ও অসৎ সঙ্গের প্রভাব, মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা, ব্যক্তিত্ব ও নৈতিক দৃঢ়তার অভাব, মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে অজ্ঞতা, হতাশা (প্রধানত বেকারত্ব জনিত),অত্যাধুনিক সাজগোজের প্রবণতা ও স্মার্ট হওয়া সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনা, রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা লাভের অদম্য আকাঙ্খা ইত্যাদি মাদকাসক্তির কারণ।যে কোন ধরনের মাদকই হোক না কেন তা কোন ক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। মাদক একটি অভিশাপ। মানুষের জীবনকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দিতে পারে এই মাদক। আজকের এই মাদক শুধু বখে যাওয়া তরুণদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে শিশু ও কিশোরদের মধ্যেও। বিশেষ করে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মাঝেও মাদক গ্রহণের প্রবণতা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার শুধু পুরুষই নয়, আজকাল মহিলাদের মাঝেও মাদক গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদকের আগমন ও বিস্তারের পথ দিন দিন ছড়িয়ে পড়ছে শহর-বন্দর থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত অলিগলি পর্যন্ত। পত্রিকা মারফত জানা যায়, প্রতিদিন শুধু রাজধানী ঢাকা শহরেই ইয়াবা বাবদ হাত বদল হয় ৭ কোটি টাকা।ইয়াবা সেবনের টাকা যোগাড় করতে না পেরে অনেকেই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের মতো জঘন্যতম কাজও করছে অনায়াসে। আবার ইয়াবা ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়েও প্রতিনিয়তই সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। মোট কথা, নেশার কারণেই আজ সমাজে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।বিভিন্ন সময়ে মাদক সেবক ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে লোক দেখানো অভিযান চালানো হয়। মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মাসোহারার টাকা নিয়ে বনিবনা না হলে নাকি মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়।

তাছাড়া অভিযানের সময় আটককৃতদের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়। আবার অভিযানের সময় আটককৃত মালামাল থানায় জমা দেয়ার সময় বা মিডিয়ার সামনে প্রচারের সময় নাকি অর্ধেকও হয়ে যায়। বাকি মাল পুলিশ সদস্যরা আবার মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রি করে দেয়।প্রতিদিনই এভাবে মাদকের অসংখ্য চালান ধরা পড়ছে। তারপরও বন্ধ করা যাচ্ছে না মাদকের বিস্তার। হাত বাড়ালেই মিলছে মদ, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইনসহ নানা জাতীয় নেশাদ্রব্য। নেশার নীল ছোবলে আজ ধ্বংসের পথে যুবসমাজ। মাদকাসক্তির কারণে পরিবার ও সমাজে অস্থিরতা বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা।যে, মাদকাসক্ত ব্যক্তি কিশোর অথবা যুবক। কিশোরের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা থেকে তা বিকাশের পথ প্রথমেই তিরোহিত হয়ে যায়। ছাত্র হলে সে তার লোপড়া করতে সক্ষম হয় না। অন্য পেশাদার হলে তাতেও মনোনিবেশ করতে অক্ষম হয়ে পড়ে। ফলে সারাজীবন সে বেকার ও বোঝা হয়ে যায়। আসক্ত ব্যক্তির মানসিক শারীরিক, সামাজিক ও পারিবারিক এবং আর্থিক অবনতি ঘটে থাকে।

মাদকাসক্তি প্রতিকার ব্যবস্থাকে সামাজিক আন্দোলন হিসাবে উদ্বুদ্ধকরণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, আত্মকর্ম সংস্থান ও মাদকবিরোধী বিভিন্ন র্যালী/সমাবেশের আয়োজন করতে হবে। এছাড়া মাদক সমস্যার সমাধান কল্পে কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারের জন্য বর্তমান সরকারকে কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে এবং এই প্রসঙ্গে কারিগরী প্রশিক্ষণের উপরও জোর দিতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসারের জন্য মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচীর পাশাপাশি বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনেরও পালন করতে হবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কোনো অবস্থাতেই জাতিকরকে ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া যায়না। তরুণ প্রজন্মকে মাদক দ্রব্যের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরী। আর এই জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গীকার।এ ব্যাপারে গণমাধ্যমগুলোর অত্যন্ত স্পষ্ট ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ গহণের প্রয়োজন রয়েছে।এছাড়া মাদকদ্রব্য চোরাচালানীদের বিরুদ্ধেও গণসচেতনাতা গড়ে তুলতে হবে।আজকের ও আগামী দিনের সুস্থ, সুন্দর, সুখকর জীবনের জন্যই মাকদ্রব্যের ব্যবহার রোধ করতে হবে। সমগ্র বিশ্ববাসীকে মাদকবিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার করার মধ্য দিয়ে মাদকের মরণ ছোবল থেকে বাঁচতে হবে। দেশ ও বিশ্ববিবেক সে প্রত্যাশাতেই প্রহর গুনছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অনেক ভূমিকা রাখলেও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক জনসচেতনতাও জরুরি। কারণ মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি।আইনের সঠিক প্রয়োগ হলে মাদক বিক্রেতা, মাদকসেবীরা দেশ ছেড়ে পালাবে এবং মাদক চিরতরে নির্মূল হবে।


রায়হান আহমেদ : কলাম লেখক
[email protected]

মন্তব্য করুন
Advertisement
চলচ্চিত্র শিল্পীদের কড়া নীতিমালা ছুড়ে দিলেন চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠন
ঢালিউড1 day ago

চলচ্চিত্র শিল্পীদের কড়া নীতিমালা ছুড়ে দিলেন চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠন

ঢালিউড2 days ago

চলচ্চিত্রে সংগঠন প্রয়ােজন; শাকিব খান ছাড়া যুক্তি দিলেন যারা

একটি প্রথম সারির পত্রিকা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে! - সংবাদ সম্মেলনে জায়েদ খান
ঢালিউড5 days ago

একটি প্রথম সারির পত্রিকা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে! – সংবাদ সম্মেলনে জায়েদ খান

ঢালিউড1 week ago

চলচ্চিত্র অঙ্গণে যেন দুস্থ শিল্পীদের ঈদ!

টেলিভিশন1 week ago

আমি চাইলেই সেই পরিচালকদের আইনের আওতায় আনতে পারি – সিদ্দিকুর রহমান

ঢালিউড1 week ago

এফডিসিতে লাঞ্ছিত মৌসুমী, ক্ষমা চাইলেন ড্যানিরাজ

প্রথমসারির পত্রিকাগুলি ভিত্তিহীন গুজব নিউজ কিভাবে করেন! - চিত্রনায়িকা জলি
ঢালিউড1 week ago

প্রথমসারির পত্রিকাগুলি কিভাবে ভিত্তিহীন নিউজ করে! – চিত্রনায়িকা জলি

ফ্যাশন1 week ago

ফ্যাশন হাউজের নাম নিবিড়!

বিবিধ2 weeks ago

ব্রেক্সিট ঝড়ের কবলে বৃটিশ রাজনীতি – রায়হান আহমেদ 

ঢালিউড2 weeks ago

চিত্রনায়িকা পপিকে কড়া জবাব দিলেন জায়েদ খান

টেলিভিশন4 weeks ago

নিউজ না করতে সাংবাদিকদের হাতে পায়ে ধরছেন চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা!

ঢালিউড3 weeks ago

বস্তি থেকে উঠে আসা বিস্তর বানিজ্যের উৎস কি?

ঢালিউড2 weeks ago

চিত্রনায়িকা পপিকে কড়া জবাব দিলেন জায়েদ খান

প্রথমসারির পত্রিকাগুলি ভিত্তিহীন গুজব নিউজ কিভাবে করেন! - চিত্রনায়িকা জলি
ঢালিউড1 week ago

প্রথমসারির পত্রিকাগুলি কিভাবে ভিত্তিহীন নিউজ করে! – চিত্রনায়িকা জলি

ঢালিউড1 week ago

এফডিসিতে লাঞ্ছিত মৌসুমী, ক্ষমা চাইলেন ড্যানিরাজ

ঢালিউড2 weeks ago

নায়িকা শিরিন শিলার সঙ্গে আরমানের গভীর সম্পর্ক ছিল!

বিবিধ2 weeks ago

ব্রেক্সিট ঝড়ের কবলে বৃটিশ রাজনীতি – রায়হান আহমেদ 

টেলিভিশন1 week ago

আমি চাইলেই সেই পরিচালকদের আইনের আওতায় আনতে পারি – সিদ্দিকুর রহমান

ঢালিউড4 weeks ago

নায়ক মান্নার জন্মোৎসবে থাকবেন ঋতুপর্ণা

জীবনযাপন3 weeks ago

বিকাশের ১ টাকার ফাতরা অফারে ৩০০ টাকা গচ্চা!

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান
রূপালী আলো9 months ago

ইত্যাদিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আকবরের নতুন গান

শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান। ছবি : ইন্টারনেট
রূপালী আলো9 months ago

পানির নীচে কার সঙ্গে শাহরুখ-কন্যা সুহানা! (ভিডিও)

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম 'অপরাধী'
রূপালী আলো9 months ago

গুলশান-বনানীর পারিবারিক জীবন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘অপরাধী’

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের মরুভূমিতে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো11 months ago

সৌদি আরবের মরুভূমিতে বন্যা! (ভিডিও)

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
রূপালী আলো12 months ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
রূপালী আলো12 months ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
রূপালী আলো1 year ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
রূপালী আলো1 year ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
রূপালী আলো1 year ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
রূপালী আলো1 year ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

সর্বাধিক পঠিত